
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের করাচিতে আধা-সামরিক বাহিনী ‘সিন্ধু রেঞ্জার্স’-এর সদর দপ্তরে এক ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় চার রেঞ্জার্স সদস্যসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) শাখা গোষ্ঠী ‘জামাত-উল-আহরার’ ইতিমধ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
শনিবার (২৮ জুন) করাচির গুলশান-ই-জওহর এলাকায় অবস্থিত সিন্ধু রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, প্রথমে একটি বিস্ফোরকবাহী গাড়ি দিয়ে সদর দপ্তরের গেটে আঘাত করা হয়। এতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। একই সময় করাচির ইউনিভার্সিটি রোডের মিটিওরোলজিক্যাল চৌরাঙ্গি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ ও প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
হামলার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, র্যাপিড রেসপন্স ফোর্স ও পুলিশ কমান্ডোদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) একটি শাখা সংগঠন ‘জামাত-উল-আহরার’ (জুএ) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটির ‘খুলাফা-ই-রাশেদিন ইশতিহাদি ব্রিগেড’ নামে একটি আত্মঘাতী দল এই ভয়াবহ হামলাটি পরিচালনা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অবিলম্বে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার ধরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে জঙ্গি হামলার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ এই সহিংসতার জন্য মূলত টিটিপি এবং তাদের সহযোগী উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে।
রাজনীতি/এসআর

পাকিস্তানের করাচিতে আধা-সামরিক বাহিনী ‘সিন্ধু রেঞ্জার্স’-এর সদর দপ্তরে এক ভয়াবহ আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় চার রেঞ্জার্স সদস্যসহ অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) শাখা গোষ্ঠী ‘জামাত-উল-আহরার’ ইতিমধ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
শনিবার (২৮ জুন) করাচির গুলশান-ই-জওহর এলাকায় অবস্থিত সিন্ধু রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় গণমাধ্যম ডন জানিয়েছে, প্রথমে একটি বিস্ফোরকবাহী গাড়ি দিয়ে সদর দপ্তরের গেটে আঘাত করা হয়। এতে তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। এরপরই শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। একই সময় করাচির ইউনিভার্সিটি রোডের মিটিওরোলজিক্যাল চৌরাঙ্গি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণ ও প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
হামলার পরপরই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষ ইউনিট, র্যাপিড রেসপন্স ফোর্স ও পুলিশ কমান্ডোদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের (টিটিপি) একটি শাখা সংগঠন ‘জামাত-উল-আহরার’ (জুএ) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটির ‘খুলাফা-ই-রাশেদিন ইশতিহাদি ব্রিগেড’ নামে একটি আত্মঘাতী দল এই ভয়াবহ হামলাটি পরিচালনা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি অবিলম্বে এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পুলিশকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘটনার ধরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে জঙ্গি হামলার প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ এই সহিংসতার জন্য মূলত টিটিপি এবং তাদের সহযোগী উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করে আসছে।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
২০ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে