
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের অশান্ত খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক সিরিজ অভিযানে অন্তত ৩৪ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা এসব অভিযানে ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট’ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক (আইবিও) হামলা চালানো হয় বলে বুধবার নিশ্চিত করেছে দেশটির সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা (আইএসপিআর)।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ২৬ জন এবং বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় ৮ জন নিহত হয়েছে।
পাক সেনাবাহিনীর দাবি, নিহতদের মধ্যে আফগান নাগরিকও রয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘সফল অভিযান’ চালানোয় আলাদা আলাদা বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
দেশটির সেনাবাহিনীর এ মিডিয়া শাখা বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, গত কয়েকদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ‘ভারতীয় মদদপুষ্ট’ ফিতনা আল খারিজি ও ফিতনা আল হিন্দুস্তানকে নির্মূলে ‘নিরবচ্ছিন্ন, গোয়েন্দা তথ্য নির্ভর’ সিরিজ অভিযান চালিয়েছে।
নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) বোঝাতে ফিতনা আল খারিজি তকমা ব্যবহার করে ইসলামাবাদ। আর ফিতনা আল হিন্দুস্তান ব্যবহৃত হয় বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীদের ক্ষেত্রে, জানিয়েছে ডন।
পাকিস্তান আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি আলাদা সংঘাতের ঘটনায় ফিতনা আল খারিজির ২৬ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। আর বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় অভিযানে মরেছে ফিতনা আল হিন্দুস্তানের ৮ সন্ত্রাসী।
খাইবার পাখতুনখোয়ার নর্থ ওয়াজিরিস্তানে পাক-আফগান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো একদল সন্ত্রাসীর চলাফেরা নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে পড়ে। এরপর সেনারা ওই সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হয়, যার ফলশ্রুতিতে এক সন্ত্রাসী নিহত হয় বলে বিস্তারিত বিবরণে জানায় আইএসপিআর।
“এটা উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে, নিহত খারিজি যে আফগান নাগরিক তা শনাক্ত হয়েছে,” বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
একই প্রদেশের লাক্কি মারওয়াত জেলায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক এক অভিযানে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা।
খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় ১০ সন্ত্রাসী এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের মির আলীতে আরও ১২ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে।
বেলুচিস্তানে সাম্বাজার ঝোব জেলায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে ‘তীব্র গুলি বিনিময়ের পর’ ৮ ‘সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
“ওই এলাকায় অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকা নিহত ভারতীয় মদদপুষ্ট খারিজি ও সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
“দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অঙ্গীকারে অটল ও অবিচল রয়েছে,” সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সদস্যদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিবৃতিতে এমনটাই বলে আইএসপিআর।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘সফল অভিযান’ চালানোয় আলাদা আলাদা বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক একাধিক অভিযানে এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ ৯ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল বলে জানায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
এদিকে চোরাগোপ্তা হামলায় গত কয়েকদিনে খাইবার পাখতুনখোয়ায় অন্তত ৫ পুলিশ সদস্য ও তিন প্যারামিলিটারি সদস্য নিহত হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। পাকিস্তানের এ উত্তর পশ্চিমের প্রদেশটি অনেক দিন ধরেই অশান্ত। সম্প্রতি সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে।

পাকিস্তানের অশান্ত খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তান প্রদেশে নিরাপত্তা বাহিনীর পৃথক সিরিজ অভিযানে অন্তত ৩৪ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা এসব অভিযানে ‘ভারতীয় মদতপুষ্ট’ বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্য করে গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক (আইবিও) হামলা চালানো হয় বলে বুধবার নিশ্চিত করেছে দেশটির সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা (আইএসপিআর)।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ২৬ জন এবং বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় ৮ জন নিহত হয়েছে।
পাক সেনাবাহিনীর দাবি, নিহতদের মধ্যে আফগান নাগরিকও রয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘সফল অভিযান’ চালানোয় আলাদা আলাদা বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
দেশটির সেনাবাহিনীর এ মিডিয়া শাখা বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, গত কয়েকদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ‘ভারতীয় মদদপুষ্ট’ ফিতনা আল খারিজি ও ফিতনা আল হিন্দুস্তানকে নির্মূলে ‘নিরবচ্ছিন্ন, গোয়েন্দা তথ্য নির্ভর’ সিরিজ অভিযান চালিয়েছে।
নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে (টিটিপি) বোঝাতে ফিতনা আল খারিজি তকমা ব্যবহার করে ইসলামাবাদ। আর ফিতনা আল হিন্দুস্তান ব্যবহৃত হয় বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীদের ক্ষেত্রে, জানিয়েছে ডন।
পাকিস্তান আইএসপিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার খাইবার পাখতুনখোয়ায় চারটি আলাদা সংঘাতের ঘটনায় ফিতনা আল খারিজির ২৬ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। আর বেলুচিস্তানের সাম্বাজায় অভিযানে মরেছে ফিতনা আল হিন্দুস্তানের ৮ সন্ত্রাসী।
খাইবার পাখতুনখোয়ার নর্থ ওয়াজিরিস্তানে পাক-আফগান সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো একদল সন্ত্রাসীর চলাফেরা নিরাপত্তা বাহিনীর নজরে পড়ে। এরপর সেনারা ওই সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হয়, যার ফলশ্রুতিতে এক সন্ত্রাসী নিহত হয় বলে বিস্তারিত বিবরণে জানায় আইএসপিআর।
“এটা উল্লেখ করা গুরুত্বপূর্ণ যে, নিহত খারিজি যে আফগান নাগরিক তা শনাক্ত হয়েছে,” বলা হয়েছে বিবৃতিতে।
একই প্রদেশের লাক্কি মারওয়াত জেলায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক এক অভিযানে সন্ত্রাসীদের আস্তানায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা।
খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় ১০ সন্ত্রাসী এবং নর্থ ওয়াজিরিস্তানের মির আলীতে আরও ১২ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে।
বেলুচিস্তানে সাম্বাজার ঝোব জেলায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযানে ‘তীব্র গুলি বিনিময়ের পর’ ৮ ‘সন্ত্রাসীকে’ হত্যা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
“ওই এলাকায় অসংখ্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকা নিহত ভারতীয় মদদপুষ্ট খারিজি ও সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
“দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের অঙ্গীকারে অটল ও অবিচল রয়েছে,” সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সদস্যদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বিবৃতিতে এমনটাই বলে আইএসপিআর।
সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ‘সফল অভিযান’ চালানোয় আলাদা আলাদা বিবৃতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকেও বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ায় গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক একাধিক অভিযানে এক আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ ৯ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছিল বলে জানায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
এদিকে চোরাগোপ্তা হামলায় গত কয়েকদিনে খাইবার পাখতুনখোয়ায় অন্তত ৫ পুলিশ সদস্য ও তিন প্যারামিলিটারি সদস্য নিহত হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। পাকিস্তানের এ উত্তর পশ্চিমের প্রদেশটি অনেক দিন ধরেই অশান্ত। সম্প্রতি সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা বেড়েছে।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট আউন একে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘স্পষ্ট বার্তা’ বলে অভিহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম বলেন, নিহত বেসামরিক নারী ও শিশুরা কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ছিলেন না।
১০ ঘণ্টা আগে
এই দুই স্থানে অনুসন্ধান কার্যক্রম সমাপ্ত করার পর উদ্ধারকারীরা জানতে পারেন, জেইতুন এলাকার ‘আল-মাঘরিবি’ পরিবারের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির নিচে দীর্ঘদিন ধরে অন্তত ৪০ জনের মরদেহ চাপা পড়ে আছে। খবর পেয়েই সেখানে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে সিভিল ডিফেন্সের দল।
১১ ঘণ্টা আগে
তেহরান বলছে, হরমুজ ‘ইরানের ছিল, ইরানের আছে এবং ইরানেরই থাকবে।’ এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ এই নৌ পথকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনাকে উসকে দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক ও জ্বালানি বাজারেও।
২১ ঘণ্টা আগে
উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস দ্বীপের সিকা জেলার প্রধান শহর মাউমেরেতেই এখন পর্যন্ত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও ছয়জন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে দুজন আটকা পড়েছেন।
১ দিন আগে