
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের সামরিক সংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্র ও একটি অস্ত্র উৎপাদন স্থাপনায় এ হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি পুলিশের একটি সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস-এর স্থাপনা ছিল এই হামলার লক্ষ্যবস্তু। ইরানের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, অধিকৃত ইসরায়েলি ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি অস্ত্র নির্মাণ কমপ্লেক্সে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্রটি ইসরায়েলি বাহিনীকে গাইডেড অস্ত্র ব্যবস্থার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহ করে থাকে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় ভূমিকা রাখছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও দাবি করা হয়, রাফায়েল অস্ত্র উৎপাদন ভবনটি ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, যেমন আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে জড়িত। এছাড়া বিভিন্ন ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সরবরাহেও প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা রয়েছে।
তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হামলার বাস্তবতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় তেহরান। এর প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক এই হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলের সামরিক সংশ্লিষ্ট স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্র ও একটি অস্ত্র উৎপাদন স্থাপনায় এ হামলা চালানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি পুলিশের একটি সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রাফায়েল অ্যাডভান্সড ডিফেন্স সিস্টেমস-এর স্থাপনা ছিল এই হামলার লক্ষ্যবস্তু। ইরানের সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, অধিকৃত ইসরায়েলি ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি অস্ত্র নির্মাণ কমপ্লেক্সে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সাইবার প্রযুক্তি কেন্দ্রটি ইসরায়েলি বাহিনীকে গাইডেড অস্ত্র ব্যবস্থার সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার সরবরাহ করে থাকে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সামরিক কার্যক্রম পরিচালনায় ভূমিকা রাখছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আরও দাবি করা হয়, রাফায়েল অস্ত্র উৎপাদন ভবনটি ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, যেমন আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরিতে জড়িত। এছাড়া বিভিন্ন ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়ন ও সরবরাহেও প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা রয়েছে।
তবে এ হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা হামলার বাস্তবতা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনি এবং কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয় তেহরান। এর প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক এই হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত ২৯ জুন কয়েকজন ব্যক্তি ৬০ বছর বয়সী মালাউই নাগরিক ইব্রাহিম হুসেইনের বাড়িতে ঢুকে তাকে মারধর করে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয়। তিনি ২০০০ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটনের ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতেই ইরানে হামলা চালাচ্ছিল। অন্যদিকে ইরান বলছে, বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখাই তাদের লক্ষ্য।
১৬ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোতে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীরা হামলা চালিয়ে দুটি মসজিদে আগুন দিয়েছেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত মসজিদসহ গ্রামের ভবনগুলোর দেয়ালে হিব্রু ভাষায় বিভিন্ন স্লোগানও লিখেছেন তারা। রোববার ভোরে এসব হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা।
১৮ ঘণ্টা আগে
হামলায় বিরতির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ট্রাম্প সব সময়ই স্পষ্ট করে বলেছেন, কূটনৈতিক সমাধানই তার প্রথম পছন্দ। তবে ইরান যদি আন্তরিকভাবে আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে কী ঘটতে পারে, সেটিও তিনি তাদের দেখিয়ে দিয়েছেন।
১৯ ঘণ্টা আগে