
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানি জাহাজ জব্দ করার অভিযানকে ‘জলদস্যুবৃত্তির’ সঙ্গে তুলনা করে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডার এক জনসভায় তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি জাহাজ ও তেল দখল করছে এবং এটি একটি ‘লাভজনক ব্যবসা’। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে একদিকে তার সমর্থকরা উল্লাস করলেও, অন্যদিকে আইনি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র উদ্বেগ।
গত শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডায় এক জনসভায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা জাহাজের ওপর অবতরণ করি এবং সেটির নিয়ন্ত্রণ নেই। আমরা জাহাজ, এর মালামাল এবং তেল—সবই দখল করে নেই। এটা বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা।’
তার এই কথায় সমর্থকরা উল্লাস শুরু করেন। এ সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো। তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর পদক্ষেপ নেয় ওয়াশিংটন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত শুক্রবার পর্যন্ত তারা অবরোধ নিশ্চিত করতে ৪৫টি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ গত এপ্রিলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এই অবরোধ ‘যতদিন প্রয়োজন’ ততদিন চলবে। দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইন স্পষ্ট করেছেন, ইরানি বন্দরে যাতায়াতকারী যেকোনো দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর এই তৎপরতাকে ট্রাম্প জলদস্যুবৃত্তির সঙ্গে তুলনা করায় আইনি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর ইরানের টোল আরোপের পরিকল্পনার মধ্যে এই মন্তব্য নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
এদিকে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যতদিন তাদের বন্দর অবরোধ করে রাখবে, ততদিন তারাও হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।
রাজনীতি/এসআর

ইরানি জাহাজ জব্দ করার অভিযানকে ‘জলদস্যুবৃত্তির’ সঙ্গে তুলনা করে বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্লোরিডার এক জনসভায় তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি জাহাজ ও তেল দখল করছে এবং এটি একটি ‘লাভজনক ব্যবসা’। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে একদিকে তার সমর্থকরা উল্লাস করলেও, অন্যদিকে আইনি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র উদ্বেগ।
গত শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডায় এক জনসভায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা জাহাজের ওপর অবতরণ করি এবং সেটির নিয়ন্ত্রণ নেই। আমরা জাহাজ, এর মালামাল এবং তেল—সবই দখল করে নেই। এটা বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা।’
তার এই কথায় সমর্থকরা উল্লাস শুরু করেন। এ সময় ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতো। তবে আমরা কোনো খেলা খেলছি না।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর পদক্ষেপ নেয় ওয়াশিংটন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গত শুক্রবার পর্যন্ত তারা অবরোধ নিশ্চিত করতে ৪৫টি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করে দিয়েছে। পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ গত এপ্রিলে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এই অবরোধ ‘যতদিন প্রয়োজন’ ততদিন চলবে। দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইন স্পষ্ট করেছেন, ইরানি বন্দরে যাতায়াতকারী যেকোনো দেশের জাহাজের ক্ষেত্রেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
এদিকে, মার্কিন নৌবাহিনীর এই তৎপরতাকে ট্রাম্প জলদস্যুবৃত্তির সঙ্গে তুলনা করায় আইনি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর ইরানের টোল আরোপের পরিকল্পনার মধ্যে এই মন্তব্য নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
এদিকে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যতদিন তাদের বন্দর অবরোধ করে রাখবে, ততদিন তারাও হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।
রাজনীতি/এসআর

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত দ্রুত শেষ হওয়ার কোনো ‘সম্ভাবনা নেই’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি তেহরানের সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘তারা এমন কিছু দাবি করছে যা আমি মেনে নিতে পারি না।’
১ দিন আগে