
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পৃথক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ক্যাপিটল হিলে সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাঝেই একই দিনে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই মিত্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প।
বড় কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও হোয়াইট হাউজ বৈঠক দুটিকে ‘ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেছে।
আলোচনায় জেলেনস্কির জন্য মার্কিন ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের লাইসেন্স এবং নেতানিয়াহুর জন্য ইরান ইস্যু প্রাধান্য পায়; বৈঠক শেষে যাকে নিজের এ যাবৎকালের ‘সেরা বৈঠক’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
বড় কোনো ঘোষণা ছাড়াই একই দিনে জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের ইতি টেনেছেন ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাদা আলাদা রুদ্ধদ্বার আলোচনার পর হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, বৈঠক ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ হয়েছে।
জেলেনস্কির দাবি, আলোচনায় মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- ‘প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর’ উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বিপরীতে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু বলছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে এটাই ছিলো তার এ যাবৎকালের সেরা বৈঠক।
একই দিনে দু'টি ভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে জড়িত দুই মিত্রদেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ যেমন বিরল, তেমনি, গুরুত্বের বিচারেও এই সাক্ষাতের তাৎপর্যও অনেক। তাই শুরু থেকেই ভিন্ন ছিলো এ আয়োজন।
হোয়াইট হাউজে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের এতটুকুও সময় দেননি জেলেনস্কি আর নেতানিয়াহু। স্লাইড গেট হয়ে সরাসরি চলে গেছেন মূল ভেন্যু ওভাল অফিসে। দুই নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ছিল চূড়ান্ত গোপনীয়তা। যার স্থির ছবি প্রকাশ পেলেও আসেনি কোনো ভিডিও।
বৈঠক শেষে এক্স বার্তায় হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জানিয়েছেন, জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। দাপ্তরিক এই বিবৃতি ছাড়া আর কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আসেনি হোয়াইট হাউজ থেকে। তবে, জানা গেছে, বৈঠক শেষে লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগ দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই।
এদিন, শুরুতে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের টেলিগ্রাম পোস্টের ভিত্তিতে বিবিসি জানিয়েছে, আলোচনায় ইউক্রেনীয়দের সুরক্ষা, দ্বিপক্ষীয় সহায়তার দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বৈঠকের মূল এজেন্ডা ছিলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনের লাইসেন্স। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট উৎপাদনের লাইসেন্স দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
এরপর ওভাল অফিসে পা রাখেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর বহুবার দুই নেতার সাক্ষাৎ হলেও ফেব্রুয়ারিতে ইরানে হামলা শুরুর পর এটাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক। রুদ্ধদ্বার এই আলোচনার কেন্দ্র ইরান ইস্যু থাকলেও বৈঠকের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কিছুই জানায়নি হোয়াইট হাউজ। আর আলোচনা শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু বলছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে এটাই ছিলো তার এ যাবৎকালের সেরা বৈঠক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পৃথক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ক্যাপিটল হিলে সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের মাঝেই একই দিনে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুই মিত্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প।
বড় কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসলেও হোয়াইট হাউজ বৈঠক দুটিকে ‘ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেছে।
আলোচনায় জেলেনস্কির জন্য মার্কিন ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের লাইসেন্স এবং নেতানিয়াহুর জন্য ইরান ইস্যু প্রাধান্য পায়; বৈঠক শেষে যাকে নিজের এ যাবৎকালের ‘সেরা বৈঠক’ বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী।
বড় কোনো ঘোষণা ছাড়াই একই দিনে জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের ইতি টেনেছেন ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলাদা আলাদা রুদ্ধদ্বার আলোচনার পর হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, বৈঠক ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ হয়েছে।
জেলেনস্কির দাবি, আলোচনায় মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- ‘প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর’ উৎপাদনের লাইসেন্স নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বিপরীতে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু বলছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে এটাই ছিলো তার এ যাবৎকালের সেরা বৈঠক।
একই দিনে দু'টি ভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধে জড়িত দুই মিত্রদেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ যেমন বিরল, তেমনি, গুরুত্বের বিচারেও এই সাক্ষাতের তাৎপর্যও অনেক। তাই শুরু থেকেই ভিন্ন ছিলো এ আয়োজন।
হোয়াইট হাউজে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের এতটুকুও সময় দেননি জেলেনস্কি আর নেতানিয়াহু। স্লাইড গেট হয়ে সরাসরি চলে গেছেন মূল ভেন্যু ওভাল অফিসে। দুই নেতার সঙ্গে আলাদা আলাদা রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ছিল চূড়ান্ত গোপনীয়তা। যার স্থির ছবি প্রকাশ পেলেও আসেনি কোনো ভিডিও।
বৈঠক শেষে এক্স বার্তায় হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জানিয়েছেন, জেলেনস্কি ও নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। দাপ্তরিক এই বিবৃতি ছাড়া আর কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য আসেনি হোয়াইট হাউজ থেকে। তবে, জানা গেছে, বৈঠক শেষে লিন্ডসে গ্রাহামের শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগ দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই।
এদিন, শুরুতে জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় বসেন ট্রাম্প। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের টেলিগ্রাম পোস্টের ভিত্তিতে বিবিসি জানিয়েছে, আলোচনায় ইউক্রেনীয়দের সুরক্ষা, দ্বিপক্ষীয় সহায়তার দিকগুলো গুরুত্ব পেয়েছে। তবে বৈঠকের মূল এজেন্ডা ছিলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা- প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনের লাইসেন্স। ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ইউক্রেনকে প্যাট্রিয়ট উৎপাদনের লাইসেন্স দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
এরপর ওভাল অফিসে পা রাখেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর বহুবার দুই নেতার সাক্ষাৎ হলেও ফেব্রুয়ারিতে ইরানে হামলা শুরুর পর এটাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক। রুদ্ধদ্বার এই আলোচনার কেন্দ্র ইরান ইস্যু থাকলেও বৈঠকের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কিছুই জানায়নি হোয়াইট হাউজ। আর আলোচনা শেষে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু বলছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে এটাই ছিলো তার এ যাবৎকালের সেরা বৈঠক।

তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
১ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
১ দিন আগে
ম্যানহাটনের ডিস্ট্রিক্ট জজ জ্যানেট ভার্গাস শুক্রবার (২১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনি বলেন, স্টেট ডিপার্টমেন্টের জানুয়ারিতে ঘোষিত এই নীতি ছিল ‘স্পষ্টতই বেআইনি’। এটি কেন্দ্রীয় অভিবাসন আইনেরও পরিপন্থি। কারণ, ওই আইনে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি ক
১ দিন আগে
দীর্ঘদিনের মিত্র কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর দেশটির প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার সমমূল্যের কিছু পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েক দিনের আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য দুই দেশই একে অপরকে দায়ী করেছে। শনিবার থেকে নতুন এই শুল্ক কার্যকর হয়েছে।
১ দিন আগে