
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার রাত ৮টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের সাথে তার বিতর্কে বিপর্যয়কর পারফরমেন্স সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি এমন কথা বলেন। ওই বিতর্কে বাইডেনের এমন ধরাশায়ীর পর তাকে পুন:নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। খবর এএফপি’র।
বাইডেন বলেন, তার আগে ভাগে ঘুমিয়ে যাওয়ার খবর ‘সত্য নয়’।
বরং তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকাল ৭টায় ঘুম থেকে উঠে কাজ শুরু করি এবং মধ্যরাতে ঘুমাতে যাই। এক্ষেত্রে নিজেকে আরো কিছুটা গতিশীল রাখা আমার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বৃহস্পতিবার রাত ৮টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্পের সাথে তার বিতর্কে বিপর্যয়কর পারফরমেন্স সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি এমন কথা বলেন। ওই বিতর্কে বাইডেনের এমন ধরাশায়ীর পর তাকে পুন:নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। খবর এএফপি’র।
বাইডেন বলেন, তার আগে ভাগে ঘুমিয়ে যাওয়ার খবর ‘সত্য নয়’।
বরং তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকাল ৭টায় ঘুম থেকে উঠে কাজ শুরু করি এবং মধ্যরাতে ঘুমাতে যাই। এক্ষেত্রে নিজেকে আরো কিছুটা গতিশীল রাখা আমার জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে।’

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১৮ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
১৮ ঘণ্টা আগে