
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরবর্তী কয়েকটি দিন নির্ধারণমূলক হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, তারা কোনো চুক্তিতে না এলে সংঘাত তীব্র হবে।
এদিকে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে। তারা বলছে, হামলার জবাবে তারা এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানিগুলোকে 'টার্গেট' করবে।
আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরান আগে দুবাইয়ের কাছাকাছি একটি সম্পূর্ণ তেলবোঝাই ট্যাংকারে আগুন দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর এটিই সবশেষ হামলা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে সোমবার হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান যদি শান্তি চুক্তিতে না আসে এবং হরমুজ প্রণালি না খুলে দেয়, তবে তাদের শক্তি কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এই প্রণালি বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন করে থাকে, যা ইরান কার্যত বন্ধ রেখেছে।
ট্রাম্প চুক্তিতে আগ্রহী
ট্রাম্প বারবার আহ্বান জানানোর পরও ইউরোপে মার্কিন মিত্রদেশগুলো সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে রাজি হয়নি। মঙ্গলবার এসব দেশের তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প। এসব দেশকে আর সহায়তা না করার ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, এসব দেশ চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তেল কিনতে পারে। কারণ তাদের কাছে তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। তা না হলে দেরিতে হলেও এসব দেশ সাহস অর্জন করতে পারে, যেন তারা নিজেরাই হরমুজ প্রণালিতে হামলা চালিয়ে নিজেদের জন্য তেল সংগ্রহ করে নিতে পারে।
হেগসেথ শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন ট্রাম্প চুক্তিতে আগ্রহী এবং আলোচনাগুলো চলমান ও জোর পাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত, যদি ইরান সম্মত না হয়।
হেগসেথ ওয়াশিংটনে বলেন, আমাদের কাছে আরও বেশি বিকল্প আছে, আর তাদের কম... মাত্র এক মাসে আমরা শর্তগুলো স্থির করেছি, পরবর্তী দিনগুলো নির্ধারণমূলক হবে। ইরান এটা জানে, এবং সামরিকভাবে তারা প্রায় কিছুই করতে পারবে না।
এক মাস ধরে চলা এই সংঘাত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে, শক্তি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এ যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।
তেলের দাম রেকর্ড গতিতে বাড়ছে
হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে আগুনের পরে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও সাময়িকভাবে বেড়েছে। ওই ট্যাংকারে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছিল, যার বর্তমান বাজারমূল্য দুই কোটি মার্কিন ডলারের বেশি।
তেলের ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিও যুক্তরাষ্ট্রের গৃহস্থালীর অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে এবং নভেম্বরের মধ্যমেয়াদি নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান গ্যাসবাডির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের জাতীয় গড় খুচরা দাম সোমবার প্রথমবারের মতো তিন বছরের মধ্যে প্রতি গ্যালন চার ডলার অতিক্রম করেছে। বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সীমিত থাকায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা মাসিক রেকর্ড বৃদ্ধির পথে ৬৪ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ কমানো পরিস্থিতিতে যে জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছিল, সেই ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার কথা ভাবছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন ব্লকের শক্তি প্রধান।
দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুয়েতের পতাকাবাহী আল-সালামি জাহাজে ড্রোন হামলার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন আর ওই জাহাজ থেকে তেল ঝরছে না এবং ক্রুদের মধ্যে হতাহতের কোনো ঘটনা হয়নি। জাহাজটির মালিক কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, শুধু জাহাজের কিছু ক্ষতি হয়েছে।
এলএসইজির তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি চীনের কুয়িংদাওয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্যাংকার ট্র্যাকারস ডটকমের মনিটরিং সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এতে ১২ লাখ ব্যারেল সৌদি ক্রুড ও আট লাখ ব্যারেল কুয়েতি ক্রুড তেল ছিল।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সক্ষমতাকে ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত করতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোতে আঘাত চালাচ্ছে এবং ১৫০টিরও বেশি ইরানি নৌ যান ধ্বংস করেছে। হেগসেথ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ইরানে ব্যাপকভাবে বর্গোচার হয়েছে।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা সোমবার রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সৈন্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এ শক্তি ট্রাম্পকে ইরানে স্থল হামলার বিকল্প দিতে পারে।
হামল কমার কোনো লক্ষণ না দেখে পাকিস্তান যুদ্ধের মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মঙ্গলবার বেইজিংয়ে সাক্ষাৎ করে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ত্বরিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
নতুন হামলা
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা ইরানে ২০টি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলার একটি ধাপ সম্পন্ন করেছে।
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। তুরস্ক সোমবার জানিয়েছে, ইরান থেকে উৎক্ষেপিত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে, যা পরে ধ্বংস করা হয়েছে। যুদ্ধ ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহর সংঘাতকেও পুনরুজ্জীবিত করেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরবর্তী কয়েকটি দিন নির্ধারণমূলক হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তেহরানকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, তারা কোনো চুক্তিতে না এলে সংঘাত তীব্র হবে।
এদিকে ইরানের রেভ্যুলেশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) নতুন করে হুমকি দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে। তারা বলছে, হামলার জবাবে তারা এ অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন কোম্পানিগুলোকে 'টার্গেট' করবে।
আইআরজিসি এক বক্তব্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত এমন ১৮টি মার্কিন কোম্পানির নাম উল্লেখ করেছে। মাইক্রোসফট, গুগল, অ্যাপল, ইন্টেল, আইবিএম, টেসলা ও বোয়িংয়ের মতো সব জায়ান্ট রয়েছে এ তালিকায়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ইরান আগে দুবাইয়ের কাছাকাছি একটি সম্পূর্ণ তেলবোঝাই ট্যাংকারে আগুন দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর এটিই সবশেষ হামলা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে সোমবার হুমকি দিয়েছিলেন, ইরান যদি শান্তি চুক্তিতে না আসে এবং হরমুজ প্রণালি না খুলে দেয়, তবে তাদের শক্তি কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এই প্রণালি বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন করে থাকে, যা ইরান কার্যত বন্ধ রেখেছে।
ট্রাম্প চুক্তিতে আগ্রহী
ট্রাম্প বারবার আহ্বান জানানোর পরও ইউরোপে মার্কিন মিত্রদেশগুলো সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে রাজি হয়নি। মঙ্গলবার এসব দেশের তীব্র সমালোচনা করেন ট্রাম্প। এসব দেশকে আর সহায়তা না করার ঘোষণা দেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, এসব দেশ চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তেল কিনতে পারে। কারণ তাদের কাছে তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে। তা না হলে দেরিতে হলেও এসব দেশ সাহস অর্জন করতে পারে, যেন তারা নিজেরাই হরমুজ প্রণালিতে হামলা চালিয়ে নিজেদের জন্য তেল সংগ্রহ করে নিতে পারে।
হেগসেথ শনিবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বলেন ট্রাম্প চুক্তিতে আগ্রহী এবং আলোচনাগুলো চলমান ও জোর পাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত, যদি ইরান সম্মত না হয়।
হেগসেথ ওয়াশিংটনে বলেন, আমাদের কাছে আরও বেশি বিকল্প আছে, আর তাদের কম... মাত্র এক মাসে আমরা শর্তগুলো স্থির করেছি, পরবর্তী দিনগুলো নির্ধারণমূলক হবে। ইরান এটা জানে, এবং সামরিকভাবে তারা প্রায় কিছুই করতে পারবে না।
এক মাস ধরে চলা এই সংঘাত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে, হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে, শক্তি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এ যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।
তেলের দাম রেকর্ড গতিতে বাড়ছে
হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে আগুনের পরে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও সাময়িকভাবে বেড়েছে। ওই ট্যাংকারে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল ছিল, যার বর্তমান বাজারমূল্য দুই কোটি মার্কিন ডলারের বেশি।
তেলের ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধিও যুক্তরাষ্ট্রের গৃহস্থালীর অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করছে এবং নভেম্বরের মধ্যমেয়াদি নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ও রিপাবলিকান পার্টির জন্য রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান গ্যাসবাডির তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের জাতীয় গড় খুচরা দাম সোমবার প্রথমবারের মতো তিন বছরের মধ্যে প্রতি গ্যালন চার ডলার অতিক্রম করেছে। বিশ্বব্যাপী সরবরাহ সীমিত থাকায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৯ ডলারে পৌঁছেছে, যা মাসিক রেকর্ড বৃদ্ধির পথে ৬৪ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২২ সালে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ কমানো পরিস্থিতিতে যে জরুরি ব্যবস্থা নিয়েছিল, সেই ব্যবস্থা পুনরায় চালু করার কথা ভাবছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন ব্লকের শক্তি প্রধান।
দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কুয়েতের পতাকাবাহী আল-সালামি জাহাজে ড্রোন হামলার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। এখন আর ওই জাহাজ থেকে তেল ঝরছে না এবং ক্রুদের মধ্যে হতাহতের কোনো ঘটনা হয়নি। জাহাজটির মালিক কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, শুধু জাহাজের কিছু ক্ষতি হয়েছে।
এলএসইজির তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি চীনের কুয়িংদাওয়ের দিকে যাচ্ছিল। ট্যাংকার ট্র্যাকারস ডটকমের মনিটরিং সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, এতে ১২ লাখ ব্যারেল সৌদি ক্রুড ও আট লাখ ব্যারেল কুয়েতি ক্রুড তেল ছিল।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সক্ষমতাকে ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত করতে চলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোতে আঘাত চালাচ্ছে এবং ১৫০টিরও বেশি ইরানি নৌ যান ধ্বংস করেছে। হেগসেথ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে ইরানে ব্যাপকভাবে বর্গোচার হয়েছে।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তা সোমবার রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের হাজার হাজার সৈন্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এ শক্তি ট্রাম্পকে ইরানে স্থল হামলার বিকল্প দিতে পারে।
হামল কমার কোনো লক্ষণ না দেখে পাকিস্তান যুদ্ধের মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে। চীন ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মঙ্গলবার বেইজিংয়ে সাক্ষাৎ করে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও ত্বরিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
নতুন হামলা
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা ইরানে ২০টি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং একটি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলার একটি ধাপ সম্পন্ন করেছে।
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতিরা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা শুরু করেছে। তুরস্ক সোমবার জানিয়েছে, ইরান থেকে উৎক্ষেপিত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে, যা পরে ধ্বংস করা হয়েছে। যুদ্ধ ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত লেবাননের হিজবুল্লাহর সংঘাতকেও পুনরুজ্জীবিত করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ (৬৬ শতাংশ) মানুষ মনে করছেন, ইরানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য পূর্ণ না হলেও দেশটির উচিত দ্রুত এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসা। রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
১২ ঘণ্টা আগে
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতিতে এই জোট থেকে যুক্তরাষ্ট্র ঠিক কী সুবিধা পাচ্ছে, তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন। রুবিওর ভাষায়, 'এই সম্পর্ক আমাদের জন্য কতটা কার্যকর—তা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।'
১২ ঘণ্টা আগে
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে এই দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে কারিগরি ত্রুটিকে সন্দেহ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, বিমানে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি—অর্থাৎ ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা পাখির সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা নেই। ক্রিমিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
১৩ ঘণ্টা আগে