
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলে শিক্ষা সফরের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর উল্টে খাদে পড়ে অন্তত ১৮ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছে
বাসটিতে প্রায় অর্ধশত আরোহী ছিলেন এবং তারা শিক্ষাসফরে যাচ্ছিলেন। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
কর্নেল সোফোন ফ্রামানেহে বলেন, “এটি ওপর থেকে নিচে নেমে আসার রাস্তা ছিল ও বাসটির ব্রেক ফেইল হয়েছিল এবং গাড়িটি উল্টে যাওয়ার আগে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।”
তিনি আরও বলেন, যারা মারা গেছে তারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিক্ষাসফরে যাচ্ছিলেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বাসে ৪৯ জন আরোহী ছিলেন। চালকসহ সকলেই ছিলেন থাই নাগরিক।
দুর্ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ছবিতে রাজধানী ব্যাংকক থেকে ১৫৫ কিমি (৯৬ মাইল) পূর্বে প্রচিনবুরি প্রদেশের ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দেখা যাচ্ছে।
এদিকে থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, এই ঘটনায় তদন্ত চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কিনি বলেছেন, “দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনের মানদণ্ড লঙ্ঘিত হয়ে থাকলে বা যানবাহনের বেপরোয়া ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনা রোধ করতে এবং আবারও এই ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়া কমাতে কোনও যানবাহন ব্যবহার করার আগে সেগুলোর পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপদ বলে ঘোষিত হতে হবে এবং নির্দিষ্ট মানগুলোও পাস করতে হবে।”
থাইল্যান্ডে যানবাহনের নিরাপত্তা মানদণ্ডের দুর্বল প্রয়োগ এবং রাস্তার খারাপ রক্ষণাবেক্ষণের কারণে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশ সাধারণ। ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১৭৫টি সদস্য দেশের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি নবম স্থানে রয়েছে।
গত বছর দেশটির একটি স্কুল বাসে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুন লেগে ১৬ শিক্ষার্থীসহ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

থাইল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলে শিক্ষা সফরের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারানোর পর উল্টে খাদে পড়ে অন্তত ১৮ জন নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছে
বাসটিতে প্রায় অর্ধশত আরোহী ছিলেন এবং তারা শিক্ষাসফরে যাচ্ছিলেন। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
কর্নেল সোফোন ফ্রামানেহে বলেন, “এটি ওপর থেকে নিচে নেমে আসার রাস্তা ছিল ও বাসটির ব্রেক ফেইল হয়েছিল এবং গাড়িটি উল্টে যাওয়ার আগে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন।”
তিনি আরও বলেন, যারা মারা গেছে তারা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং শিক্ষাসফরে যাচ্ছিলেন। পুলিশের এই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বাসে ৪৯ জন আরোহী ছিলেন। চালকসহ সকলেই ছিলেন থাই নাগরিক।
দুর্ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ছবিতে রাজধানী ব্যাংকক থেকে ১৫৫ কিমি (৯৬ মাইল) পূর্বে প্রচিনবুরি প্রদেশের ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের দেখা যাচ্ছে।
এদিকে থাই প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন শিনাওয়াত্রা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন, এই ঘটনায় তদন্ত চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কিনি বলেছেন, “দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনের মানদণ্ড লঙ্ঘিত হয়ে থাকলে বা যানবাহনের বেপরোয়া ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনা রোধ করতে এবং আবারও এই ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হওয়া কমাতে কোনও যানবাহন ব্যবহার করার আগে সেগুলোর পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপদ বলে ঘোষিত হতে হবে এবং নির্দিষ্ট মানগুলোও পাস করতে হবে।”
থাইল্যান্ডে যানবাহনের নিরাপত্তা মানদণ্ডের দুর্বল প্রয়োগ এবং রাস্তার খারাপ রক্ষণাবেক্ষণের কারণে দেশটিতে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঘটনা বেশ সাধারণ। ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুসারে, সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ১৭৫টি সদস্য দেশের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি নবম স্থানে রয়েছে।
গত বছর দেশটির একটি স্কুল বাসে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে আগুন লেগে ১৬ শিক্ষার্থীসহ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আঞ্চলিক দুটি সূত্র জানায়, শুক্রবারই চুক্তিটি সই হওয়ার কথা। পরে এক তুর্কি কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তবে আরেকটি আঞ্চলিক সূত্রের ভাষ্য, চুক্তিটি সই হলেও শুক্রবারই তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
৪ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
১০ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
২১ ঘণ্টা আগে