
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ এক যুগের উপস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সৈন্য প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) দমনে ২০১৪ সালে দেশটিতে সেনা মোতায়েন শুরু হলেও, বর্তমানে পরিস্থিতির পরিবর্তন ও সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা আসায় এই পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন। ইতোমধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটি সিরীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করে প্রথম ধাপের সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই ঘাঁটিগুলো তৈরি করা হয়েছিল এক যুগ আগে আইএসের উত্থানের সময়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সময় সিরিয়ায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের মধ্যেই ২০১৪ সালে উত্থান ঘটে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর। উত্থানের অল্প সময়ের মধ্যেই সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তৃত ভূখণ্ড দখল করে নিজেদের আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে আইএস।
আইএস-কে দমনের জন্য সে সময় সিরিয়ায় সেনা মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ সালে আইএসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। তাদের সবাইকে শিগগিরই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে আনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, “আইএস বৈশ্চিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই গোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের যে কোনো হুমকির জবাব দিতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত। সিরিয়ায় যখন আইএসের উত্থার হয়েছিল, সে সময় এই গোষ্ঠীকে দমনে সিরীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশটিতে সেনা পাঠিয়েছিলাম।”
“এখন সময় পাল্টেছে। সিরিয়ায় একটি স্থিতিশীল সরকার এসেছে, আইএসের হুমকিও আর তেমন শক্তিশালী নয়। তাই আমরা সেখান থেকে সেনাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা সেনাদের একটি গ্রুপ ফিরিয়ে এনেছি, সংশ্লিষ্ট সেনা ঘাঁটিও সিরিয়ার সরকারকে হস্তান্তর করেছি।”

দীর্ঘ এক যুগের উপস্থিতির অবসান ঘটিয়ে সিরিয়া থেকে নিজেদের সব সৈন্য প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) দমনে ২০১৪ সালে দেশটিতে সেনা মোতায়েন শুরু হলেও, বর্তমানে পরিস্থিতির পরিবর্তন ও সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা আসায় এই পদক্ষেপ নিচ্ছে ওয়াশিংটন। ইতোমধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক ঘাঁটি সিরীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করে প্রথম ধাপের সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
সিরিয়ার কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। এই ঘাঁটিগুলো তৈরি করা হয়েছিল এক যুগ আগে আইএসের উত্থানের সময়।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সময় সিরিয়ায় শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধের মধ্যেই ২০১৪ সালে উত্থান ঘটে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর। উত্থানের অল্প সময়ের মধ্যেই সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তৃত ভূখণ্ড দখল করে নিজেদের আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে আইএস।
আইএস-কে দমনের জন্য সে সময় সিরিয়ায় সেনা মোতায়েন করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৪ সালে আইএসের উত্থানের পর সিরিয়ায় ২ হাজার সেনা পাঠিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ১ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছেন। তাদের সবাইকে শিগগিরই ধাপে ধাপে প্রত্যাহার করে আনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছেন, “আইএস বৈশ্চিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। এই গোষ্ঠীকে নির্মূল করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে আইএসের যে কোনো হুমকির জবাব দিতে মার্কিন বাহিনী প্রস্তুত। সিরিয়ায় যখন আইএসের উত্থার হয়েছিল, সে সময় এই গোষ্ঠীকে দমনে সিরীয় সরকারকে সহযোগিতা করতে দেশটিতে সেনা পাঠিয়েছিলাম।”
“এখন সময় পাল্টেছে। সিরিয়ায় একটি স্থিতিশীল সরকার এসেছে, আইএসের হুমকিও আর তেমন শক্তিশালী নয়। তাই আমরা সেখান থেকে সেনাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা সেনাদের একটি গ্রুপ ফিরিয়ে এনেছি, সংশ্লিষ্ট সেনা ঘাঁটিও সিরিয়ার সরকারকে হস্তান্তর করেছি।”

বিবিসি জানাচ্ছে, শুক্রবার রাতে দুই দেশের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর কানাডার বেশ কিছু পণ্যের ওপর নতুন করে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, কানাডা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন কৃষকদের পণ্যের ওপর বড় অঙ্কের শুল্ক আরোপ করে আসছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন বীরেশ্বর। নিজের গাড়িতে করে কলকাতা থেকে পালিয়ে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে গিয়ে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। ঝাড়খণ্ডে বীরেশ্বরের কয়েকজন কর্মচারীর বাড়ি রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই গিয়ে তিনি তাদের সহায়তা নিয়েছিলেন।
১ দিন আগে
তবে অ্যাসোসিয়েটেড নিউজপেপার্সের মোট আইনি খরচ কতটা বাদীদের দিতে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচিত খরচের বিষয়ে আদালত আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত দেবেন। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা না হলে আলাদা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেই খরচ নির্ধারণ করা হবে।
২ দিন আগে
জাতিসংঘের পাওনা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেবে। এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকেও অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
২ দিন আগে