
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি যত দ্রুতসম্ভব দেশে ফিরছেন। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়া ডেলসি রদ্রিগেজের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, গত শনিবার মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন মাচাদো। এরপর এই প্রথম প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করলেন তিনি।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, ‘আমি যত দ্রুতসম্ভব ভেনেজুয়েলায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’ বক্তব্য দিলেও নিজের অবস্থান ফক্স টিভিকে জানাননি মাচাদো।
এর মধ্যে সোমবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। তার এই শপথ গ্রহণকে প্রত্যাখ্যান করে মাচাদো বলেন, ডেলসি ভেনেজুয়েলায় নির্যাতন, নিপীড়ন, দুর্নীতি ও মাদকপাচারের অন্যতম প্রধান রূপকার।
নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল, বিরোধী শিবিরের রাজনীতিবিদ নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ভেনেজুয়েলার রাজনীতির অঙ্গনে সম্মুখে চলে আসবেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রতি আস্থা দেখাননি। বরং টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদন বলছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যে শেষ পর্যন্ত মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতিই আপাতত ভরসা রাখছেন তিনি।
ডেলসি রদ্রিগেজ ২০১৮ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শপথ নেওয়ার পর তিনি মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে অপহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক আইন মেনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত পরিসরে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে বন্দি থাকায় কৌশলগত কারণে রদ্রিগেজ এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
মাচাদোর দাবি, ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে রদ্রিগেজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নন। দেশের ভোটাররা বিরোধী পক্ষের পাশেই রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
মাচাদো বলেন, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটে জয়ী হব— এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেতা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো জানিয়েছেন, তিনি যত দ্রুতসম্ভব দেশে ফিরছেন। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়া ডেলসি রদ্রিগেজের তীব্র সমালোচনা করেছেন তিনি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়, গত শনিবার মার্কিন সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন মাচাদো। এরপর এই প্রথম প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করলেন তিনি।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক শন হ্যানিটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মাচাদো বলেন, ‘আমি যত দ্রুতসম্ভব ভেনেজুয়েলায় ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।’ বক্তব্য দিলেও নিজের অবস্থান ফক্স টিভিকে জানাননি মাচাদো।
এর মধ্যে সোমবার ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ডেলসি রদ্রিগেজ। তার এই শপথ গ্রহণকে প্রত্যাখ্যান করে মাচাদো বলেন, ডেলসি ভেনেজুয়েলায় নির্যাতন, নিপীড়ন, দুর্নীতি ও মাদকপাচারের অন্যতম প্রধান রূপকার।
নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র তুলে নিয়ে যাওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল, বিরোধী শিবিরের রাজনীতিবিদ নোবেলজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো ভেনেজুয়েলার রাজনীতির অঙ্গনে সম্মুখে চলে আসবেন। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রতি আস্থা দেখাননি। বরং টাইম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদন বলছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যে শেষ পর্যন্ত মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের প্রতিই আপাতত ভরসা রাখছেন তিনি।
ডেলসি রদ্রিগেজ ২০১৮ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। শপথ নেওয়ার পর তিনি মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে অপহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। আন্তর্জাতিক আইন মেনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সীমিত পরিসরে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে বন্দি থাকায় কৌশলগত কারণে রদ্রিগেজ এমন ঘোষণা দিয়েছেন।
মাচাদোর দাবি, ভেনেজুয়েলার জনগণের কাছে রদ্রিগেজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নন। দেশের ভোটাররা বিরোধী পক্ষের পাশেই রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
মাচাদো বলেন, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটে জয়ী হব— এ নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।

অস্থিরতায় অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী ও চারজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছে এবং দুই হাজার ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই নারী একজন 'সহিংস দাঙ্গাবাজ' ছিলেন এবং ঘটনার সময় তিনি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট – আইসিই'র এজেন্টদের গাড়িচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় এক এজেন্ট তার গাড়ির দিকে 'আত্মরক্ষামূলক গুলি' ছোড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো এই ভয়াবহ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযানের সময় প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আহত হয়েছেন বলেও কারাকাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে