
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে এমন আলোচনা স্বাভাবিকভাবেই বৈশ্বিক রাজনীতিতে কৌতূহল তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, তবে এবার এটি প্রথাগত সীমার বাইরে গিয়ে বৈশ্বিক নেতৃত্বের এক মিলনমেলায় রূপ নিচ্ছে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ব্যতিক্রমী স্টাইলের প্রতিফলন।
বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ জানানো নিঃসন্দেহে এক প্রথাবিরোধী সিদ্ধান্ত। এটি একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। চীন, আর্জেন্টিনা, ইতালি, এবং ভারতের মতো বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ট্রাম্প কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার চেষ্টা করছেন বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর অনুপস্থিতি এবং তাঁর প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়টি ট্রাম্প-চীন সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিফলন হতে পারে।
শপথ অনুষ্ঠানে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি এবং তাদের অনুদানও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি একদিকে যেমন ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি কর্পোরেট সেক্টরের সমর্থন নির্দেশ করে, অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কেও নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে।
যদিও ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ অনেকের কাছে উদ্ভাবনী এবং কৌশলগত বলে মনে হতে পারে, তবুও এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক নীতির ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি স্পষ্ট যে, ট্রাম্প তাঁর শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক কূটনীতিতে একটি নতুন বার্তা দিতে প্রস্তুত।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নিয়ে এমন আলোচনা স্বাভাবিকভাবেই বৈশ্বিক রাজনীতিতে কৌতূহল তৈরি করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত, তবে এবার এটি প্রথাগত সীমার বাইরে গিয়ে বৈশ্বিক নেতৃত্বের এক মিলনমেলায় রূপ নিচ্ছে। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ ব্যতিক্রমী স্টাইলের প্রতিফলন।
বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ জানানো নিঃসন্দেহে এক প্রথাবিরোধী সিদ্ধান্ত। এটি একদিকে যেমন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায় সূচনার ইঙ্গিত দিচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। চীন, আর্জেন্টিনা, ইতালি, এবং ভারতের মতো বিভিন্ন দেশের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ট্রাম্প কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার চেষ্টা করছেন বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর অনুপস্থিতি এবং তাঁর প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়টি ট্রাম্প-চীন সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতির প্রতিফলন হতে পারে।
শপথ অনুষ্ঠানে শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি এবং তাদের অনুদানও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এটি একদিকে যেমন ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি কর্পোরেট সেক্টরের সমর্থন নির্দেশ করে, অন্যদিকে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কেও নতুন প্রশ্ন তুলতে পারে।
যদিও ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ অনেকের কাছে উদ্ভাবনী এবং কৌশলগত বলে মনে হতে পারে, তবুও এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ এবং বৈদেশিক নীতির ওপর কী প্রভাব ফেলবে তা সময়ই বলে দেবে। তবে এটি স্পষ্ট যে, ট্রাম্প তাঁর শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বৈশ্বিক কূটনীতিতে একটি নতুন বার্তা দিতে প্রস্তুত।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট পদে এটি ছিল হিচিলেমার সপ্তম প্রচেষ্টা। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাড়তি সুবিধা থাকায় তাঁর এই জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। অন্যদিকে, মুন্ডুবিলের জন্য এটি ছিল প্রেসিডেন্ট পদে প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর’ নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই দেশের আলোচনা চালানোর নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা এখন ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে। এই সমঝোতার আওতায় তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় সমাধানের আলোচনা করার কথা ছিল।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোববার (১৬ আগস্ট) মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জনের নামের তালিকা মিয়ানমারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
১ দিন আগে
মার্কিন সেনাদের আটক বা হত্যা করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে প্রায় ৩০ হাজার ডলার (৫ বিলিয়ন ইরানি তোমান) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কোনো নারী এ ধরনের কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দেওয়া হবে।
১ দিন আগে