
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধার করতে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পেশাল ফোর্সেস’ বা বিশেষ কমান্ডো বাহিনী।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শুক্রবার রাতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে নামে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিখোঁজ পাইলটকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরতে পারলে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দিনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। ওই বিমানে দু’জন ক্রু ছিলেন। তাদের একজনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়।
এই অভিযানে অংশ নেওয়া মার্কিন হেলিকপ্টারকে টার্গেট করে গুলি ছোড়ে ইরানের পুলিশ। এতে একটি হেলিকপ্টারের লেজের অংশে আগুন ধরে যায় এবং সেখান থেকে ধোঁয়া বের হয়। কিন্তু হেলিকপ্টারটি পরবর্তীতে নিরাপদে অবতরণ করতে সমর্থ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা যখন তাদের ক্রুকে উদ্ধারের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তখন ওই ক্রুকে ধরতে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে ইরানি মিলিশিয়ারা। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, যদি কেউ মার্কিন বিমানবাহিনীর এই পাইলটকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় আটক করতে পারে তাহলে তাকে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।
শুক্রবার এফ-১৫ এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটি এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করার দাবি করে ইরানি সেনারা। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে পারস্য উপসাগরে আছড়ে পড়েছে বলে দাবি করে তারা। এ মডেলের বিমান সাধারণত খুব কাছ থেকে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

ভূপাতিত মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রুকে উদ্ধার করতে সরাসরি ইরানি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্পেশাল ফোর্সেস’ বা বিশেষ কমান্ডো বাহিনী।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শুক্রবার রাতে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে নামে মার্কিন সেনারা। এরই মধ্যে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন নিখোঁজ পাইলটকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ধরতে পারলে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দিনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ইরান। ওই বিমানে দু’জন ক্রু ছিলেন। তাদের একজনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়।
এই অভিযানে অংশ নেওয়া মার্কিন হেলিকপ্টারকে টার্গেট করে গুলি ছোড়ে ইরানের পুলিশ। এতে একটি হেলিকপ্টারের লেজের অংশে আগুন ধরে যায় এবং সেখান থেকে ধোঁয়া বের হয়। কিন্তু হেলিকপ্টারটি পরবর্তীতে নিরাপদে অবতরণ করতে সমর্থ হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্সের সেনারা যখন তাদের ক্রুকে উদ্ধারের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তখন ওই ক্রুকে ধরতে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে ইরানি মিলিশিয়ারা। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, যদি কেউ মার্কিন বিমানবাহিনীর এই পাইলটকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় আটক করতে পারে তাহলে তাকে ৬৬ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।
শুক্রবার এফ-১৫ এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের একটি এ-১০ ওয়ার্থগ যুদ্ধবিমানও ভূপাতিত করার দাবি করে ইরানি সেনারা। এটি হরমুজ প্রণালির কাছে পারস্য উপসাগরে আছড়ে পড়েছে বলে দাবি করে তারা। এ মডেলের বিমান সাধারণত খুব কাছ থেকে হামলা চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়।

আবার এই সপ্তাহেই, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান ও আমেরিকার মধ্যেকার সংঘাত নিরসনে পাঁচ-দফা শান্তি পরিকল্পনার জন্য চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিংয়ে গেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
একই দিনে দুটি অত্যাধুনিক বিমান হারানোর ঘটনাকে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজ
৭ ঘণ্টা আগে