
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সরাসরি যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে, শুক্রবার পর্যন্ত তাদের অন্তত ১৩ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই লড়াইয়ে আহত হয়েছেন আরও ৩৬৫ জন মার্কিন সামরিক সদস্য।
তেহরানের দাবি, তাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে তেহরান।
তারপর থেকে এক মাসের বেশি ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েলেও ইরান ও তাদের ছায়া বাহিনী লেবাননের হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা ছাড়াও ৩৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করছে পেন্টাগন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, আহত ৩৬৫ জনের মধ্যে ২৪৭ জন মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনীর ৬৩ জন ও বিমান বাহিনীর ৩৬ জন আহত হয়েছেন। বাকি ১৯ জন মেরিন সেনা।
যুদ্ধের ৩২ তম দিনে গতকাল শুক্রবার দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন কিনা এ এখনো জানা যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সরাসরি যুদ্ধে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে যে, শুক্রবার পর্যন্ত তাদের অন্তত ১৩ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই লড়াইয়ে আহত হয়েছেন আরও ৩৬৫ জন মার্কিন সামরিক সদস্য।
তেহরানের দাবি, তাদের পাল্টা হামলায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করে তেহরান।
তারপর থেকে এক মাসের বেশি ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েলেও ইরান ও তাদের ছায়া বাহিনী লেবাননের হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। হামলায় ১৩ মার্কিন সেনা ছাড়াও ৩৬৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করছে পেন্টাগন।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, আহত ৩৬৫ জনের মধ্যে ২৪৭ জন মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া ইরান যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনীর ৬৩ জন ও বিমান বাহিনীর ৩৬ জন আহত হয়েছেন। বাকি ১৯ জন মেরিন সেনা।
যুদ্ধের ৩২ তম দিনে গতকাল শুক্রবার দুটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে ইরান। এতে কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন কিনা এ এখনো জানা যায়নি।

এ বাস্তবতায় অনেক বিশ্লেষকের মতে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মূল্য ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছিল। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ট্রাম্পের জন্য যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে বেরিয়ে আসার একটি পথ হয়ে উঠেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে পাঠানো এক লিখিত বার্তায় খামেনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘হতাশা থেকে’ বিভিন্ন ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করে এই সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শেষ রাত পর্যন্ত রাশিয়ার রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা অন্তত ১৯৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
১৭ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও স্বাভাবিকভাবে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর মধ্যে লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে