
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে ইরান। অভিযোগে দেশ দুটির বিরুদ্ধে শত শত নিরপরাধ মানুষ হত্যা ও বেসামরিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের উচ্চ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান নাসের সেরাজ শুক্রবার (২৭ জুন) জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে এ প্রতিবাদপত্র জমা দেন।
এর আগে বুধবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় ১২ দিন ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৬২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চার হাজার ৮৭০ জন।
ইরানের প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, এ সমন্বিত হামলা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের মৌলিক নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিংয়ের (আইআরআইবি) কেন্দ্রীয় সদর দফতর, স্বাস্থ্য ও সেবাকেন্দ্র, কারাগার, আবাসিক এলাকা এবং নগর ও গ্রামীণ অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আবাসিক ভবনগুলোতে ইসরায়েলের হামলায় দেশটির একাধিক বিখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞানীকে নিজ বাড়িতে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানের মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এতে মানুষের জীবনধারণের অধিকার, শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার অধিকার, চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকারসহ মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।
এ ছাড়া বারবার আবাসিক ভবনে বোমা হামলার হুমকির মাধ্যমে মানসিক নির্যাতন নিষিদ্ধের অধিকার এবং ইরানের আইআরআইবিতে হামলা চালিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেও লঙ্ঘন করেছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য না করে চালানো হামলায় নীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের পূর্ব সতর্কতা না দিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের (ইউএনএইচসিআর) দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে ইরান। অভিযোগে দেশ দুটির বিরুদ্ধে শত শত নিরপরাধ মানুষ হত্যা ও বেসামরিক অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের উচ্চ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান নাসের সেরাজ শুক্রবার (২৭ জুন) জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের কাছে এ প্রতিবাদপত্র জমা দেন।
এর আগে বুধবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় ১২ দিন ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এখন পর্যন্ত ৬২৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন চার হাজার ৮৭০ জন।
ইরানের প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, এ সমন্বিত হামলা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার আইন ও মানবিক আইনের মৌলিক নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
প্রতিবাদপত্রে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ব্রডকাস্টিংয়ের (আইআরআইবি) কেন্দ্রীয় সদর দফতর, স্বাস্থ্য ও সেবাকেন্দ্র, কারাগার, আবাসিক এলাকা এবং নগর ও গ্রামীণ অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আবাসিক ভবনগুলোতে ইসরায়েলের হামলায় দেশটির একাধিক বিখ্যাত পরমাণুবিজ্ঞানীকে নিজ বাড়িতে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানের মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এতে মানুষের জীবনধারণের অধিকার, শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তার অধিকার, চিকিৎসাসেবা পাওয়ার অধিকারসহ মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।
এ ছাড়া বারবার আবাসিক ভবনে বোমা হামলার হুমকির মাধ্যমে মানসিক নির্যাতন নিষিদ্ধের অধিকার এবং ইরানের আইআরআইবিতে হামলা চালিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকেও লঙ্ঘন করেছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য না করে চালানো হামলায় নীতি লঙ্ঘন করা হয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের পূর্ব সতর্কতা না দিয়ে তাদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবাদলিপিতে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে