
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচারণার মুখে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যে অন্তত ১৩টি দেশ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিমের খবরে বলা হয়েছে, আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণ ঠেকাতে গত কয়েক দিনে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি কয়েকটি দেশকে উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করছে। তারা ইরানি কর্মকর্তা ও শোকাহত মানুষের সঙ্গে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মুসাল্লায় উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে যে ১৩টি দেশ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব ইউরোপের তিনটি দেশ, আফ্রিকার পাঁচটি দেশ, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি আরব দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
ওই সূত্রের দাবি, গত পাঁচ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশকে আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।
সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনের উদ্দেশে একটি গোপন নির্দেশনা জারি করেন। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই নির্দেশনার সব প্রাপক স্বাগতিক দেশের কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করতে বাধ্য থাকবেন যে, ইরানের নেতার দাফন অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি অমিত্রসুলভ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই আরব কূটনীতিক জানিয়েছেন, মার্কো রুবিও ব্যক্তিগতভাবে অন্তত পাঁচটি আরব দেশের সমপর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ ছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরাও স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ওই দেশগুলো যদি আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, তাহলে তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
তাসনিমের খবরে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ ইতোমধ্যে খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণের মাত্রা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ কাজ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অথবা জেনেভা ও নিউইয়র্কে থাকা তাদের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে দুঃখ প্রকাশ এবং নিজেদের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
এ ছাড়া এসব দেশের কয়েকটি তেহরানে অবস্থানরত নিজেদের কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে তাসনিম।

যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও কূটনৈতিক প্রচারণার মুখে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যে অন্তত ১৩টি দেশ অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিমের খবরে বলা হয়েছে, আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের অংশগ্রহণ ঠেকাতে গত কয়েক দিনে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি কয়েকটি দেশকে উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদল বর্তমানে তেহরানে অবস্থান করছে। তারা ইরানি কর্মকর্তা ও শোকাহত মানুষের সঙ্গে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মুসাল্লায় উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে যে ১৩টি দেশ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে সরে দাঁড়িয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব ইউরোপের তিনটি দেশ, আফ্রিকার পাঁচটি দেশ, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের দুটি আরব দেশ এবং পূর্ব এশিয়ার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ।
ওই সূত্রের দাবি, গত পাঁচ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশকে আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখতে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন।
সূত্রটির ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনের উদ্দেশে একটি গোপন নির্দেশনা জারি করেন। সেখানে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই নির্দেশনার সব প্রাপক স্বাগতিক দেশের কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের সক্ষমতা ব্যবহার করতে বাধ্য থাকবেন যে, ইরানের নেতার দাফন অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি অমিত্রসুলভ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই আরব কূটনীতিক জানিয়েছেন, মার্কো রুবিও ব্যক্তিগতভাবে অন্তত পাঁচটি আরব দেশের সমপর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এ ছাড়া আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতরাও স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছেন যে, ওই দেশগুলো যদি আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেয়, তাহলে তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
তাসনিমের খবরে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ ইতোমধ্যে খামেনির দাফন অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণের মাত্রা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ওপর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ কাজ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া কয়েকটি দেশ মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অথবা জেনেভা ও নিউইয়র্কে থাকা তাদের কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে দুঃখ প্রকাশ এবং নিজেদের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
এ ছাড়া এসব দেশের কয়েকটি তেহরানে অবস্থানরত নিজেদের কূটনীতিকদের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দিলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে তাসনিম।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে