
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের ওপর যেকোনো মার্কিন হামলা আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেবে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সতর্কতার পর রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রশাসনের কঠোর দমনপীড়নের জেরে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই অংশ হিসেবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী একটি রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক ভাষণে সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে একটি ‘অভ্যুত্থান’চেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘যক্তরাষ্ট্রের জানা উচিত, তারা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে এবার তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে।’ তিনি জনগণকে ট্রাম্পের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান জানান।
খামেনি বলেন, তারা (বিক্ষোভকারী) পুলিশ, সরকারি কেন্দ্র, আইআরজিসি কেন্দ্র, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা করেছে। তারা পবিত্র কোরআন পুড়িয়েছে। এটি একটি অভ্যুত্থানের মতো, যা শেষ পর্যন্ত দমন করা হয়েছে।
খামেনির এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি তো এমন কথা বলবেনই। দেখা যাক কী হয়। আশা করছি, আমাদের একটি চুক্তি হবে। আর যদি না হয়, তবে তিনি (খামেনি) ঠিক না ভুল, তা সময়ই বলে দেবে।’
বিক্ষোভকে ইরান সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে। সরকার স্বীকার করেছে, বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, নিহত ব্যক্তির বড় অংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। অন্যদিকে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা ৬ হাজার ৮৪২-এর বেশি, যাদের অধিকাংশই বিক্ষোভকারী।
এত উত্তেজনার মধ্যেও আলোচনার ক্ষীণ আলো দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প যদি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন, তবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে একটি ‘সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ’ চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, অঞ্চলের কিছু দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানিও বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার আড়ালে আলোচনার পরিকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। ট্রাম্পও আলোচনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে আশাবাদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের ওপর যেকোনো মার্কিন হামলা আঞ্চলিক সংঘাত উসকে দেবে, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সতর্কতার পর রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্প এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
গত মাসে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে প্রশাসনের কঠোর দমনপীড়নের জেরে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই অংশ হিসেবে তিনি মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী একটি রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক ভাষণে সাম্প্রতিক বিক্ষোভকে একটি ‘অভ্যুত্থান’চেষ্টার সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ‘যক্তরাষ্ট্রের জানা উচিত, তারা যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে এবার তা আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেবে।’ তিনি জনগণকে ট্রাম্পের হুমকিতে ভীত না হওয়ার আহ্বান জানান।
খামেনি বলেন, তারা (বিক্ষোভকারী) পুলিশ, সরকারি কেন্দ্র, আইআরজিসি কেন্দ্র, ব্যাংক ও মসজিদে হামলা করেছে। তারা পবিত্র কোরআন পুড়িয়েছে। এটি একটি অভ্যুত্থানের মতো, যা শেষ পর্যন্ত দমন করা হয়েছে।
খামেনির এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি তো এমন কথা বলবেনই। দেখা যাক কী হয়। আশা করছি, আমাদের একটি চুক্তি হবে। আর যদি না হয়, তবে তিনি (খামেনি) ঠিক না ভুল, তা সময়ই বলে দেবে।’
বিক্ষোভকে ইরান সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে। সরকার স্বীকার করেছে, বিক্ষোভে ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, নিহত ব্যক্তির বড় অংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য। অন্যদিকে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাকটিভিস্ট নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, নিহত মানুষের প্রকৃত সংখ্যা ৬ হাজার ৮৪২-এর বেশি, যাদের অধিকাংশই বিক্ষোভকারী।
এত উত্তেজনার মধ্যেও আলোচনার ক্ষীণ আলো দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ট্রাম্প যদি ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ নিতে পারেন, তবে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ে একটি ‘সুষ্ঠু ও সমতাপূর্ণ’ চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি জানান, অঞ্চলের কিছু দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানিও বলেছেন, সংবাদমাধ্যমের প্রচারণার আড়ালে আলোচনার পরিকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে। ট্রাম্পও আলোচনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে তেহরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে