কলকাতায় আগুনে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ৩৫
কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের পর সড়কে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী ও অন্যান্য কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে লাগা আগুনে ৮ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের পাঁচজন বাংলাদেশি এবং একজন ভারতের ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা।

বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের চারজন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, পরিচয় শনাক্ত হওয়া পাঁচ বাংলাদেশির মধ্যে চারজন কুষ্টিয়ার এবং একজন ঢাকার সাভারের বাসিন্দা। তারা হলেন— শর্ণশিষ দত্ত, আফসানা শিম্মিন, দেবাশিস দত্ত, মো. আকরাম আলী ও আহমেদ বাবু। এ ছাড়া ঝাড়খণ্ডের গিরিডি জেলার বাসিন্দা সন্দীপ পাসওয়ানের পরিচয়ও নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়া ছয়জনের বিস্তারিত তথ্য:

১. শর্ণশিষ দত্ত

জন্ম: ২০ ডিসেম্বর ২০২৩

পিতা: দেবাশিস দত্ত

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

২. আফসানা শিম্মিন

জন্ম: ৬ জানুয়ারি ১৯৯৯

পিতা: মো. আকরাম আলী

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

৩. দেবাশিস দত্ত

জন্ম: ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭

পিতা: দিলীপ কুমার দত্ত

ঠিকানা: আরুয়াপাড়া, ১৯/১, বাহাদুর আলী বিশ্বাস, কুষ্টিয়া মডেল, মোহিনী মিল, কুষ্টিয়া।

৪. মো. আকরাম আলী

জন্ম: ১৬ জুন ১৯৬২

পিতা: ইয়াসিন আলী

ঠিকানা: থানাপাড়া, ৪, মনহুম বদরুদ্দোজা রোড, কুষ্টিয়া মডেল, কুষ্টিয়া হেড পোস্ট অফিস, কুষ্টিয়া।

৫. আহমেদ বাবু

জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

পিতা: আদম আলী

ঠিকানা: বেগুনবাড়ি, সাভার, আমিনবাজার, ঢাকা–১৩৪৮।

৬. সন্দীপ পাসওয়ান

বয়স: ১৯ বছর

পিতা: প্রয়াত পাসওয়ান ভুবনেশ্বর

ঠিকানা: গ্রাম পিলমউ, পোস্ট খারিওডিহ, থানা হেরোডিহ, জেলা গিরিডি, ঝাড়খণ্ড–৮১৫৩১৪।

এখনও নিহত তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

কীভাবে আগুন লাগল

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে নিউ মার্কেটের কাছে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় হোটেল শিখা ইনে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন আশপাশের ভবনগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে।

আগুন লাগার সময় হোটেলের অতিথিরা ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘরগুলো ধোঁয়ায় ভরে গেলে আতঙ্কিত অতিথিরা বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু গলির মধ্যে অবস্থিত ভবনটির প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ ছিল খুবই সঙ্কীর্ণ। এতে সেখানে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

হোটেলটির কাছেই কলকাতা ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। নিউ মার্কেট থানার পুলিশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দলের সদস্যরাও উদ্ধারকাজে যোগ দেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাইরে থেকে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছিল না। শুধু গলগল করে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছিল।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ভবনটি থেকে প্রায় ৬০ জনকে উদ্ধার করেন। তাদের অনেকেই ধোঁয়ায় অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। পরে তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিহত ৯ জনের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, মৃতদের শরীরে পোড়া বা ঝলসে যাওয়ার চিহ্ন তেমন নেই। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আহতদের কলকাতা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ধোঁয়ায় আটকা পড়েন অতিথিরা

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পাঁচ তলা ওই ভবনের বিভিন্ন তলায় আরও কয়েকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। চিকিৎসার জন্য কলকাতায় যাওয়া বাংলাদেশিদের অনেকেই এসব হোটেলে থাকেন। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনটিতে মোট কতজন ছিলেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, হোটেলগুলো সরু গলির মধ্যে হওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি বেশি ভেতরে ঢুকতে পারেনি। ফলে প্রথমে বাইরে থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা হোটেলের ভেতরে ঢুকে উদ্ধারকাজ শুরু করেন।

হোটেলের এক অতিথি আনন্দবাজারকে বলেন, আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে সবাই হোটেল থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ধোঁয়ায় কোন পথে বের হতে হবে, তা বোঝা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কেউ কেউ টয়লেটে আশ্রয় নেন, আবার কেউ জানলা ভেঙে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, ‘দমকলকর্মীরা না এলে আমরাও হয়তো বাঁচতে পারতাম না।’

ভবনের চতুর্থ তলার আরেক হোটেলের অতিথি ইজাজ আহমেদ আনন্দবাজারকে বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে খাওয়া শেষে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সোয়া ২টার দিকে দুই নারীর আর্তনাদ শুনে তার ঘুম ভাঙে। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে ধোঁয়া ঢুকে পড়ে। ইজাজ বলেন, ‘ঘর থেকে বেরিয়ে যে বারান্দা, তা খুব সরু। ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল সেটা।’

ভবনের একেবারে ওপরের তলায় একটি পরিবারও বসবাস করত। তাদেরও উদ্ধার করা হয়েছে। ওই পরিবারের এক নারী বলেন, তাদের যখন নিচে নামানো হয়, তখন আগুন নিভে গিয়েছিল। তার অভিযোগ, হোটেলগুলোকে বারবার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের কথা বলা হলেও কেউ নিয়ম মানেনি। প্রশাসনকে অভিযোগ জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

আগুনের কারণ নিয়ে ভিন্ন তথ্য

অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দুই ধরনের তথ্য এসেছে।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রাথমিক ধারণা। অন্যদিকে এনডিটিভি জানিয়েছে, একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই হোটেল ও আশপাশের ভবনগুলোতে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও পুলিশের সন্দেহ রয়েছে। ইতোমধ্যে হোটেল ও আশপাশের এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কলকাতার বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক অভিযোগ করেছেন, হোটেলগুলো বিধি মেনে তৈরি হয়নি। হোটেলের ঘরের সংখ্যা বাড়াতে পিলার কেটে জায়গা বাড়ানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এতে ভবনটি দুর্বল হয়ে পড়েছিল বলে দাবি তার।

সন্তোষ পাঠক বলেন, ‘এগুলো মূলত আবাসিক ভবন ছিল। সেটাকে বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক করা হয়েছে।’

কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

এদিকে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করেছে প্রশাসন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন মন্ত্রী— পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায় এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্য পূর্ণিমা চক্রবর্তী।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি জানান, বেআইনি কার্যকলাপ ও সুরক্ষাবিধি অমান্যের বিষয়ে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না।

গণমাধ্যমের সামনে তাপস রায় বলেন, এ ধরনের মর্মান্তিক বা বিপজ্জনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনায় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট— ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে চলা হবে।

তিনি আরও বলেন, শহরের আনাচে-কানাচে শতাধিক ও হাজার হাজার বাড়ি এবং গেস্ট হাউস চলছে। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় পারমিশন, লাইসেন্স বা অগ্নিনির্বাপক ছাড়পত্র আছে কি না, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হবে। নিয়ম অমান্য করে বেআইনিভাবে চলা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জড়িতদের গ্রেফতার করে আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

কলকাতা পৌরসভা ও স্থানীয় প্রশাসনের গাফিলতি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাপস রায় বলেন, পৌরসভা বা মেয়রের কোনো ভুল বা গাফিলতি থাকলে সেটিও চাপা দেওয়ার সুযোগ নেই। যার বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত পৌর ও নগর উন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি দ্রুত ত্রাণ, উদ্ধারকাজ ও তদন্তপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন তারা।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলটিতে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের দীর্ঘ তৎপরতায় প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে ৯ জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

কলকাতার সেই ভবনে একাধিক হোটেল, ছিল না আগুন নেভানোর ব্যবস্থাও

কলকাতার নিউ মার্কেট সংলগ্ন মির্জা গালিব স্ট্রিটের (ফ্রি স্কুল স্ট্রিট) ওই বহুতলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় এখন সামনে আসছে একের পর এক

৫ ঘণ্টা আগে

গাজা সিটির ক্যাফেতে ইসরায়েলি হামলা: নিহত ৬, আহত ১৪

গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত প্রস্তাব নিয়ে এখনো আপোসহীন অবস্থানে রয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তাঁর স্পষ্ট দাবি, হামাস সম্পূর্ণ অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।

৭ ঘণ্টা আগে

কলকাতার হোটেলে আগুন, প্রাণ গেল ৯ বাংলাদেশির

নিহতদের শরীরে বড় ধরনের পোড়া বা ঝলসে যাওয়ার চিহ্ন তেমন পাওয়া যায়নি। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, বিষাক্ত ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়েই তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা যাবে। অগ্নিকাণ্ডে অসুস্থ আরও বেশ কয়েকজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কা

৮ ঘণ্টা আগে

পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায় ভারত: জয়সওয়াল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর ছাড়াও মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। ভারত থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি পেতে বাংলাদেশের অনুরোধ নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে জয়সওয়াল আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেন। বলেন, ভারতে জ্বালানির মজুত, শোধনাগারগু

১৭ ঘণ্টা আগে