
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারত জুড়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষামন্ত্রীর তরুণ বয়সের একটি ছবি, যেখানে তাকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে।
এ ছবি প্রসঙ্গে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীরও তাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে হাজির হয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে তারাই মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র তৈরি করে রাখবেন, মন্ত্রীকে কেবল সই দিতে হবে তাতে।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তরুণ বয়সে ওড়িশায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন— এমন একটি পুরোনো ছবি সম্পর্কে অভিজিৎকে প্রশ্ন করেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। জবাবে তিনি দীপকে বলেন, ‘তাহলে আমার মনে হয় তারও আমাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়া উচিত। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। এমনকি তার পদত্যাগপত্রও আমরা তৈরি করে রাখব। তাকে শুধু সেখানে সই করতে হবে।
সাক্ষাৎকারে সিজেপির প্রধান আবারও জানান, শিক্ষামন্ত্রী দায় স্বীকার করে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ শেষ হবে না। একই সঙ্গে তিনি এ-ও স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেন, সরকার তাদের আলোচনায় ডাকলেও মন্ত্রীদের বাসভবনে গিয়ে তারা কোনো আলোচনায় বসবেন না। আলোচনা করতে হলে সরকারকেই যন্তর মন্তরে আসতে হবে অথবা ‘নিরপেক্ষ’ কোনো ভেন্যুতে আলোচনা হতে পারে।
অভিজিৎ বলেন, আমরা আর সেটা (মন্ত্রীদের বাসভবনে গিয়ে আলোচনা) করতে চাই না। কারণ তারা শুধু আমাদের সময় নষ্ট করছিল। তাই সরকার যদি আলোচনা করতে চায়, তাহলে তা কোনো মন্ত্রীর বাসভবনে হবে না। আলোচনা হবে হয় যন্তর মন্তরে, নয়তো কোনো নিরপেক্ষ স্থানে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিজিৎ জানিয়েছিলেন, তার জ্বর এসেছে এবং বিশ্রামের প্রয়োজন। তবে সন্ধ্যার মধ্যে তিনি আবারও বিক্ষোভস্থলে ফিরবেন বলে জানান। পরে সন্ধ্যায় তিনি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগও দেন। সেখানেই সমর্থকদের ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিট প্রশ্নফাঁস মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এক্সে (সাবেক) এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ বলেন, ওটা ছিল খুবই অস্পষ্ট একটি পোস্ট। প্রকৃত দায়ী ব্যক্তি ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা সেখানে ছিল না। আমাদের দাবি খুবই সহজ ও পরিষ্কার— শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আর ধর্মেন্দ্র প্রধানকে রক্ষা করতে গিয়ে যন্তর মন্তরে আর কোনো রক্ত ঝরানো উচিত নয়। এরই মধ্যেই ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর (আত্মহত্যা) জন্য তিনি দায়ী।
দিল্লি পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে অভিজিৎ বলেন, মুম্বাই, নাসিক, মিজোরাম, জয়পুর, মধ্যপ্রদেশ, বেঙ্গালুরু— পুরো ভারত জুড়েই বিক্ষোভ চলছে। লাখ লাখ মানুষ যদি একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন, তাহলে নরেন্দ্র মোদির জন্য একজন শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা এত বড় সমস্যা কেন, আমি বুঝতে পারছি না। একজন শিক্ষামন্ত্রী কখনোই লাখ লাখ শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন না।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা আরও বলেন, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য হলো জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর যিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন, তিনি যেন বুঝতে পারেন— যদি দায়িত্বে গাফিলতি হয়, প্রশ্নফাঁস ঘটে বা একজন শিক্ষার্থীও আত্মহত্যা করেন, তাহলে সেই চেয়ার নিরাপদ থাকবে না।
এনডিটিভি লিখেছে, যন্তর মন্তরে হাজার হাজার মানুষ আসতে থাকায় আন্দোলন থামার কোনো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে না। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই তরুণ। তারা শুধু নিটের প্রশ্নফাঁস নয়, বেকারত্ব ও সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। একই সঙ্গে সরকারি নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে বিস্তৃত সংস্কারেরও দাবি জানাচ্ছেন তারা।
বিভিন্ন সরকারি ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং এ-সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে মে মাসের মাঝামাঝি অনলাইনে এ আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে ৬ জুন সিজেপির নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ২৮ জুন লাদাখের কর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশনে যোগ দিলে আন্দোলনটি দেশ জুড়ে আরও আলোচনায় আসে।
গত সোমবার (২০ জুলাই) ‘সংসদে চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হন। দিল্লি পুলিশের তথ্য, প্রথম দিনের সংঘর্ষে ১১৮ জন পুলিশ সদস্য ও ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হন।
পরে বুধবার নতুন করে সংঘর্ষের পর পুলিশ জানায়, আহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা প্রায় ২০০, যার মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন। অন্যদিকে সিজেপির দাবি, পুলিশের অ্যাকশনে আহত হয়ে দেড় শতাধিক আন্দোলনকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ভারত জুড়ে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিটের (NEET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষামন্ত্রীর তরুণ বয়সের একটি ছবি, যেখানে তাকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে।
এ ছবি প্রসঙ্গে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীরও তাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে হাজির হয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে তারাই মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র তৈরি করে রাখবেন, মন্ত্রীকে কেবল সই দিতে হবে তাতে।
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তরুণ বয়সে ওড়িশায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন— এমন একটি পুরোনো ছবি সম্পর্কে অভিজিৎকে প্রশ্ন করেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। জবাবে তিনি দীপকে বলেন, ‘তাহলে আমার মনে হয় তারও আমাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়া উচিত। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। এমনকি তার পদত্যাগপত্রও আমরা তৈরি করে রাখব। তাকে শুধু সেখানে সই করতে হবে।
সাক্ষাৎকারে সিজেপির প্রধান আবারও জানান, শিক্ষামন্ত্রী দায় স্বীকার করে পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের বিক্ষোভ শেষ হবে না। একই সঙ্গে তিনি এ-ও স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেন, সরকার তাদের আলোচনায় ডাকলেও মন্ত্রীদের বাসভবনে গিয়ে তারা কোনো আলোচনায় বসবেন না। আলোচনা করতে হলে সরকারকেই যন্তর মন্তরে আসতে হবে অথবা ‘নিরপেক্ষ’ কোনো ভেন্যুতে আলোচনা হতে পারে।
অভিজিৎ বলেন, আমরা আর সেটা (মন্ত্রীদের বাসভবনে গিয়ে আলোচনা) করতে চাই না। কারণ তারা শুধু আমাদের সময় নষ্ট করছিল। তাই সরকার যদি আলোচনা করতে চায়, তাহলে তা কোনো মন্ত্রীর বাসভবনে হবে না। আলোচনা হবে হয় যন্তর মন্তরে, নয়তো কোনো নিরপেক্ষ স্থানে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে অভিজিৎ জানিয়েছিলেন, তার জ্বর এসেছে এবং বিশ্রামের প্রয়োজন। তবে সন্ধ্যার মধ্যে তিনি আবারও বিক্ষোভস্থলে ফিরবেন বলে জানান। পরে সন্ধ্যায় তিনি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে যোগও দেন। সেখানেই সমর্থকদের ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এনডিটিভিকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
এদিকে তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিট প্রশ্নফাঁস মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এক্সে (সাবেক) এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

এ প্রসঙ্গে অভিজিৎ বলেন, ওটা ছিল খুবই অস্পষ্ট একটি পোস্ট। প্রকৃত দায়ী ব্যক্তি ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা সেখানে ছিল না। আমাদের দাবি খুবই সহজ ও পরিষ্কার— শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আর ধর্মেন্দ্র প্রধানকে রক্ষা করতে গিয়ে যন্তর মন্তরে আর কোনো রক্ত ঝরানো উচিত নয়। এরই মধ্যেই ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর (আত্মহত্যা) জন্য তিনি দায়ী।
দিল্লি পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন স্থানে তাদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে অভিজিৎ বলেন, মুম্বাই, নাসিক, মিজোরাম, জয়পুর, মধ্যপ্রদেশ, বেঙ্গালুরু— পুরো ভারত জুড়েই বিক্ষোভ চলছে। লাখ লাখ মানুষ যদি একজন মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন, তাহলে নরেন্দ্র মোদির জন্য একজন শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করা এত বড় সমস্যা কেন, আমি বুঝতে পারছি না। একজন শিক্ষামন্ত্রী কখনোই লাখ লাখ শিক্ষার্থীর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারেন না।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা আরও বলেন, এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য হলো জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পর যিনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেবেন, তিনি যেন বুঝতে পারেন— যদি দায়িত্বে গাফিলতি হয়, প্রশ্নফাঁস ঘটে বা একজন শিক্ষার্থীও আত্মহত্যা করেন, তাহলে সেই চেয়ার নিরাপদ থাকবে না।
এনডিটিভি লিখেছে, যন্তর মন্তরে হাজার হাজার মানুষ আসতে থাকায় আন্দোলন থামার কোনো লক্ষ্মণ দেখা যাচ্ছে না। বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই তরুণ। তারা শুধু নিটের প্রশ্নফাঁস নয়, বেকারত্ব ও সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কথিত অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। একই সঙ্গে সরকারি নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষার পদ্ধতিতে বিস্তৃত সংস্কারেরও দাবি জানাচ্ছেন তারা।
বিভিন্ন সরকারি ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং এ-সংক্রান্ত অনিয়মের প্রতিবাদে মে মাসের মাঝামাঝি অনলাইনে এ আন্দোলনের সূচনা হয়। পরে ৬ জুন সিজেপির নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। ২৮ জুন লাদাখের কর্মী সোনম ওয়াংচুক অনির্দিষ্টকালের অনশনে যোগ দিলে আন্দোলনটি দেশ জুড়ে আরও আলোচনায় আসে।
গত সোমবার (২০ জুলাই) ‘সংসদে চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। লাঠিচার্জ ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপের ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হন। দিল্লি পুলিশের তথ্য, প্রথম দিনের সংঘর্ষে ১১৮ জন পুলিশ সদস্য ও ৬০ জন বিক্ষোভকারী আহত হন।
পরে বুধবার নতুন করে সংঘর্ষের পর পুলিশ জানায়, আহত পুলিশ সদস্যের সংখ্যা প্রায় ২০০, যার মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও রয়েছেন। অন্যদিকে সিজেপির দাবি, পুলিশের অ্যাকশনে আহত হয়ে দেড় শতাধিক আন্দোলনকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ট্রাম্প মিডিয়া অ্যান্ড টেকনোলজি গ্রুপের পরিচালিত এ সেবায় মাসে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলারের বিনিময়ে ট্রুথ সোশ্যালে থাকা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের পোস্ট অন্যদের আগে দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে ট্রাম্পের নিজের অ্যাকাউন্টও রয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার রয়টার্সের খবরে বলা হয়, মেটা জানিয়েছে, গত ডিসেম্বরে নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের পর থেকে জুন পর্যন্ত ১৬ বছরের কম বয়সী বলে সন্দেহ করা এসব অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এর মধ্যে জানুয়ারিতে মাসেই ইনস্টাগ্রামের ৩ লাখ ৩১ হাজার এবং ফেসবুকের ১ লাখ ৭৩ হাজার অ্যাকাউন্ট সরানো হয়েছিল।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যুদণ্ডবিষয়ক তথ্যকেন্দ্র ডেথ পেনাল্টি ইনফরমেশন সেন্টারের (ডিপিআইসি) হিসাবে, ২০১০ সালের পর দেশটিতে এক দিনে এত বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা আর ঘটেনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে নিজেদের সেল প্রতিষ্ঠার জন্য একিউআইএস দেশটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে বলেও প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর দিল্লির লাল কেল্লার সামনে বোমা বিস্ফোরণের পেছনেও একিউআইএসের সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে