
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং এখনো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন নিকোলা মাদুরো। তাকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসও আদালতে তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
মাদুরোর বিরুদ্ধে মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন মাদক গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত হয়ে কোকেন পাচারসহ মাদক-সন্ত্রাসের অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ আগে থেকেই অস্বীকার করে আসছেন মাদুরো। আগামী ১৭ মার্চ এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। সেদিনও মাদুরোকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে মাদুরোকে আদালতের এজলাসে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরপরই তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও এজলাসে তোলা হয়। আদালতের কার্যক্রম শোনার জন্য তারা দুজনেই দোভাষীর সাহায্য নিতে হেডসেট ব্যবহার করেন। ১২টা ৩ মিনিটে ৯২ বছর বয়সী বিচারক অ্যালভিন কে হেলারস্টাইন বিচারকের আসনে বসেন।
আদালতে মাদুরোর পরনে ছিল কয়েদিদের জন্য নির্ধারিত নীল রঙের ইউনিফর্ম। আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আইনজীবী ব্যারি পোলাকের সঙ্গে হাত মেলান এবং শান্তভাবে নির্ধারিত আসনে বসেন।
শুনানির একপর্যায়ে মাদুরোকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন বিচারক। জবাবে মাদুরো বলেন, তিনি তার বিরুদ্ধে করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র পড়েননি এবং তাকে তার অধিকার সম্পর্কেও জানানো হয়নি। জবাবে বিচারক হেলারস্টাইন বলেন, ‘মাদুরোর পক্ষ থেকে নট গিল্টি (দোষী নন) পিটিশন দাখিল করা হবে।’
এরপর দ্বিতীয়বার মাদুরোর কাছে তার বক্তব্য জানতে চান বিচারক। এ সময় দৃঢ় কণ্ঠে মাদুরো বলেন, আমি নির্দোষ। এখানে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর কোনোটির জন্যই আমি অপরাধী নই। আমাকে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে ধরে আনা হয়েছে। আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে অপহরণ করা হয়েছে।
আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ বলেও উল্লেখ করেন মাদুরো। এ সময় তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়, তার সবগুলোই তিনি অস্বীকার করেন।
এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হেলিকপ্টারে করে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ডিটেনশন সেন্টার থেকে নেওয়া ম্যানহাটনের আদালতে। হেলিকপ্টার থেকে নামানোর সময় মাদুরো ও তার স্ত্রীর হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। সেখানে মাদক প্রশাসনসহ (ডিইএ) বিভিন্ন ধরনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
গত শনিবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে নাটকীয়ভাবে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায় দেশটির সামরিক বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সময় জানান, এখন থেকে ভেনেজুয়েলাকে পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
এ ঘটনায় সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলো কিছুটা নিচু স্বরে প্রতিবাদ জানালেও বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এ দিন মাদুরোর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। সোমবার তারা দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। বলেছে, নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। একে তারা ‘বর্বরোচিত, বিশ্বাসঘাতক ও কাপুরুষোচিত আক্রমণ’ আখ্যা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে উপস্থিত হয়ে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ এবং এখনো ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন নিকোলা মাদুরো। তাকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসও আদালতে তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
মাদুরোর বিরুদ্ধে মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন মাদক গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত হয়ে কোকেন পাচারসহ মাদক-সন্ত্রাসের অভিযোগ আনা হয়। এসব অভিযোগ আগে থেকেই অস্বীকার করে আসছেন মাদুরো। আগামী ১৭ মার্চ এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন আদালত। সেদিনও মাদুরোকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে মাদুরোকে আদালতের এজলাসে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরপরই তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকেও এজলাসে তোলা হয়। আদালতের কার্যক্রম শোনার জন্য তারা দুজনেই দোভাষীর সাহায্য নিতে হেডসেট ব্যবহার করেন। ১২টা ৩ মিনিটে ৯২ বছর বয়সী বিচারক অ্যালভিন কে হেলারস্টাইন বিচারকের আসনে বসেন।
আদালতে মাদুরোর পরনে ছিল কয়েদিদের জন্য নির্ধারিত নীল রঙের ইউনিফর্ম। আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আইনজীবী ব্যারি পোলাকের সঙ্গে হাত মেলান এবং শান্তভাবে নির্ধারিত আসনে বসেন।
শুনানির একপর্যায়ে মাদুরোকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন বিচারক। জবাবে মাদুরো বলেন, তিনি তার বিরুদ্ধে করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র পড়েননি এবং তাকে তার অধিকার সম্পর্কেও জানানো হয়নি। জবাবে বিচারক হেলারস্টাইন বলেন, ‘মাদুরোর পক্ষ থেকে নট গিল্টি (দোষী নন) পিটিশন দাখিল করা হবে।’
এরপর দ্বিতীয়বার মাদুরোর কাছে তার বক্তব্য জানতে চান বিচারক। এ সময় দৃঢ় কণ্ঠে মাদুরো বলেন, আমি নির্দোষ। এখানে যা যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলোর কোনোটির জন্যই আমি অপরাধী নই। আমাকে ভেনেজুয়েলার কারাকাসে আমার বাড়ি থেকে ধরে আনা হয়েছে। আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি আমার দেশের প্রেসিডেন্ট। আমাকে অপহরণ করা হয়েছে।
আদালতে দাঁড়িয়ে নিজেকে ‘যুদ্ধবন্দি’ বলেও উল্লেখ করেন মাদুরো। এ সময় তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়, তার সবগুলোই তিনি অস্বীকার করেন।
এর আগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হেলিকপ্টারে করে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ডিটেনশন সেন্টার থেকে নেওয়া ম্যানহাটনের আদালতে। হেলিকপ্টার থেকে নামানোর সময় মাদুরো ও তার স্ত্রীর হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। সেখানে মাদক প্রশাসনসহ (ডিইএ) বিভিন্ন ধরনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
গত শনিবার ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে নাটকীয়ভাবে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায় দেশটির সামরিক বাহিনী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সময় জানান, এখন থেকে ভেনেজুয়েলাকে পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
এ ঘটনায় সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়েছে। ইউরোপের দেশগুলো কিছুটা নিচু স্বরে প্রতিবাদ জানালেও বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর কঠোর নিন্দা জানিয়েছে।
ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি এ দিন মাদুরোর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। সোমবার তারা দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের মুক্তির দাবি জানিয়েছে। বলেছে, নিকোলাস মাদুরোকে ‘অপহরণ’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। একে তারা ‘বর্বরোচিত, বিশ্বাসঘাতক ও কাপুরুষোচিত আক্রমণ’ আখ্যা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে