
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। একই সঙ্গে তারা ‘আলোচনার পথও খোলা রেখেছে’ বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক গ্রুপে বক্তৃতা করার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা নেগোশিয়েশন বা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু সেটি হতে হবে ন্যায্য আলোচনা, সমানাধিকার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে।’
আব্বাস আরাঘচি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি মূলত ‘সন্ত্রাসীদের’ উসকে দিচ্ছে। তার মতে, বিদেশি হস্তক্ষেপের পথ তৈরি করতে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা হয়ত তাদের সাথে দেখা করবেন। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরান প্রস্তুত বলে জানালেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে তেহরানে চলা সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আব্বাস আরাঘচি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ হুইটেকারের মধ্যে ‘যোগাযোগের চ্যানেল খোলা’ রয়েছে। প্রয়োজন হলে তথ্যও আদান-প্রদান করা হবে।
বাঘাই আরও যোগ করেন, ‘আলোচনা হতে হবে পারস্পরিক স্বার্থ এবং উদ্বেগের স্বীকৃতির ভিত্তিতে। একতরফা কোনো চাপ বা কারও হুকুম মেনে নিয়ে নয়। ইরান আলোচনার দেশ; কিন্তু কোনো হুকুম বা বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।’
এ ছাড়া বাঘাই ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে একটি ‘সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধ’ এবং একে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, বেসামরিক নাগরিকদের নিশানা করার পেছনে সশস্ত্র বিদেশি শক্তির হাত থাকার জোরালো প্রমাণ রয়েছে। ইরান আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরবে।
এর আগে গতকাল রোববার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য তাকে ফোন করেছে। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ আসছে, যা অস্পষ্টতা তৈরি করছে। তবে ইরান এখনো কূটনীতিতে বিশ্বাসী।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির প্রতিক্রিয়া ইরান সরকার বলেছে, তারা ‘যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। একই সঙ্গে তারা ‘আলোচনার পথও খোলা রেখেছে’ বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক গ্রুপে বক্তৃতা করার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা নেগোশিয়েশন বা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু সেটি হতে হবে ন্যায্য আলোচনা, সমানাধিকার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে।’
আব্বাস আরাঘচি আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি মূলত ‘সন্ত্রাসীদের’ উসকে দিচ্ছে। তার মতে, বিদেশি হস্তক্ষেপের পথ তৈরি করতে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা হয়ত তাদের সাথে দেখা করবেন। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইরান প্রস্তুত বলে জানালেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে তেহরানে চলা সহিংস বিক্ষোভের মধ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আব্বাস আরাঘচি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ হুইটেকারের মধ্যে ‘যোগাযোগের চ্যানেল খোলা’ রয়েছে। প্রয়োজন হলে তথ্যও আদান-প্রদান করা হবে।
বাঘাই আরও যোগ করেন, ‘আলোচনা হতে হবে পারস্পরিক স্বার্থ এবং উদ্বেগের স্বীকৃতির ভিত্তিতে। একতরফা কোনো চাপ বা কারও হুকুম মেনে নিয়ে নয়। ইরান আলোচনার দেশ; কিন্তু কোনো হুকুম বা বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।’
এ ছাড়া বাঘাই ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে দেশের জনগণের বিরুদ্ধে একটি ‘সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধ’ এবং একে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি দাবি করেন, বেসামরিক নাগরিকদের নিশানা করার পেছনে সশস্ত্র বিদেশি শক্তির হাত থাকার জোরালো প্রমাণ রয়েছে। ইরান আন্তর্জাতিক ফোরামে বিষয়টি তুলে ধরবে।
এর আগে গতকাল রোববার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য তাকে ফোন করেছে। ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জবাবে বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ আসছে, যা অস্পষ্টতা তৈরি করছে। তবে ইরান এখনো কূটনীতিতে বিশ্বাসী।

ট্রাম্প বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা ইরান থেকে বেরিয়ে আসব, যদি না আমরা সেখানে থেকে যাওয়ার এবং ভেনেজুয়েলার মতো তেল নিজেদের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’ তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যে রাজস্ব পাচ্ছে, তা দিয়ে ‘অনেকবার যুদ্ধের খরচ’ মেটানো হয়ে গেছে।
১ দিন আগে
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে