
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মা’আদেন’ দেশটির চারটি নতুন খনি এলাকা থেকে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজি) সোনা উত্তোলনের ঘোষণা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণ খনিজ সম্পদের মজুত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শীর্ষ সোনা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে মা’আদেনের বার্ষিক লক্ষ্য ছিল ৯০ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন। তবে চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী লক্ষ্য কিছুটা কমানো হয়েছে। নতুন উত্তোলিত সোনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে মানসুরাহ মাসসারাহ খনি থেকে, যেখানে ৩০ লাখ আউন্স সোনা আহরণ করা হয়েছে। এছাড়া উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম খনি মিলিয়ে ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও খনি থেকে ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স সোনা উত্তোলন হয়েছে। ওয়াদি আল জাও খনি থেকে এবারই প্রথমবার সোনা উত্তোলন করা হয়েছে।
মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, ‘এই ফলাফল দেখাচ্ছে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মাঠপর্যায়ে কার্যকর। চারটি এলাকায় খননকাজের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি সোনা উত্তোলন আমাদের সম্ভাবনাকে প্রতিফলিত করছে। এটি ভবিষ্যতে নগদ অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।’
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লক্ষ্য ভিত্তিক খনন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মা’আদেন বিশ্বের শীর্ষ সোনা উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে সক্ষম হবে। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ সোনা চাহিদা পূরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিতে এই উত্তোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মা’আদেনের খনি এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকরী লগিস্টিক ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তোলন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হয়েছে। বিশেষত নতুন খনি ওয়াদি আল জাও থেকে প্রথমবারের উত্তোলন কোম্পানির ভবিষ্যৎ খনি সম্প্রসারণ পরিকল্পনাকে সমর্থন করছে।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মা’আদেন’ দেশটির চারটি নতুন খনি এলাকা থেকে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজি) সোনা উত্তোলনের ঘোষণা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণ খনিজ সম্পদের মজুত বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে শীর্ষ সোনা উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করা হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে মা’আদেনের বার্ষিক লক্ষ্য ছিল ৯০ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন। তবে চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী লক্ষ্য কিছুটা কমানো হয়েছে। নতুন উত্তোলিত সোনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে মানসুরাহ মাসসারাহ খনি থেকে, যেখানে ৩০ লাখ আউন্স সোনা আহরণ করা হয়েছে। এছাড়া উরুক ২০/২১ ও উম্ম আস সালাম খনি মিলিয়ে ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স এবং ওয়াদি আল জাও খনি থেকে ৩০ লাখ ৮০ হাজার আউন্স সোনা উত্তোলন হয়েছে। ওয়াদি আল জাও খনি থেকে এবারই প্রথমবার সোনা উত্তোলন করা হয়েছে।
মা’আদেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, ‘এই ফলাফল দেখাচ্ছে কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি কৌশল মাঠপর্যায়ে কার্যকর। চারটি এলাকায় খননকাজের মাধ্যমে ৭০ লাখ আউন্সের বেশি সোনা উত্তোলন আমাদের সম্ভাবনাকে প্রতিফলিত করছে। এটি ভবিষ্যতে নগদ অর্থ প্রবাহ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।’
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লক্ষ্য ভিত্তিক খনন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মা’আদেন বিশ্বের শীর্ষ সোনা উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করতে সক্ষম হবে। এছাড়া দেশের অভ্যন্তরীণ সোনা চাহিদা পূরণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিতে এই উত্তোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মা’আদেনের খনি এলাকায় আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকরী লগিস্টিক ব্যবস্থার মাধ্যমে উত্তোলন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হয়েছে। বিশেষত নতুন খনি ওয়াদি আল জাও থেকে প্রথমবারের উত্তোলন কোম্পানির ভবিষ্যৎ খনি সম্প্রসারণ পরিকল্পনাকে সমর্থন করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে