
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানের পক্ষ থেকে অনুরোধ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের পক্ষ থেকে তার এ দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটি বলছে, তাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন ট্রাম্প। পরে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারকেন্দ্র আইআরআইবি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বক্তব্যের বরাতে ট্রাম্পের দাবির বিপরীত তথ্য জানায়।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দাবি, ‘ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থার প্রেসিডেন্ট’ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। ট্রাম্প তার নাম প্রকাশ করেননি। বলেছেন, ‘তিনি তার পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক কম উগ্র ও অনেক বেশি বুদ্ধিমান’।
তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পেলেও তা সরাসরি মেনে নিচ্ছেন না ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা তখনই এ প্রস্তাব বিবেচনা করব যখন হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে এবং তা সবার জন্য অবাধ ও নিরাপদ হবে। তার আগে পর্যন্ত আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি, যে ইতিহাস তারা মনে রাখতে চাইবে না। কিংবা বলা যেতে পারে, তাদের আমরা প্রস্তর পাথর যুগে ফিরিয়ে দিচ্ছি!!!’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির জন্য ইরান প্রস্তাব করেছে— মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন দাবি প্রচারিত হওয়ার পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির এই অনুরোধের দাবিটি সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন।
এদিকে আইআরআইবির বরাতে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ বলে উল্লেখ করেছেন আরাগচি। তিনি বলেন, ‘চলমান সংঘাত তখনই থামবে যখন আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া হবে এবং ইরানকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
যুদ্ধবিরতির অনুরোধের বিষয়ে আরাগচি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়াই হয়নি।’

যুদ্ধবিরতির জন্য ইরানের পক্ষ থেকে অনুরোধ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরানের পক্ষ থেকে তার এ দাবি অস্বীকার করা হয়েছে। দেশটি বলছে, তাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি।
বুধবার (১ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমন দাবি করেন ট্রাম্প। পরে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারকেন্দ্র আইআরআইবি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বক্তব্যের বরাতে ট্রাম্পের দাবির বিপরীত তথ্য জানায়।
ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের দাবি, ‘ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থার প্রেসিডেন্ট’ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। ট্রাম্প তার নাম প্রকাশ করেননি। বলেছেন, ‘তিনি তার পূর্বসূরিদের তুলনায় অনেক কম উগ্র ও অনেক বেশি বুদ্ধিমান’।
তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পেলেও তা সরাসরি মেনে নিচ্ছেন না ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা তখনই এ প্রস্তাব বিবেচনা করব যখন হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে এবং তা সবার জন্য অবাধ ও নিরাপদ হবে। তার আগে পর্যন্ত আমরা ইরানকে ধ্বংস করে দিচ্ছি, যে ইতিহাস তারা মনে রাখতে চাইবে না। কিংবা বলা যেতে পারে, তাদের আমরা প্রস্তর পাথর যুগে ফিরিয়ে দিচ্ছি!!!’
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির জন্য ইরান প্রস্তাব করেছে— মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন দাবি প্রচারিত হওয়ার পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির এই অনুরোধের দাবিটি সম্পূর্ণ অসত্য ও ভিত্তিহীন।
এদিকে আইআরআইবির বরাতে আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ বলে উল্লেখ করেছেন আরাগচি। তিনি বলেন, ‘চলমান সংঘাত তখনই থামবে যখন আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া হবে এবং ইরানকে পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’
যুদ্ধবিরতির অনুরোধের বিষয়ে আরাগচি সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়াই হয়নি।’

ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের উত্তর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো। এর মধ্যে রয়েছে লা গুয়াইরা, আরাগুয়া, কারাবোবো এবং ফালকোন রাজ্য। এসব এলাকায় ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিন ধরে পরিবেশগত কারণে এয়ারকনের ব্যবহার সীমিত রাখার নীতি অনুসরণ করে আসা দেশটি এখন বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে রেকর্ড তাপমাত্রা, অন্যদিকে হাসপাতাল, স্কুল ও গণসেবার ওপর বাড়তে থাকা চাপ— এ পরিস্থিতি ফ্রান্সের রাজনীতি, পরিবেশনীতি ও জনস্বাস্থ্যের আলোচনাকে নতুন মোড় দিয়েছে।
১ দিন আগে
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ঝাঁকুনিটির উৎপত্তিস্থল ছিল ইউমারে থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব এবং ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।
১ দিন আগে
এর মাধ্যমে ১৯৫৭ ও ১৯৭৬ সালে গড়া জুন মাসের আগের সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রেকর্ড ভেঙে গেছে। তবে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড এখনো ২০২২ সালের ১৯ জুলাই লিংকনশায়ারের কনিংসবিতে রেকর্ড হওয়া ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
১ দিন আগে