
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরাইলি সেনাবাহিনী শুক্রবার লেবাননে হিজবুল্লাহর অস্ত্রভাণ্ডার ও একটি প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে।
জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, হিজবুল্লাহ কর্তৃক ইসরাইলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত বেশ কিছু অস্ত্রভাণ্ডার ও সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের অবসান হওয়ার কথা থাকলেও, ইসরাইল লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং কৌশলগত বলে বিবেচিত পাঁচটি এলাকায় সেনা মোতায়েন রেখেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ৩৪০ জনের বেশি নিহত হয়েছে।
শুক্রবারের হামলার এক দিন আগেও সিরিয়া সীমান্তের কাছে ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় তিনজন নিহত হয়।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, লেবাননে এক হামলায় তারা তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের এক সদস্যকে হত্যা করেছে।
শুক্রবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, তারা হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্য সৃষ্ট যেকোনো হুমকি তারা নিশ্চিহ্ন করে দেবে।
যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপ ও ইসরাইলি হামলা বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে লেবানন সরকার সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছে।
লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চলে নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে ইসরাইল লেবাননের সেনাবাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ করছে বলেও অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ তাদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী শুক্রবার লেবাননে হিজবুল্লাহর অস্ত্রভাণ্ডার ও একটি প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সসহ একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে।
জেরুজালেম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, হিজবুল্লাহ কর্তৃক ইসরাইলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ব্যবহৃত বেশ কিছু অস্ত্রভাণ্ডার ও সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালানো হয়েছে।
২০২৪ সালের নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের অবসান হওয়ার কথা থাকলেও, ইসরাইল লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং কৌশলগত বলে বিবেচিত পাঁচটি এলাকায় সেনা মোতায়েন রেখেছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরাইলি হামলায় লেবাননে ৩৪০ জনের বেশি নিহত হয়েছে।
শুক্রবারের হামলার এক দিন আগেও সিরিয়া সীমান্তের কাছে ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় তিনজন নিহত হয়।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, লেবাননে এক হামলায় তারা তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের অভিজাত কুদস ফোর্সের এক সদস্যকে হত্যা করেছে।
শুক্রবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, তারা হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, ইসরাইল রাষ্ট্রের জন্য সৃষ্ট যেকোনো হুমকি তারা নিশ্চিহ্ন করে দেবে।
যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র চাপ ও ইসরাইলি হামলা বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কার মধ্যে লেবানন সরকার সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছে।
লেবাননের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইসরাইল সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চলে নিরস্ত্রীকরণ কার্যক্রম বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে ইসরাইল লেবাননের সেনাবাহিনীর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ করছে বলেও অভিযোগ করেছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ তাদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১ দিন আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে