
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিভিন্ন কারাগারে গত আট মাসে অন্তত ২০ জন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড ঝুলিয়ে কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা 'ইরান হিউম্যান রাইটস' (আইএইচআর) এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে অন্তত একজন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তেহরান। এছাড়া প্রতি মাসে নতুন করে গড়ে আরও তিন আফগানকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব নাগরিকদের মূলত মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, হত্যা, ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বড় একটি অংশকেই ঝুলিয়ে মারা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত মামলায়।
আইএইচআর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই বিচারপ্রক্রিয়াগুলোতে চরম অস্বচ্ছতা ছিল। আসামিদের নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং বিচার ব্যবস্থার সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব স্পষ্ট। এমনকি দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারকেও মামলার অগ্রগতি বা সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে শিরাজের আদেলবাদ কারাগার, তায়বাদ কারাগার, ইয়াজদ কারাগার এবং ইসফাহানের দস্তগার্দ কারাগারে।
দণ্ডপ্রাপ্তদের অপরাধের বিবরণে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসফাহানের আলিখানি স্কয়ারে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গুল মোহাম্মদ ও কাইম হোসেনি নামের দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গত জুলাইয়ে একটি থানা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আফসার শাহ-আহমাদি, সাফাই এবং সদরুদ্দিন আহমেদাজাদ নামের তিন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
সংস্থাটি জানায়, কার্যকর করা এসব মৃত্যুদণ্ডের তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে এবং কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ঠিক কতজন আফগান নাগরিককে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তার প্রকৃত হিসাব বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০২৫ সালেও ইরানে অন্তত ৮৫ জন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

ইরানের বিভিন্ন কারাগারে গত আট মাসে অন্তত ২০ জন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড ঝুলিয়ে কার্যকর করা হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা 'ইরান হিউম্যান রাইটস' (আইএইচআর) এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রতি মাসে গড়ে অন্তত একজন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তেহরান। এছাড়া প্রতি মাসে নতুন করে গড়ে আরও তিন আফগানকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থাটি জানায়, সাজাপ্রাপ্ত এসব নাগরিকদের মূলত মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, হত্যা, ইসরায়েলের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে বড় একটি অংশকেই ঝুলিয়ে মারা হয়েছে মাদকসংক্রান্ত মামলায়।
আইএইচআর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই বিচারপ্রক্রিয়াগুলোতে চরম অস্বচ্ছতা ছিল। আসামিদের নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং বিচার ব্যবস্থার সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব স্পষ্ট। এমনকি দণ্ডপ্রাপ্তদের পরিবারকেও মামলার অগ্রগতি বা সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে শিরাজের আদেলবাদ কারাগার, তায়বাদ কারাগার, ইয়াজদ কারাগার এবং ইসফাহানের দস্তগার্দ কারাগারে।
দণ্ডপ্রাপ্তদের অপরাধের বিবরণে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইসফাহানের আলিখানি স্কয়ারে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গুল মোহাম্মদ ও কাইম হোসেনি নামের দুজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে, গত জুলাইয়ে একটি থানা পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে আফসার শাহ-আহমাদি, সাফাই এবং সদরুদ্দিন আহমেদাজাদ নামের তিন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
সংস্থাটি জানায়, কার্যকর করা এসব মৃত্যুদণ্ডের তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে এবং কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে ঠিক কতজন আফগান নাগরিককে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তার প্রকৃত হিসাব বের করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগের বছর ২০২৫ সালেও ইরানে অন্তত ৮৫ জন আফগান নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছিল।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে