
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চলমান আন্দোলনের জের ধরে ইরান সরকারের দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎস। তিনি বলেছেন, পতনের মুখে থাকা ইরান সরকারের শেষ দিন ও সপ্তাহগুলো তারা দেখতে পাচ্ছেন।
ডয়েচে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভারতে এক কূটনৈতিক সফরের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ফ্রিডরিখ মার্ৎস বলেন, যে শাসনব্যবস্থাকে কেবল সহিংসতার মাধ্যমেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে হয়, সেটি কার্যত শেষের পথে। আমার ধারণা, আমরা এখন এই শাসনের শেষ কিছু দিন ও শেষ কয়েক সপ্তাহ প্রত্যক্ষ করছি।
জার্মান চ্যান্সেলর আরও বলেন, এমনিতেই এই শাসনের পক্ষে জনগণের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার মতো কোনো বৈধতা নেই। এখন জনগণ এই শাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে।
ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অন্যান্য সরকারের সঙ্গে জার্মানি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান মার্ৎস। একই সঙ্গে তিনি তেহরানকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে চলমান প্রাণঘাতী দমন–পীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইরানে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিক্ষোভে দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরান সরকার নীরবে হত্যা ও দমন চালানোর জন্যই ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে।
তেহরানের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপক পড়ে যাওয়ায় তেহরানের দোকানিরা গত ২৮ ডিসেম্বর রাস্তায় নেমে এলে বিক্ষোভের সূচনা হয়। এরই মধ্যে এ বিক্ষোভ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা ইরান জুড়ে।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪৮ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

চলমান আন্দোলনের জের ধরে ইরান সরকারের দিন শেষ হয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎস। তিনি বলেছেন, পতনের মুখে থাকা ইরান সরকারের শেষ দিন ও সপ্তাহগুলো তারা দেখতে পাচ্ছেন।
ডয়েচে ভেলের খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভারতে এক কূটনৈতিক সফরের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
ফ্রিডরিখ মার্ৎস বলেন, যে শাসনব্যবস্থাকে কেবল সহিংসতার মাধ্যমেই ক্ষমতায় টিকে থাকতে হয়, সেটি কার্যত শেষের পথে। আমার ধারণা, আমরা এখন এই শাসনের শেষ কিছু দিন ও শেষ কয়েক সপ্তাহ প্রত্যক্ষ করছি।
জার্মান চ্যান্সেলর আরও বলেন, এমনিতেই এই শাসনের পক্ষে জনগণের মাধ্যমে নির্বাচিত হওয়ার মতো কোনো বৈধতা নেই। এখন জনগণ এই শাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে।
ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অন্যান্য সরকারের সঙ্গে জার্মানি ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান মার্ৎস। একই সঙ্গে তিনি তেহরানকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে চলমান প্রাণঘাতী দমন–পীড়ন বন্ধ করার আহ্বান জানান।
এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইরানে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশে ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।
স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বিক্ষোভে দমন-পীড়নের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরান সরকার নীরবে হত্যা ও দমন চালানোর জন্যই ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে।
তেহরানের খোলা বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মূল্য ব্যাপক পড়ে যাওয়ায় তেহরানের দোকানিরা গত ২৮ ডিসেম্বর রাস্তায় নেমে এলে বিক্ষোভের সূচনা হয়। এরই মধ্যে এ বিক্ষোভ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে গোটা ইরান জুড়ে।
নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৪৮ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

ইসরায়েলের তেল আবিবে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। এসব হামলা এমন এক সময় চালানো হলো, যখন ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অত্যন্ত ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, ২৮ মার্চ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯টি ক্লাস্টার ওয়ারহেডবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে জনবসতিতে আঘাত হেনেছে। এই পরিসংখ্যান ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বড় দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
হিউস্টন থেকে ৯০ মাইল দূরের এই শোধনাগারটি প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ব্যারেল জ্বালানি উৎপাদন করে, যা এই দুর্ঘটনার ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
বিমানবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালীন দুর্ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৭৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর শেয়ার করা সামরিক কমান্ডের বিবৃতিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে