
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারও ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চলতি সপ্তাহে ফ্লোরেস অঞ্চলে আঘাত হানা এটি দ্বিতীয় ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প। এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) একই মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যার উৎপত্তিস্থলও ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
সোমবারের ভূমিকম্পটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন মাত্র দুই দিন আগে হওয়া শক্তিশালী ভূকম্পনের ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। গত শনিবার আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ফ্লোরেসে অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়।
ধারাবাহিক এই ভূমিকম্পে দেশের পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৯০০টিরও বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস এবং আরও ৪৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ঘটনায় ১৩৫ জন আহত হয়েছেন এবং কেবল ফ্লোরেস অঞ্চলেই অন্তত ২৪১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর সাময়িকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হলে বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। তবে পরবর্তীতে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বর্তমানে বাস্তুচ্যুত বাসিন্দাদের জন্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ত্রাণকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, শুকনো খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করছেন।

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারও ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) আঘাত হানা এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
চলতি সপ্তাহে ফ্লোরেস অঞ্চলে আঘাত হানা এটি দ্বিতীয় ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প। এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) একই মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল, যার উৎপত্তিস্থলও ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
সোমবারের ভূমিকম্পটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন মাত্র দুই দিন আগে হওয়া শক্তিশালী ভূকম্পনের ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছিল। গত শনিবার আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ফ্লোরেসে অন্তত ৫৩ জনের মৃত্যু হয়।
ধারাবাহিক এই ভূমিকম্পে দেশের পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে ৯০০টিরও বেশি ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস এবং আরও ৪৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ঘটনায় ১৩৫ জন আহত হয়েছেন এবং কেবল ফ্লোরেস অঞ্চলেই অন্তত ২৪১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভূমিকম্পের পর সাময়িকভাবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হলে বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। তবে পরবর্তীতে সেই সতর্কতা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
বর্তমানে বাস্তুচ্যুত বাসিন্দাদের জন্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ত্রাণকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, শুকনো খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করছেন।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে