
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ দেড় দশকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের এই রাজ্যে ক্ষমতায় বসল বিজেপি। একসময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত শুভেন্দু অধিকারী এখন রাজ্যের প্রধান কর্ণধার।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল আড়ম্বরপূর্ণ। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আরও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা শপথ গ্রহণ করেছেন।
প্রথমবারের মতো এই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে নির্বাচনে জয় পেয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাস বরাবরই ছিল নানা উত্থান-পতনে ভরা— একসময় কমিউনিস্টদের দীর্ঘ শাসন, এরপর প্রায় ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বিজেপির জয়ের মধ্য দিয়ে।
একসময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ‘ডানহাত’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সময়ের পরিক্রমায় আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে নেত্রীর পাশে একসময় সহযোগীর ভূমিকায় ছিলেন অধিকারী, আজ তিনি নিজেই সেই মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এত নাটকীয়, প্রায় তারকাখ্যাতির মতো উত্থান আর কোনো নেতার ক্ষেত্রে দেখা যায়নি বললেই চলে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ গেরুয়া রঙের কুর্তা পরে শপথ নেন। তার সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অগ্নিমিত্রা পাল, নিসীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং শঙ্কর ঘোষ।
রাজনীতি/এসআর

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ শনিবার (৯ মে) স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনি এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
দীর্ঘ দেড় দশকের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ভারতের এই রাজ্যে ক্ষমতায় বসল বিজেপি। একসময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত শুভেন্দু অধিকারী এখন রাজ্যের প্রধান কর্ণধার।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল আড়ম্বরপূর্ণ। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে আরও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা শপথ গ্রহণ করেছেন।
প্রথমবারের মতো এই পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে নির্বাচনে জয় পেয়েছে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাস বরাবরই ছিল নানা উত্থান-পতনে ভরা— একসময় কমিউনিস্টদের দীর্ঘ শাসন, এরপর প্রায় ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় এবার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বিজেপির জয়ের মধ্য দিয়ে।
একসময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ‘ডানহাত’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সময়ের পরিক্রমায় আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে নেত্রীর পাশে একসময় সহযোগীর ভূমিকায় ছিলেন অধিকারী, আজ তিনি নিজেই সেই মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসেছেন।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এত নাটকীয়, প্রায় তারকাখ্যাতির মতো উত্থান আর কোনো নেতার ক্ষেত্রে দেখা যায়নি বললেই চলে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ গেরুয়া রঙের কুর্তা পরে শপথ নেন। তার সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন অগ্নিমিত্রা পাল, নিসীথ প্রামাণিক, দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং শঙ্কর ঘোষ।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে