
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা নির্ধারিত হবে। তার আগে নির্বাচনের মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি টিভি বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজের আয়োজনে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
বিতর্কে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস বলেন, বিশ্ব নেতারা ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে হাসাহাসি করেন’। এমনকি ভ্লাদিমির পুতিন তার ‘দুপুরের খাবারের সঙ্গে’ ট্রাম্পকে ‘খেয়ে নিতে পারবেন’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ট্রাম্পকে নিয়ে ন্যাটো মিত্রদের অস্বস্তি তুলে ধরতে গিয়ে কমলা বলেন, আমাদের ন্যাটো মিত্ররা অনেক বেশি কৃতজ্ঞ কারণ আপনি আমাদের প্রেসিডেন্ট নন। অন্যথায় পুতিন আজ কিয়েভে বসে পোল্যান্ড থেকে শুরু করে ইউরোপের বাকি অংশের দিকে তার বদ নজর ফেলতেন। পুতিন একজন স্বৈরশাসক যিনি আপনাকে দুপুরের খাবারের সঙ্গে খেয়ে নিতে পারেন।
এই সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তার দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অপর দিকে কমলা হ্যারিসকে জবাব দিতে গিয়ে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে খারাপ ভাইস প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।
এসময় সাবেক এই প্রেসিডেন্ট কমলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেন হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন নিজের পরিকল্পনাগুলো কার্যকর করেননি কমালা হ্যারিস।
ট্রাস্প বলেন, তিনি এই সব বিস্ময়কর জিনিস করতে যাচ্ছেন। কেন তিনি এসব এখনও করেননি? তিনি সেখানে (হোয়াইট হাউসে) সাড়ে তিন বছর ধরে আছেন। সীমান্ত ঠিক করতে তাদের সাড়ে তিন বছর সময় লেগেছে। তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যও সাড়ে তিন বছর সময় লেগেছে।
নিজের বক্তব্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘কমালা হ্যারিস ইসরায়েলকে ঘৃণা করেন। তিনি নিজের মতো করে আরব জনগণকেও ঘৃণা করেন। ’ বাইডেন এবং হ্যারিসকে আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট আখ্যা দিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আগামী ৫ নভেম্বরের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা নির্ধারিত হবে। তার আগে নির্বাচনের মূল দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কমলা হ্যারিস ও ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি টিভি বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এবিসি নিউজের আয়োজনে এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।
বিতর্কে ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে কমলা হ্যারিস বলেন, বিশ্ব নেতারা ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে হাসাহাসি করেন’। এমনকি ভ্লাদিমির পুতিন তার ‘দুপুরের খাবারের সঙ্গে’ ট্রাম্পকে ‘খেয়ে নিতে পারবেন’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
ট্রাম্পকে নিয়ে ন্যাটো মিত্রদের অস্বস্তি তুলে ধরতে গিয়ে কমলা বলেন, আমাদের ন্যাটো মিত্ররা অনেক বেশি কৃতজ্ঞ কারণ আপনি আমাদের প্রেসিডেন্ট নন। অন্যথায় পুতিন আজ কিয়েভে বসে পোল্যান্ড থেকে শুরু করে ইউরোপের বাকি অংশের দিকে তার বদ নজর ফেলতেন। পুতিন একজন স্বৈরশাসক যিনি আপনাকে দুপুরের খাবারের সঙ্গে খেয়ে নিতে পারেন।
এই সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে তার দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
অপর দিকে কমলা হ্যারিসকে জবাব দিতে গিয়ে তাকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে খারাপ ভাইস প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন ট্রাম্প।
এসময় সাবেক এই প্রেসিডেন্ট কমলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কেন হোয়াইট হাউসে থাকাকালীন নিজের পরিকল্পনাগুলো কার্যকর করেননি কমালা হ্যারিস।
ট্রাস্প বলেন, তিনি এই সব বিস্ময়কর জিনিস করতে যাচ্ছেন। কেন তিনি এসব এখনও করেননি? তিনি সেখানে (হোয়াইট হাউসে) সাড়ে তিন বছর ধরে আছেন। সীমান্ত ঠিক করতে তাদের সাড়ে তিন বছর সময় লেগেছে। তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্যও সাড়ে তিন বছর সময় লেগেছে।
নিজের বক্তব্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘কমালা হ্যারিস ইসরায়েলকে ঘৃণা করেন। তিনি নিজের মতো করে আরব জনগণকেও ঘৃণা করেন। ’ বাইডেন এবং হ্যারিসকে আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট আখ্যা দিয়ে নিজের বক্তব্য শেষ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ব্রেক্সিট গণভোটের ১০ বছর পূর্তির দিনে সেই রাজনৈতিক যাত্রাপথের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের সিদ্ধান্ত দেশটির জন্য শুধু একটি পররাষ্ট্র বা অর্থনৈতিক নীতিগত পরিবর্তন ছিল না; বরং এটি যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে, যার প্রভাব এখনো দেশটির রাজনীতিতে স্পষ্ট।
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১৪ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
১৫ ঘণ্টা আগে