
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধবিরতির প্রতি তাদের উদাসীনতার প্রতিবাদে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্পেন।
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী কার্লোস কুয়েরপো। এটি ইসরায়েলের ওপর কোনো দেশের দেওয়া প্রথম পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা।
তিনি জানান, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধবিরতির প্রতি উদাসীনতার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কুয়েরপো বলেন, স্পেন মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ; তাই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে স্পেনের অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় ও জ্বালানি পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
স্পেনের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এর আগে স্লোভেনিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তবে এবারই প্রথম কোনো দেশের ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগেই এমন উদ্যোগের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর বিরোধী দল পিপলস পার্টিও এতে আপত্তি তোলেনি।
তবে দলের নেতা এস্তার মুনোজ সতর্ক করে বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে স্পেনের সামরিক ও নিরাপত্তা খাতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। তিনি স্থানীয় দৈনিক এল স্পাইসকে জানান, সরকারের উদ্দেশ্য বোঝা গেলেও স্পেনের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী এখনও ইসরায়েল থেকে অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি করে।
তার ভাষায়, “সরকারকে অনুরোধ করবো যেন কোনো বিষয়কে হালকাভাবে না নেয়। আমরা বর্তমানে বেশ জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।”
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচকদের মধ্যে স্পেন অন্যতম। চলতি বছরের মে মাসে দেশটি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
স্পেন সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী পিলার অ্যালিগ্রিয়া নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সম্মেলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, গত মে মাসে স্পেন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে; পরে ফ্রান্স, পর্তুগাল, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াও একই পথে হেঁটেছে। স্পেন মধ্যপ্রাচ্যে আল আকসা অঞ্চলে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নীতির দৃঢ় সমর্থক। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধবিরতির প্রতি তাদের উদাসীনতার প্রতিবাদে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্পেন।
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী কার্লোস কুয়েরপো। এটি ইসরায়েলের ওপর কোনো দেশের দেওয়া প্রথম পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা।
তিনি জানান, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত সামরিক অভিযান এবং যুদ্ধবিরতির প্রতি উদাসীনতার প্রতিবাদে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কুয়েরপো বলেন, স্পেন মানবাধিকার রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ; তাই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের সঙ্গে স্পেনের অস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় ও জ্বালানি পরিবহন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
স্পেনের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এর আগে স্লোভেনিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসসহ কয়েকটি দেশের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল। তবে এবারই প্রথম কোনো দেশের ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো।
প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগেই এমন উদ্যোগের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর বিরোধী দল পিপলস পার্টিও এতে আপত্তি তোলেনি।
তবে দলের নেতা এস্তার মুনোজ সতর্ক করে বলেন, এই পদক্ষেপের ফলে স্পেনের সামরিক ও নিরাপত্তা খাতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। তিনি স্থানীয় দৈনিক এল স্পাইসকে জানান, সরকারের উদ্দেশ্য বোঝা গেলেও স্পেনের সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনী এখনও ইসরায়েল থেকে অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম আমদানি করে।
তার ভাষায়, “সরকারকে অনুরোধ করবো যেন কোনো বিষয়কে হালকাভাবে না নেয়। আমরা বর্তমানে বেশ জটিল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।”
গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের তীব্র সমালোচকদের মধ্যে স্পেন অন্যতম। চলতি বছরের মে মাসে দেশটি ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
স্পেন সরকারের মুখপাত্র ও শিক্ষামন্ত্রী পিলার অ্যালিগ্রিয়া নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সম্মেলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, গত মে মাসে স্পেন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে; পরে ফ্রান্স, পর্তুগাল, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াও একই পথে হেঁটেছে। স্পেন মধ্যপ্রাচ্যে আল আকসা অঞ্চলে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান নীতির দৃঢ় সমর্থক। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দীর্ঘ এক সপ্তাহ ধরে ভোট গণনা ও প্রতিটি ব্যালট পুনঃপরীক্ষার পর অবশেষে পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে বামপন্থি প্রার্থী রবার্তো স্যানচেজকে সামান্য ব্যবধানে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন দক্ষিণপন্থি নেত্রী কেইকো ফুজিমোরি।
১৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নথিতে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী লেবানন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করবে এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ভেঙে ফেলে দেশের সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। এর ফলে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের পথ উন্মুক্ত হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ এটিকে ভেনেজুয়েলার ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ’ বলে অভিহিত করেছেন। বার্তাসংস্থা এএফপির জানিয়েছে, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের সঙ্গে লেবাননের সদ্য সই হওয়া ১৪ দফার কাঠামোগত চুক্তি (ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট) দেশটিতে চলমান সংঘাত প্রশমনের আশা তৈরি করলেও, এর একটি ধারা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা।
১ দিন আগে