
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল জাজিরার এক ক্যামেরাপারসন ও শিশুসহ অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্য গাজার একটি বাড়িতে চালানো হামলায় আল জাজিরার সংবাদকর্মী আহমেদ উইশাহ নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমটি। এই ঘটনাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আল জাজিরা। তবে ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, নিহত উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার স্নাইপার ছিলেন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার মধ্য গাজার একটি বাড়িতে হামলায় তাদের সংবাদকর্মী আহমেদ উইশাহ নিহত হন। সংবাদমাধ্যমটি এ ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আল জাজিরা এক বিবৃতিতে বলেছে, আহমেদ উইশাহকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার ধারাবাহিক নীতিরই অংশ।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ১,০০৭ জন নিহত হয়েছেন।
মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি বাড়িতে হামলায় উইশাহসহ আরও দুজন নিহত হন। স্থানীয় হাসপাতাল ও উদ্ধার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহত অন্য দুজনকেও হামাসের সদস্য বলে দাবি করেছে আইডিএফ।
উল্লেখ্য, আহমেদ উইশাহর ভাই আল জাজিরার আরেকজন সংবাদদাতা মোহাম্মহ উইশাহ গত এপ্রিলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। তখনও আইডিএফ তাকে হামাসের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছিল।
অন্যদিকে, সাবরা এলাকায় রাতভর চালানো আরেক হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতাল জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুটি শিশু ছিল। তবে চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে দুই নারী ও এক শিশুও রয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল জাজিরার এক ক্যামেরাপারসন ও শিশুসহ অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্য গাজার একটি বাড়িতে চালানো হামলায় আল জাজিরার সংবাদকর্মী আহমেদ উইশাহ নিহত হন বলে নিশ্চিত করেছে কাতারভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যমটি। এই ঘটনাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আল জাজিরা। তবে ইসরাইলি বাহিনীর দাবি, নিহত উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার স্নাইপার ছিলেন।
আল জাজিরা জানিয়েছে, শনিবার মধ্য গাজার একটি বাড়িতে হামলায় তাদের সংবাদকর্মী আহমেদ উইশাহ নিহত হন। সংবাদমাধ্যমটি এ ঘটনাকে জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
আল জাজিরা এক বিবৃতিতে বলেছে, আহমেদ উইশাহকে হত্যা আন্তর্জাতিক আইন ও নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার ধারাবাহিক নীতিরই অংশ।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় গাজায় ১,০০৭ জন নিহত হয়েছেন।
মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে একটি বাড়িতে হামলায় উইশাহসহ আরও দুজন নিহত হন। স্থানীয় হাসপাতাল ও উদ্ধার সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, নিহত অন্য দুজনকেও হামাসের সদস্য বলে দাবি করেছে আইডিএফ।
উল্লেখ্য, আহমেদ উইশাহর ভাই আল জাজিরার আরেকজন সংবাদদাতা মোহাম্মহ উইশাহ গত এপ্রিলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। তখনও আইডিএফ তাকে হামাসের অস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছিল।
অন্যদিকে, সাবরা এলাকায় রাতভর চালানো আরেক হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতাল জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে দুটি শিশু ছিল। তবে চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে দুই নারী ও এক শিশুও রয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে