
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের ৪০০ কোটি ডলারের বেশি (প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা) বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সংস্থাটিকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার সমান।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কংগ্রেশনাল নোটিফিকেশন অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসে পাঠানো এক চিঠিতে এই অর্থ বরাদ্দের কথা জানায়। তবে শুক্রবার পর্যন্ত জাতিসংঘে কোনো অর্থ হস্তান্তর করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার শর্তেই অর্থ পরিশোধ করা হবে।
জাতিসংঘের গভীর আর্থিক সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও জাতিসংঘবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রস্তাবিত ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংস্থাটির মোট বকেয়ার তুলনায় খুবই সামান্য।
গত মে মাসে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের মোট বকেয়া ৪০০ কোটি ডলারের বেশি। এর মধ্যে নিয়মিত বাজেটের জন্য ২০৪ কোটি ডলার, বর্তমান ও অতীতের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য ২২০ কোটি ডলার এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের জন্য ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাওনা রয়েছে। ওয়াশিংটন অবশ্য এই মোট হিসাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে কিছু অর্থ পরিশোধ করেছে।
জাতিসংঘের আর্থিক সংকট এতটাই গভীর হয়েছে যে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছর সংস্থাটিকে ‘আসন্ন আর্থিক ধসে’র মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন। বকেয়া চাঁদা আদায় না হওয়ায় সংস্থাটিকে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁট করতে হয়েছে।
জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ইউজিন চেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত অর্থ কিছু সময়ের জন্য জাতিসংঘের কর্মীদের বেতন দিতে সহায়তা করবে, তবে পুরো অর্থের প্রয়োজন মেটাতে পারবে না। তার ভাষায়, এটি ‘জাহাজটিকে আরও কিছুটা সময় ভাসিয়ে রাখবে’। যুক্তরাষ্ট্র আরও অর্থ না দিলে আগামী জানুয়ারিতে সংস্থাটিতে ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে।
জাতিসংঘ সনদের ১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বকেয়া চাঁদা তার আগের দুই বছরের নির্ধারিত অবদানের চেয়ে বেশি হলে সাধারণ পরিষদে দেশটির ভোটাধিকার স্থগিত হতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে ছাড় দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জার্মান থিংকট্যাংক আইডিওএসের জাতিসংঘ অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ রনি পাৎস বলেন, এখন বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হলে জাতিসংঘকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যয় কমাতে হবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অর্থ না দিলে বছরের শেষ দুই-তিন মাসে কর্মীদের বেতন দেওয়া এবং জাতিসংঘের কার্যক্রম চালু রাখাই কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের বাজেটের সবচেয়ে বড় অবদানকারী দেশ। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাধ্যতামূলক নিয়মিত ও শান্তিরক্ষা বাজেটে অর্থ দেওয়া বন্ধ রেখেছে এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় স্বেচ্ছা অনুদানও ব্যাপকভাবে কমিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক ডজন সংগঠন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে।
মার্কিন প্রশাসন জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, গত ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে ‘ঐতিহাসিক সংস্কার’ এনেছে, যার মধ্যে সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম প্রকৃত বাজেট কাটছাঁটও রয়েছে। তাদের দাবি, এর ফলে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ব্যয় কমেছে।
এপ্রিল মাসে উন্নয়নবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডেভেক্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র অর্থ ছাড়ের জন্য আরও ব্যয় কমানো এবং জাতিসংঘে চীনের প্রভাব মোকাবিলার মতো শর্ত দিয়েছিল।
জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে চলতি বছরের বাজেটের প্রায় ৯০ শতাংশ চাঁদা আদায়ের লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি দেশ পুরো অর্থ পরিশোধ করেছে। এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর জাতিসংঘের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থদাতা দেশ চীনও নেই।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বরাদ্দটি জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেটের জন্য। ওয়াশিংটন আরও প্রায় ১৫ কোটি ৩৪ লাখ ডলার অর্থ আটকে রেখেছে, যাকে তারা ‘নীতিগত কারণে স্থগিত অর্থ’ হিসেবে উল্লেখ করে। এর মধ্যে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের জন্য নির্ধারিত ১ কোটি ৬ লাখ ডলারও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইসরায়েলবিরোধী পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে কাউন্সিলের কার্যক্রম থেকে সরে যায়। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার জন্য বরাদ্দ অর্থও এই আটকে রাখা অর্থের মধ্যে রয়েছে।
আর্থিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ বর্তমানে ‘ইউএন৮০’ নামে সংস্কার ও ব্যয় কমানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় ২০২৬ সালের বাজেট এরই মধ্যে ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমানো হয়েছে। পাশাপাশি জেনেভা ও নিউইয়র্কের মতো ব্যয়বহুল শহর থেকে দুই হাজারের বেশি চাকরি কম খরচের বিভিন্ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থ ছাড়ের পরিকল্পনা একদিকে জাতিসংঘের তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট কিছুটা কমাতে পারে, অন্যদিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংস্থাটির সম্পর্কের ভবিষ্যৎও নতুন করে আলোচনায় আনতে পারে। কারণ, বকেয়া অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নিলেও ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করেছে— জাতিসংঘের সংস্কার ও ব্যয় কমানোর সঙ্গে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি তারা যুক্ত করে দেখছে।

জাতিসংঘের ৪০০ কোটি ডলারের বেশি (প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকা) বকেয়া অর্থের একটি অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সংস্থাটিকে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে বলে মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করা হয়েছে। প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার সমান।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কংগ্রেশনাল নোটিফিকেশন অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসে পাঠানো এক চিঠিতে এই অর্থ বরাদ্দের কথা জানায়। তবে শুক্রবার পর্যন্ত জাতিসংঘে কোনো অর্থ হস্তান্তর করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাতিসংঘের সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার শর্তেই অর্থ পরিশোধ করা হবে।
জাতিসংঘের গভীর আর্থিক সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও জাতিসংঘবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। তবে প্রস্তাবিত ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংস্থাটির মোট বকেয়ার তুলনায় খুবই সামান্য।
গত মে মাসে জাতিসংঘ জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তাদের মোট বকেয়া ৪০০ কোটি ডলারের বেশি। এর মধ্যে নিয়মিত বাজেটের জন্য ২০৪ কোটি ডলার, বর্তমান ও অতীতের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য ২২০ কোটি ডলার এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের জন্য ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার পাওনা রয়েছে। ওয়াশিংটন অবশ্য এই মোট হিসাব নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং জানিয়েছে, তারা ইতোমধ্যে কিছু অর্থ পরিশোধ করেছে।
জাতিসংঘের আর্থিক সংকট এতটাই গভীর হয়েছে যে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছর সংস্থাটিকে ‘আসন্ন আর্থিক ধসে’র মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন। বকেয়া চাঁদা আদায় না হওয়ায় সংস্থাটিকে বড় ধরনের বাজেট কাটছাঁট করতে হয়েছে।
জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা ইউজিন চেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত অর্থ কিছু সময়ের জন্য জাতিসংঘের কর্মীদের বেতন দিতে সহায়তা করবে, তবে পুরো অর্থের প্রয়োজন মেটাতে পারবে না। তার ভাষায়, এটি ‘জাহাজটিকে আরও কিছুটা সময় ভাসিয়ে রাখবে’। যুক্তরাষ্ট্র আরও অর্থ না দিলে আগামী জানুয়ারিতে সংস্থাটিতে ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকিও রয়েছে।
জাতিসংঘ সনদের ১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বকেয়া চাঁদা তার আগের দুই বছরের নির্ধারিত অবদানের চেয়ে বেশি হলে সাধারণ পরিষদে দেশটির ভোটাধিকার স্থগিত হতে পারে। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে ছাড় দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
জার্মান থিংকট্যাংক আইডিওএসের জাতিসংঘ অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ রনি পাৎস বলেন, এখন বড় অঙ্কের অর্থ দেওয়া হলে জাতিসংঘকে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যয় কমাতে হবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র অর্থ না দিলে বছরের শেষ দুই-তিন মাসে কর্মীদের বেতন দেওয়া এবং জাতিসংঘের কার্যক্রম চালু রাখাই কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের বাজেটের সবচেয়ে বড় অবদানকারী দেশ। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাধ্যতামূলক নিয়মিত ও শান্তিরক্ষা বাজেটে অর্থ দেওয়া বন্ধ রেখেছে এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় স্বেচ্ছা অনুদানও ব্যাপকভাবে কমিয়েছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার কয়েক ডজন সংগঠন থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেছে।
মার্কিন প্রশাসন জাতিসংঘের কার্যকারিতা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনা করে আসছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেছেন, গত ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে ‘ঐতিহাসিক সংস্কার’ এনেছে, যার মধ্যে সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম প্রকৃত বাজেট কাটছাঁটও রয়েছে। তাদের দাবি, এর ফলে প্রায় ১০০ কোটি ডলার ব্যয় কমেছে।
এপ্রিল মাসে উন্নয়নবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডেভেক্স জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র অর্থ ছাড়ের জন্য আরও ব্যয় কমানো এবং জাতিসংঘে চীনের প্রভাব মোকাবিলার মতো শর্ত দিয়েছিল।
জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে চলতি বছরের বাজেটের প্রায় ৯০ শতাংশ চাঁদা আদায়ের লক্ষ্য ছিল। কিন্তু ১৮ আগস্ট পর্যন্ত ১২৯টি দেশ পুরো অর্থ পরিশোধ করেছে। এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর জাতিসংঘের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থদাতা দেশ চীনও নেই।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বরাদ্দটি জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেটের জন্য। ওয়াশিংটন আরও প্রায় ১৫ কোটি ৩৪ লাখ ডলার অর্থ আটকে রেখেছে, যাকে তারা ‘নীতিগত কারণে স্থগিত অর্থ’ হিসেবে উল্লেখ করে। এর মধ্যে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের জন্য নির্ধারিত ১ কোটি ৬ লাখ ডলারও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র গত বছর ইসরায়েলবিরোধী পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে কাউন্সিলের কার্যক্রম থেকে সরে যায়। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার জন্য বরাদ্দ অর্থও এই আটকে রাখা অর্থের মধ্যে রয়েছে।
আর্থিক সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ বর্তমানে ‘ইউএন৮০’ নামে সংস্কার ও ব্যয় কমানোর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এর আওতায় ২০২৬ সালের বাজেট এরই মধ্যে ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমানো হয়েছে। পাশাপাশি জেনেভা ও নিউইয়র্কের মতো ব্যয়বহুল শহর থেকে দুই হাজারের বেশি চাকরি কম খরচের বিভিন্ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।
আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ট্রাম্পের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থ ছাড়ের পরিকল্পনা একদিকে জাতিসংঘের তাৎক্ষণিক আর্থিক সংকট কিছুটা কমাতে পারে, অন্যদিকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সংস্থাটির সম্পর্কের ভবিষ্যৎও নতুন করে আলোচনায় আনতে পারে। কারণ, বকেয়া অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নিলেও ট্রাম্প প্রশাসন স্পষ্ট করেছে— জাতিসংঘের সংস্কার ও ব্যয় কমানোর সঙ্গে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি তারা যুক্ত করে দেখছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) তুরস্কের বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, নেতানিয়াহু ও ইসরায়েলি নাগরিক আফেক মস্কোভিচের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে তাদের সন্ধানের ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছে বিচার মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট নথি পররাষ্ট্র মন্
৫ ঘণ্টা আগে
অমিত শাহ বলেন, বাংলাদেশ থেকে ‘বাধ্য হয়ে’ ভারতে চলে আসা হিন্দু, শিখ ও জৈন শরণার্থীদের আগামী ছয় মাসের মধ্যে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এ জন্য নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (সিএএ) আওতায় করা আবেদনগুলো যাচাই ও চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পালনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আটটি জেলার কালেক্টরকে ক্ষমতা দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্
৫ ঘণ্টা আগে
মিয়াং টাউনশিপের সিভিল ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র নওয়ে উ বলেন, মঠের প্রাঙ্গণে একটি যুদ্ধবিমান থেকে বোমা ফেলা হলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ম্যান্ডালয় শহর থেকে প্রায় ৭৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত গ্রামটি সাগাইংয়ের প্রতিরোধ আন্দোলনের অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।
৫ ঘণ্টা আগে
আরাগচি লেখেন, ‘১৪ বছর আগে: ইতিহাসের সবচেয়ে পঙ্গু করে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা; ব্যর্থ। ৮ বছর আগে: সর্বোচ্চ চাপ; ব্যর্থ। ৫ মাস আগে: নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ; ব্যর্থ। আজ: ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান; এটিও ব্যর্থ হতে বাধ্য। আমরা এই সিনেমা আগেও দেখেছি। একই বুলশিট, শুধু হুমকিদাতারা ভিন্ন।’
৮ ঘণ্টা আগে