
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় এফসি (ফ্রন্টিয়ার কর্পস) সদরদপ্তরের কাছে এই ভয়াবহ বোমা হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন।
ডনের খবরে আরও বলা হয়, বিস্ফোরণ এতটাই জোরালো ছিল যে, আশপাশের বাড়িগুলিতে ফাটল ধরে গিয়েছে।
বেলুচিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বখত মুহাম্মদ কাকার জানিয়েছেন, নিহত ও আহতদের কোয়েটার সিভিল হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিস্ফোরণের পর প্রদেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
এদিকে সিভিল লাইনস থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) আমিন জাফর জানান, বিস্ফোরণের পর আটজনের মরদেহ সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে।
কোয়েটার স্পেশাল অপারেশনস বিভাগের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি) মুহাম্মদ বালুচ বলেন, মডেল টাউন থেকে ফ্রন্টিয়ার কর্পসের (এফসি) সদর দপ্তরের দিকে হালি রোডে একটি গাড়ি মোড় নেওয়ার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে।
টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, রাস্তায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের সেই মুহূর্তটি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।
এ ঘটনায় ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর সরফরাজ বুগতি ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। বেলুচিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক পোস্টে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে চার সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির সংকল্পকে দুর্বল করতে পারবে না। জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। আমরা বেলুচিস্তানকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি শহীদদের পরিবারের সঙ্গে সংহতি জানাই, তাদের পদমর্যাদা উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
পরে কোয়েটায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ঘটনাটিকে ‘আত্মঘাতী হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের সচিবালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারতের এজেন্ডা অনুযায়ী কাজ করা বিপথগামী চরমপন্থী ফিতনা-আল-খাওয়ারিজের কোয়েটায় আত্মঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।’
নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সন্ত্রাসীদের বোঝাতে রাষ্ট্রপক্ষ ‘ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ ও ভারতের স্বার্থরক্ষাকারী উপাদানগুলো পাকিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর সময়োপযোগী ও কার্যকর প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন, যা সন্ত্রাসীদের বিদ্বেষপূর্ণ পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে।’
এছাড়া তিনি আহত এফসি সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং মাতৃভূমি রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর সাহস ও অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।

পাকিস্তানে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, মঙ্গলবার বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় এফসি (ফ্রন্টিয়ার কর্পস) সদরদপ্তরের কাছে এই ভয়াবহ বোমা হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হয়েছেন।
ডনের খবরে আরও বলা হয়, বিস্ফোরণ এতটাই জোরালো ছিল যে, আশপাশের বাড়িগুলিতে ফাটল ধরে গিয়েছে।
বেলুচিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বখত মুহাম্মদ কাকার জানিয়েছেন, নিহত ও আহতদের কোয়েটার সিভিল হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারে নেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিস্ফোরণের পর প্রদেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
এদিকে সিভিল লাইনস থানার স্টেশন হাউস অফিসার (এসএইচও) আমিন জাফর জানান, বিস্ফোরণের পর আটজনের মরদেহ সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে।
কোয়েটার স্পেশাল অপারেশনস বিভাগের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (এসএসপি) মুহাম্মদ বালুচ বলেন, মডেল টাউন থেকে ফ্রন্টিয়ার কর্পসের (এফসি) সদর দপ্তরের দিকে হালি রোডে একটি গাড়ি মোড় নেওয়ার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে।
টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, রাস্তায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের সেই মুহূর্তটি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে।
এ ঘটনায় ভারতকে দোষারোপ করছে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর সরফরাজ বুগতি ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে অভিহিত করেছেন। বেলুচিস্তান সরকারের এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক পোস্টে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘ঘটনার পর নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে চার সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা কাপুরুষোচিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতির সংকল্পকে দুর্বল করতে পারবে না। জনগণ ও নিরাপত্তা বাহিনীর আত্মত্যাগ বৃথা যাবে না। আমরা বেলুচিস্তানকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি শহীদদের পরিবারের সঙ্গে সংহতি জানাই, তাদের পদমর্যাদা উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’
পরে কোয়েটায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ঘটনাটিকে ‘আত্মঘাতী হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। প্রেসিডেন্টের সচিবালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারতের এজেন্ডা অনুযায়ী কাজ করা বিপথগামী চরমপন্থী ফিতনা-আল-খাওয়ারিজের কোয়েটায় আত্মঘাতী হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।’
নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সন্ত্রাসীদের বোঝাতে রাষ্ট্রপক্ষ ‘ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট বলেছেন যে ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ ও ভারতের স্বার্থরক্ষাকারী উপাদানগুলো পাকিস্তানের শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি নিরাপত্তা বাহিনীর সময়োপযোগী ও কার্যকর প্রতিক্রিয়ার প্রশংসা করেছেন, যা সন্ত্রাসীদের বিদ্বেষপূর্ণ পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে।’
এছাড়া তিনি আহত এফসি সদস্যদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং মাতৃভূমি রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীর সাহস ও অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে