
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

দুই বৈশ্বিক পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষ করা সাম্প্রতিক সময়ের সম্পর্ককে সাপে-নেউলে বললে ভুল হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর শুল্ক ঘিরে সে সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে৷
এমন পরিস্থিতিতে বেইজিং সফররত ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক প্রতিদ্বন্দ্বীসুলভ না হয়ে অংশীদারের মতো হওয়া উচিত। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল রেখেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জিনপিং ও ট্রাম্পের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বেইজিং স্থানীয় সময় বিকেলে জিনপিং কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমরা দুজনেই বিশ্বাস করি, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। আমাদের অবশ্যই এ সম্পর্ককে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত এবং কোনোভাবেই সবকিছু নষ্ট করে ফেলা উচিত না।
জিনপিং আরও বলেন, সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই উপকৃত হয়ে থাকে। আর সংঘাতের মাধ্যমে কেবল ক্ষতিই হয়। তাই আমাদের দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত।
দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম চীন সফর করছেন ট্রাম্প। গতকাল বুধবার রাতে তিনি বেইজিং পৌঁছালে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি তার প্রথম মেয়াদেও বেইজিং সফর করেন।
গত বছর ট্রাম্প আরোপিত শুল্ককে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এ ছাড়া ইরানকে প্রভাবিত করতে চীনের ভূমিকা দেখতে চাইতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, এমন আলোচনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে চীনে ট্রাম্পের দু্ই দিনের এই সফর এবার নানা কারণে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টার দিকে ট্রাম্প পৌঁছালে তাকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। বড় একটি সামরিক দল গার্ড অব অনার দিয়ে এবং ডজনখানেক শিশু পতাকা নাড়িয়ে তাকে স্বাগত জানায়। লালগালিচায় করমর্দনের সময় দুই নেতার মধ্যে আন্তরিক পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
পরে তাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে যা প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ। এরপর দুই প্রেসিডেন্ট টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন করেন। আলোচনা কেমন হয়েছে, বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প শুধু এক শব্দে বলেছেন ‘চমৎকার’।
বৈঠকে দুই দেশ তাইওয়ান ইস্যুতে আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ‘অপরিবর্তিত’ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে আলোচনার পরও এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানান তিনি।
এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এটি ধারাবাহিকভাবে একই রয়েছে এবং এখনো তা বজায় আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নীতি দীর্ঘদিন ধরেই একই ধারায় চলছে এবং বর্তমান প্রশাসনেও তা অব্যাহত থাকবে।’
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, দুই দেশের মতপার্থক্য সম্ভাব্য ‘সংঘাতে’র কারণ হতে পারে। শি এটিকে ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

দুই বৈশ্বিক পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষ করা সাম্প্রতিক সময়ের সম্পর্ককে সাপে-নেউলে বললে ভুল হবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর শুল্ক ঘিরে সে সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে৷
এমন পরিস্থিতিতে বেইজিং সফররত ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক প্রতিদ্বন্দ্বীসুলভ না হয়ে অংশীদারের মতো হওয়া উচিত। শুধু তাই নয়, ট্রাম্পের দুই দেশের সম্পর্ককে স্থিতিশীল রেখেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জিনপিং ও ট্রাম্পের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বেইজিং স্থানীয় সময় বিকেলে জিনপিং কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আমরা দুজনেই বিশ্বাস করি, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। আমাদের অবশ্যই এ সম্পর্ককে সামনের দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত এবং কোনোভাবেই সবকিছু নষ্ট করে ফেলা উচিত না।
জিনপিং আরও বলেন, সহযোগিতামূলক সম্পর্কের মাধ্যমে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশই উপকৃত হয়ে থাকে। আর সংঘাতের মাধ্যমে কেবল ক্ষতিই হয়। তাই আমাদের দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে অংশীদার হওয়া উচিত।
দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম চীন সফর করছেন ট্রাম্প। গতকাল বুধবার রাতে তিনি বেইজিং পৌঁছালে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এর আগে ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি তার প্রথম মেয়াদেও বেইজিং সফর করেন।
গত বছর ট্রাম্প আরোপিত শুল্ককে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে নতুন করে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এ ছাড়া ইরানকে প্রভাবিত করতে চীনের ভূমিকা দেখতে চাইতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, এমন আলোচনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে চীনে ট্রাম্পের দু্ই দিনের এই সফর এবার নানা কারণে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টার দিকে ট্রাম্প পৌঁছালে তাকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। বড় একটি সামরিক দল গার্ড অব অনার দিয়ে এবং ডজনখানেক শিশু পতাকা নাড়িয়ে তাকে স্বাগত জানায়। লালগালিচায় করমর্দনের সময় দুই নেতার মধ্যে আন্তরিক পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
পরে তাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে যা প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ। এরপর দুই প্রেসিডেন্ট টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন করেন। আলোচনা কেমন হয়েছে, বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প শুধু এক শব্দে বলেছেন ‘চমৎকার’।
বৈঠকে দুই দেশ তাইওয়ান ইস্যুতে আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ‘অপরিবর্তিত’ রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের মধ্যে আলোচনার পরও এই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানান তিনি।
এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদের নীতিতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। এটি ধারাবাহিকভাবে একই রয়েছে এবং এখনো তা বজায় আছে। যুক্তরাষ্ট্রের নীতি দীর্ঘদিন ধরেই একই ধারায় চলছে এবং বর্তমান প্রশাসনেও তা অব্যাহত থাকবে।’
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছেন, দুই দেশের মতপার্থক্য সম্ভাব্য ‘সংঘাতে’র কারণ হতে পারে। শি এটিকে ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন নৌ বাহিনীর প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক নিয়ে থাকা আব্রাহাম লিংকন গত বছরের ২১ নভেম্বর সান দিয়েগো থেকে নিয়মিত প্রশান্ত মহাসাগরীয় মহড়ায় বের হয়েছিল। পরে সেটিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। ইরানবিরোধী মার্কিন সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার পরও জাহাজটির মোতায়েন শেষ হয়নি। টানা ২৫০ দিনের বেশি সমুদ্রে থাকার পরও ফের
১৫ ঘণ্টা আগে
খবর বলছে, লন্ডনের কিউ গার্ডেনে ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বৃহস্পতিবারে। দিনটি যুক্তরাজ্যের এ বছরের সবচেয়ে উষ্ণ দিনে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো দেশটিতে ৩৮ ডিগ্রি বা তার বেশি তাপমাত্রা ওঠার ঘটনা ঘটল— এমনটি এর আগে কেবল ২০২২ সালে এক বছরে দুবার ঘটেছিল।
১৫ ঘণ্টা আগে
এদিকে ইরানের সামরিক কমান্ডও তেহরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজকে হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে। ফলে চলমান যুদ্ধ ও ভেঙে পড়া অন্তর্বর্তী চুক্তির মধ্যে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের পালটাপালটি দাবিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সপ্তাহের শুরুতে কুসরায় এই অবরোধ শুরু হয়। ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা গ্রামের তিনটি বাড়িতে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং বাড়িগুলোর সামনের উঠানে একটি তাঁবু স্থাপন করে। এরপর তারা কাউকে বাড়িগুলোতে ঢুকতে বা বের হতে দেয়নি। এর আগে বাড়িগুলোর বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগও
১৯ ঘণ্টা আগে