
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রিয়েল এস্টেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'ওপেনডোর' ভারতে তাদের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানির এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন কর্মী চাকরি হারাতে যাচ্ছেন। ব্যবসায়িক রূপান্তর কৌশলের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওপেনডোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাজ নেজাতীয়ান। তিনি জানান, গ্রাহকদের আরও কাছাকাছি সেবা পৌঁছে দিতেই এই অপারেশনাল পদগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা এক বার্তায় নেজাতীয়ান জানান, কোম্পানি গত কয়েক মাস ধরেই বেশ কিছু পদ ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত করা শুরু করেছিল। সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে এবং এর ফলে ভারতে ওপেনডোরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ গুটিয়ে নেওয়া হবে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে সিইও নেজাতীয়ান বলেন, ওপেনডোরের মূল গ্রাহক ভিত্তি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। তাই তাদের সেবা দেওয়ার জন্য যে অপারেশনাল কাজগুলো করা হয়, তা গ্রাহকদের কাছাকাছি থেকে পরিচালনা করাই সবচেয়ে শ্রেয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে বিভিন্ন সিস্টেমে হাতে কলমে (ম্যানুয়াল) কাজ পরিচালনার জন্য ভারতে একটি বড় টিম গঠন করেছিল কোম্পানি। তবে প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত টিম যুক্ত হওয়ার ফলে এখন আর এই কাজগুলোর জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন দেখছে না প্রতিষ্ঠানটি।
অবশ্য নেজাতীয়ান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভারতীয় টিমের কাজের দক্ষতার কোনো সম্পর্ক নেই। ভারতে কর্মরত কর্মীদের মেধার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত প্রতিভাবান পেশাদার এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্যই তারা মূল্যবান সম্পদ হিসেবে প্রমাণিত হবেন।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাকরি হারানো এই কর্মীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে সেভারেন্স প্যাকেজ (বিদায়ী আর্থিক সুবিধা) এবং নতুন চাকরি খোঁজার সহায়তাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা। তবে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বুঝিয়ে দেওয়ার সুবিধার্থে অল্প কয়েকজন কর্মী অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন।
কর্মী ছাঁটাইয়ের এই বড় ধাক্কার পরেও ওপেনডোর একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেন নেজাতীয়ান। তিনি জানান, কোম্পানির সামগ্রিক ব্যবসায়িক কৌশলে কোনো পরিবর্তন আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের বাড়িওয়ালাদের আরও উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রমকে আরও সহজ করা, একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনাই এখন কোম্পানির মূল লক্ষ্য।
রাজনীতি/আইআর

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রিয়েল এস্টেট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান 'ওপেনডোর' ভারতে তাদের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। কোম্পানির এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটিতে কর্মরত প্রায় ২৫০ জন কর্মী চাকরি হারাতে যাচ্ছেন। ব্যবসায়িক রূপান্তর কৌশলের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওপেনডোরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাজ নেজাতীয়ান। তিনি জানান, গ্রাহকদের আরও কাছাকাছি সেবা পৌঁছে দিতেই এই অপারেশনাল পদগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, কর্মীদের উদ্দেশ্যে পাঠানো এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শেয়ার করা এক বার্তায় নেজাতীয়ান জানান, কোম্পানি গত কয়েক মাস ধরেই বেশ কিছু পদ ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত করা শুরু করেছিল। সর্বশেষ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সেই প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত রূপ পাচ্ছে এবং এর ফলে ভারতে ওপেনডোরের কার্যক্রম সম্পূর্ণ গুটিয়ে নেওয়া হবে।
এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করে সিইও নেজাতীয়ান বলেন, ওপেনডোরের মূল গ্রাহক ভিত্তি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। তাই তাদের সেবা দেওয়ার জন্য যে অপারেশনাল কাজগুলো করা হয়, তা গ্রাহকদের কাছাকাছি থেকে পরিচালনা করাই সবচেয়ে শ্রেয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে বিভিন্ন সিস্টেমে হাতে কলমে (ম্যানুয়াল) কাজ পরিচালনার জন্য ভারতে একটি বড় টিম গঠন করেছিল কোম্পানি। তবে প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নয়ন এবং যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত টিম যুক্ত হওয়ার ফলে এখন আর এই কাজগুলোর জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন দেখছে না প্রতিষ্ঠানটি।
অবশ্য নেজাতীয়ান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে ভারতীয় টিমের কাজের দক্ষতার কোনো সম্পর্ক নেই। ভারতে কর্মরত কর্মীদের মেধার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তারা প্রত্যেকেই অত্যন্ত প্রতিভাবান পেশাদার এবং যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্যই তারা মূল্যবান সম্পদ হিসেবে প্রমাণিত হবেন।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চাকরি হারানো এই কর্মীদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে সেভারেন্স প্যাকেজ (বিদায়ী আর্থিক সুবিধা) এবং নতুন চাকরি খোঁজার সহায়তাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা। তবে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বুঝিয়ে দেওয়ার সুবিধার্থে অল্প কয়েকজন কর্মী অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য অস্থায়ীভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন।
কর্মী ছাঁটাইয়ের এই বড় ধাক্কার পরেও ওপেনডোর একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে দাবি করেন নেজাতীয়ান। তিনি জানান, কোম্পানির সামগ্রিক ব্যবসায়িক কৌশলে কোনো পরিবর্তন আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের বাড়িওয়ালাদের আরও উন্নত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তাদের কার্যক্রমকে আরও সহজ করা, একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা এবং ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনাই এখন কোম্পানির মূল লক্ষ্য।
রাজনীতি/আইআর

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে