চীন-রাশিয়ার সতর্কতা— বিশ্ব রাজনীতিতে 'জঙ্গলের আইন' ফেরার শঙ্কা

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ১৬: ২৫
বুধবার বেইজিংয়ে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এক জমকালো অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান শেষে কুশল বিনিময় করেন শি-জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: রয়টার্স

বিশ্ব রাজনীতিতে ঔপনিবেশিক আমলের মানসিকতা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে বিশ্ব জুড়ে আবারও 'জঙ্গলের আইন' (জোর যার মুল্লুক তার নীতি) ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে বলে যৌথভাবে সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চীন।

আজ বুধবার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে দেশ দুটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ক্রেমলিন থেকে রুশ ভাষায় প্রকাশিত ওই যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "বৈশ্বিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হয়ে উঠছে। বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নের এজেন্ডাগুলো নতুন নতুন ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে পড়া এবং বিশ্ব রাজনীতিতে আবারও 'জঙ্গলের আইন' ফিরে আসার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।"

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'ঔপনিবেশিক আমলের মানসিকতা নিয়ে বেশ কিছু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একতরফাভাবে বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, নিজেদের স্বার্থ পুরো বিশ্বের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য দেশের সার্বভৌম উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার যে চেষ্টা চালানো হয়েছিল, তা ব্যর্থ হয়েছে।'

চীন ও রাশিয়ার এই যৌথ বিবৃতিতে নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তবে উভয় দেশই দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একক আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টার তীব্র সমালোচনা করে আসছে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরাক থেকে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।

১৮ ঘণ্টা আগে

সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।

২০ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধের পরিণতি কি আফগানিস্তান-ইরাকের মতো হবে?

ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও

২০ ঘণ্টা আগে

ব্রিকসে ইরান-আমিরাত বরফ গলার আভাস

ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ

১ দিন আগে
Advertisement