
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইউরোপের দেশগুলোর ‘ইসরায়েলিকরণ’ হয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ। এর প্রতিক্রিয়ায় মানুষের মধ্যে ‘ফিলিস্তিনিকরণ’ও ঘটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে ফিলিস্তিনিদের ভোগান্তি ও প্রতিরোধের প্রতি সংহতি জানিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রিসের সাবেক অর্থমন্ত্রী ইয়াসিন ভারুফাকিস। তিনিও আলবানিজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন। বলেন, যেখানে এ অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেই গ্রিসেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ বেশি হয়েছে।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগ বিশ্বের দুই বৃহত্তম আন্তর্জাতিক আদালত— আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) বিচারাধীন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন আলবানিজ।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশনা ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যতদিন এই দখলদারিত্ব সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে শেষ না হবে, ততদিন জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে কোনোভাবেই ইসরায়েলকে সহায়তা বা সহযোগিতা করা উচিত নয়।
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
আলবানিজ বলেন, ‘সম্পর্ক ছিন্ন করার বদলে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য, অস্ত্র সরবরাহের জন্য, অস্ত্র বিক্রির জন্য, ইসরায়েল থেকে নজরদারি প্রযুক্তি কেনার জন্য বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে তাদের সমাজে নিরাপত্তাকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে, মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং মৌলিক স্বাধীনতাগুলো দমন করা হচ্ছে। এটাই আমাদের সমাজের ইসরায়েলিকরণ।’
আলবানিজ আরও বলেন, “যখন আমাদের সমাজে ইসরায়েলিকরণ ঘটে, তখন কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ‘ফিলিস্তিনিকরণ’ও। আর সেটি এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।”
ওই অনুষ্ঠানে আলবানিজের বক্তব্য ইংরেজি থেকে গ্রিক ভাষায় অনুবাদ করছিলেন গ্রিসের সাবেক অর্থমন্ত্রী ইয়ানিস ভারুফাকিস। তিনি বলেন, ‘আপনারা এমন একটি দেশে আছেন, যা ইসরায়েলিকরণের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। ইউরোপের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় এই দেশে ইসরায়েলিকরণ বেশি হয়েছে।’
গাজার উদ্দেশে যাত্রারত মানবিক সহায়তাবাহী ‘সুমুদ’ নৌ বহরকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে শুক্রবার আটকে দিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করে আলবানিজ বলেন, ‘এটা বলতে আমার খারাপ লাগছে, কিন্তু গ্রিক কর্তৃপক্ষ যে ইসরায়েলিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একটি মানবিক মিশন থামিয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।’

ইউরোপের দেশগুলোর ‘ইসরায়েলিকরণ’ হয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ। এর প্রতিক্রিয়ায় মানুষের মধ্যে ‘ফিলিস্তিনিকরণ’ও ঘটতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২ মে) গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে ফিলিস্তিনিদের ভোগান্তি ও প্রতিরোধের প্রতি সংহতি জানিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রিসের সাবেক অর্থমন্ত্রী ইয়াসিন ভারুফাকিস। তিনিও আলবানিজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন। বলেন, যেখানে এ অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেই গ্রিসেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ বেশি হয়েছে।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগ বিশ্বের দুই বৃহত্তম আন্তর্জাতিক আদালত— আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) বিচারাধীন বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন আলবানিজ।
তিনি বলেন, ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব আন্তর্জাতিক আইন, আন্তর্জাতিক আদালতের নির্দেশনা ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। যতদিন এই দখলদারিত্ব সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে শেষ না হবে, ততদিন জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে কোনোভাবেই ইসরায়েলকে সহায়তা বা সহযোগিতা করা উচিত নয়।
আইসিজের এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায়ের কথাও উল্লেখ করেন জাতিসংঘে এই বিশেষ দূত। সে রায় অগ্রাহ্য করে ইউর্যপের দেশগুলো যেভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা করে যাচ্ছে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, সেটিকেই ‘ইসরায়েলিকরণ’ আখ্যা দেন তিনি।
আলবানিজ বলেন, ‘সম্পর্ক ছিন্ন করার বদলে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো ইসরায়েলকে রক্ষা করার জন্য, অস্ত্র সরবরাহের জন্য, অস্ত্র বিক্রির জন্য, ইসরায়েল থেকে নজরদারি প্রযুক্তি কেনার জন্য বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে তাদের সমাজে নিরাপত্তাকেন্দ্রিক নিয়ন্ত্রণ বেড়েছে, মানুষকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং মৌলিক স্বাধীনতাগুলো দমন করা হচ্ছে। এটাই আমাদের সমাজের ইসরায়েলিকরণ।’
আলবানিজ আরও বলেন, “যখন আমাদের সমাজে ইসরায়েলিকরণ ঘটে, তখন কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ‘ফিলিস্তিনিকরণ’ও। আর সেটি এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।”
ওই অনুষ্ঠানে আলবানিজের বক্তব্য ইংরেজি থেকে গ্রিক ভাষায় অনুবাদ করছিলেন গ্রিসের সাবেক অর্থমন্ত্রী ইয়ানিস ভারুফাকিস। তিনি বলেন, ‘আপনারা এমন একটি দেশে আছেন, যা ইসরায়েলিকরণের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। ইউরোপের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় এই দেশে ইসরায়েলিকরণ বেশি হয়েছে।’
গাজার উদ্দেশে যাত্রারত মানবিক সহায়তাবাহী ‘সুমুদ’ নৌ বহরকে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে শুক্রবার আটকে দিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করে আলবানিজ বলেন, ‘এটা বলতে আমার খারাপ লাগছে, কিন্তু গ্রিক কর্তৃপক্ষ যে ইসরায়েলিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একটি মানবিক মিশন থামিয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভুল।’

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে