
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অসদুপায় ঠেকাতে আইন আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। বিদ্যমান আইনে সংশোধনী এনে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে আরও পদক্ষেপের আশ্বাসের এক দিন পর সরকার পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪-এ সংশোধনী এনে আইনটিকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো অনুমোদন পেতে পারে। এ ছাড়া প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের বিধান যুক্ত করা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর জন্য তিনি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতকে তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করে রায় ঘোষণা ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, সংশোধনীর মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা— উভয়ই বাড়ানো হতে পারে। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান রাখা হতে পারে।
বর্তমানে প্রশ্নফাঁস মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তিন থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ রুপি জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অপরাধের তথ্য গোপন করলে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১ কোটি রুপি জরিমানা করা যায়। আর সংঘবদ্ধ অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ কোটি রুপি জরিমানার বিধান রয়েছে।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংশোধনী বিলটি আগামী সোমবার লোকসভায় উত্থাপন করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, গত ১০ বছরে ভারতে ১৫০টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ পর্যন্ত একটি মামলাতেও কোনো দণ্ড হয়নি।
বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলার জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দেয়। এর পরই প্রধানমন্ত্রী মোদি এ বিষয়ে এক্সে পোস্ট করেন। একই দিনে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে এটি ছিল তার দ্বিতীয় বক্তব্য।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। সে কারণেই গত আড়াই মাসে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল, যাতে শিক্ষার্থীদের একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো আয়োজন করা খুবই জরুরি ছিল।” তিনি আরও জানান, অন্তত ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।
ভিডিও বার্তায় হিন্দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। আজ তারা কঠোর পরিশ্রম করে গভীর রাতে আমাকে অনুমোদন দিয়েছে। আগামীকাল বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরামর্শের পর এটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। এরপর সোমবার থেকে সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে আমরা যত দ্রুত সম্ভব বিলটি পাস করানোর চেষ্টা করব।”
মোদির ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পালটা প্রতিক্রিয়া জানান রাহুল গান্ধী। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
রাহুল লেখেন, ‘তরুণদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন আপনিই। আপনি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি দখল ও ধ্বংস হতে দিয়েছেন, বরং এর জন্য দায়ীদের রক্ষা করেছেন।’
তিনি শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। দাবিগুলো হলো— ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে হবে, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অসদুপায় ঠেকাতে আইন আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। বিদ্যমান আইনে সংশোধনী এনে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির দেওয়া ভিডিও বার্তায় এ বিষয়ে আরও পদক্ষেপের আশ্বাসের এক দিন পর সরকার পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) অ্যাক্ট, ২০২৪-এ সংশোধনী এনে আইনটিকে আরও কার্যকর করার পরিকল্পনা করছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, শুক্রবার বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো অনুমোদন পেতে পারে। এ ছাড়া প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে আইনে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের বিধান যুক্ত করা হতে পারে।
বৃহস্পতিবার সকালে নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর জন্য তিনি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতকে তিন মাসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করে রায় ঘোষণা ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, সংশোধনীর মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা— উভয়ই বাড়ানো হতে পারে। প্রস্তাবিত সংশোধনী অনুযায়ী, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান রাখা হতে পারে।
বর্তমানে প্রশ্নফাঁস মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে তিন থেকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ রুপি জরিমানার বিধান রয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, সম্ভাব্য অপরাধের তথ্য গোপন করলে সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১ কোটি রুপি জরিমানা করা যায়। আর সংঘবদ্ধ অপরাধের ক্ষেত্রে পাঁচ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ কোটি রুপি জরিমানার বিধান রয়েছে।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর সংশোধনী বিলটি আগামী সোমবার লোকসভায় উত্থাপন করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে বুধবার লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, গত ১০ বছরে ভারতে ১৫০টি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ পর্যন্ত একটি মামলাতেও কোনো দণ্ড হয়নি।
বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শুক্রবার আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট প্রশ্নফাঁস-সংক্রান্ত মামলার জন্য একটি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দেয়। এর পরই প্রধানমন্ত্রী মোদি এ বিষয়ে এক্সে পোস্ট করেন। একই দিনে প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে এটি ছিল তার দ্বিতীয় বক্তব্য।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “বন্ধুরা, আমি জানি প্রশ্নফাঁস কোনো সাধারণ বিষয় নয়। এটি লাখো শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। সে কারণেই গত আড়াই মাসে অনেক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “অপরাধীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা কারাগারে রয়েছে। আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল, যাতে শিক্ষার্থীদের একটি বছরও নষ্ট না হয়। তাই দ্রুত পরীক্ষাগুলো আয়োজন করা খুবই জরুরি ছিল।” তিনি আরও জানান, অন্তত ২২ লাখ শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।
ভিডিও বার্তায় হিন্দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছিলাম। আজ তারা কঠোর পরিশ্রম করে গভীর রাতে আমাকে অনুমোদন দিয়েছে। আগামীকাল বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনা হবে। মন্ত্রিসভার সদস্যদের পরামর্শের পর এটিকে চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। এরপর সোমবার থেকে সংসদের দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হলে আমরা যত দ্রুত সম্ভব বিলটি পাস করানোর চেষ্টা করব।”
মোদির ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই পালটা প্রতিক্রিয়া জানান রাহুল গান্ধী। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
রাহুল লেখেন, ‘তরুণদের ভবিষ্যৎ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন আপনিই। আপনি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি দখল ও ধ্বংস হতে দিয়েছেন, বরং এর জন্য দায়ীদের রক্ষা করেছেন।’
তিনি শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। দাবিগুলো হলো— ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত করতে হবে, শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

চলতি বছরের শুরুতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল যে, জরুরি ক্ষমতার আওতায় ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে যে শুল্ক আরোপ করেছিল, তার আইনি বৈধতা ছিল না।
৮ ঘণ্টা আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে ৫৯ বছর বয়সী ওয়াংচুক জানান, বিভিন্ন শর্ত নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর এবং দেশে সম্ভাব্য সহিংসতা এড়ানোর স্বার্থে তিনি অনশন ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এই রদবদল ঘটালেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কিন্তু থামেনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে যন্তর মন্তরে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে এ পরিস্থিতির মাঝেই রাতে অনশন ভেঙে মেদা
১০ ঘণ্টা আগে
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তরুণ বয়সে ওড়িশায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন— এমন একটি পুরোনো ছবি সম্পর্কে অভিজিৎকে প্রশ্ন করেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। জবাবে তিনি দীপকে বলেন, ‘তাহলে আমার মনে হয় তারও আমাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়া উচিত। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। এমনকি তার পদত্যাগ
১৭ ঘণ্টা আগে