
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

তুরস্কে ট্যাপের পানি বোতলে ভরে একে পবিত্র মক্কার পবিত্র জমজম কূপের পানি বলে বিক্রি করছিলেন এক ব্যক্তি। আর এভাবেই তিনি ৯ কোটি তুর্কি লিরা (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ কোটি টাকা) আয় করেছেন।
প্রতারকের নাম বিলাল। স্থানীয় সময় রোববার (১২ জানুয়ারি) বিলালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ব্যবসাকেন্দ্র থেকে ১৫ হাজার লিটার ট্যাপের পানিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই পানি তিনি ‘জমজমের পানি’ হিসেবে বিক্রির জন্য মজুত করেছিলেন। জানিয়েছে গাল্ফ নিউজ।
রোববার প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, প্রতিদিন ২০ হাজার লিটার ট্যাপের পানিকে বোতলে ভরে ‘জমজমের পানি’ নামে বিক্রি করতেন তিনি, যা থেকে প্রতিদিন ৬ লাখ লিরা (২২,০০০ ডলার) আয় করত।
২০ টন করে ‘জমজমের পানি’ বিক্রি করতেন এবং দৈনিক তার আয় হতো ৬০ হাজার লিরা, বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৩১৪ টাকা। গত ৫ মাস ধরে প্রতিদিনই এই আয় হতো তার।
পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবাবে বিলাল জানিয়েছেন, দক্ষিণ তুরস্কের আদানায় অবস্থিত তার গুদামে ট্যাপ থেকে পানি জার ও বোতলে ভরা হতো এবং জমজম কূপের পানির লেবেল লাগানো হতো। দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো নকল। ইস্তাম্বুল, আঙ্কারাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হতো তার এই পানি।
তার তথ্য মতে, পুলিশ গুদামে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার লিটার সাধারণ ট্যাপের পানি উদ্ধার করে। এবং নকল লেবেল উদ্ধার করে। লেবেলগুলোতে আরবি ভাষায় লেখা ছিল, পণ্যটি সৌদি আরব থেকে আসা জমজমের পানি। পরে পুলিশ সেই গুদামকে সিলগালা করে দেয়।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে জমজমের পানি অতি পবিত্র। হাজিরা হজ শেষে জমজমের পানি সঙ্গে নিয়ে আসতে ভোলেন না। অন্যান্য ইসলামপ্রধান দেশের মতো তুরস্কেও জমজমের পানির চাহিদা বেশি। বিশেষ করে রমজানে ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেখানে দেশের বিভিন্ন বাজার এবং দোকানে জমজমের পানির বোতল ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

তুরস্কে ট্যাপের পানি বোতলে ভরে একে পবিত্র মক্কার পবিত্র জমজম কূপের পানি বলে বিক্রি করছিলেন এক ব্যক্তি। আর এভাবেই তিনি ৯ কোটি তুর্কি লিরা (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০ কোটি টাকা) আয় করেছেন।
প্রতারকের নাম বিলাল। স্থানীয় সময় রোববার (১২ জানুয়ারি) বিলালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার ব্যবসাকেন্দ্র থেকে ১৫ হাজার লিটার ট্যাপের পানিও উদ্ধার করা হয়েছে। এই পানি তিনি ‘জমজমের পানি’ হিসেবে বিক্রির জন্য মজুত করেছিলেন। জানিয়েছে গাল্ফ নিউজ।
রোববার প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, প্রতিদিন ২০ হাজার লিটার ট্যাপের পানিকে বোতলে ভরে ‘জমজমের পানি’ নামে বিক্রি করতেন তিনি, যা থেকে প্রতিদিন ৬ লাখ লিরা (২২,০০০ ডলার) আয় করত।
২০ টন করে ‘জমজমের পানি’ বিক্রি করতেন এবং দৈনিক তার আয় হতো ৬০ হাজার লিরা, বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ লাখ ৭৭ হাজার ৩১৪ টাকা। গত ৫ মাস ধরে প্রতিদিনই এই আয় হতো তার।
পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবাবে বিলাল জানিয়েছেন, দক্ষিণ তুরস্কের আদানায় অবস্থিত তার গুদামে ট্যাপ থেকে পানি জার ও বোতলে ভরা হতো এবং জমজম কূপের পানির লেবেল লাগানো হতো। দেখে বোঝার উপায় নেই এগুলো নকল। ইস্তাম্বুল, আঙ্কারাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হতো তার এই পানি।
তার তথ্য মতে, পুলিশ গুদামে অভিযান চালিয়ে ১৫ হাজার লিটার সাধারণ ট্যাপের পানি উদ্ধার করে। এবং নকল লেবেল উদ্ধার করে। লেবেলগুলোতে আরবি ভাষায় লেখা ছিল, পণ্যটি সৌদি আরব থেকে আসা জমজমের পানি। পরে পুলিশ সেই গুদামকে সিলগালা করে দেয়।
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে জমজমের পানি অতি পবিত্র। হাজিরা হজ শেষে জমজমের পানি সঙ্গে নিয়ে আসতে ভোলেন না। অন্যান্য ইসলামপ্রধান দেশের মতো তুরস্কেও জমজমের পানির চাহিদা বেশি। বিশেষ করে রমজানে ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যেখানে দেশের বিভিন্ন বাজার এবং দোকানে জমজমের পানির বোতল ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

ভেনেজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ জুন দেশটির লা গুয়াইরা অঞ্চলে ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে যথাক্রমে ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রথম বড় ঝাঁকুনির পর ওই অঞ্চলে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৯৫ট
১৩ ঘণ্টা আগে
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের ভেতরে লাখো ইরানি সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন ঘিরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার গতির বাতাস এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে ঝড়টি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ এই ঝড় ভয়াব
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
১ দিন আগে