
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পালটাপালটি হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করতে চান না। একই সঙ্গে ইরানের নেতৃত্বকে ‘অসুস্থ’ এবং দেশটির নেতাদের ‘নিকৃষ্ট’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৮ জুলাই) তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার অন্তর্বর্তী চুক্তি (ইন্টারিম ডিল) কার্যত শেষ হয়ে গেছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কাছে বিষয়টি শেষ। আমি তাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের আলোচনা করতে চাই না। তারা নিকৃষ্ট মানুষ। তারা অসুস্থ মানুষ এবং তাদের নেতৃত্বও অসুস্থ মানুষের হাতে। তারা নৃশংস ও সহিংস প্রকৃতির লোক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা সময়ের অপচয়। তারা মিথ্যাবাদী। আমরা একটি চুক্তি করি, সবাই একমত হয় যে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পর তারা বাইরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলে, এ বিষয়ে কখনো কোনো আলোচনাই হয়নি। তাদের মধ্যে কিছু একটা সমস্যা আছে। তারা পাগলাটে। আমার কাছে বিষয়টি শেষ। তারা কথা বলতে পারে, কিন্তু আমার মনে হয় তারা শুধু সময় নষ্ট করছে।’
এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ৬০টির বেশি নৌযানও রয়েছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, কেশম, সিরিক এবং হরমুজ প্রণালির খার্গ দ্বীপসহ কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় একের পর এক শক্তিশালী হামলা চালানো হয়। সিরিক এলাকায় বেসামরিক নাগরিকও আহত হয়েছেন। স্থানীয় মিনাব হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়েছে। মাছ ধরার জেটি ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, ইরান হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। সেই ঘটনার জবাব হিসেবেই ইরানের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে দুর্বল করা।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পালটা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অবস্থিত মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটি। হামলার পর বাহরাইনে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের হরমোজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনাসহ ৮৯টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে এই হামলাকে গত মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি এবং ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলাকে ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠানের সময় এই হামলা চালানো হয়েছে, যাতে ঐতিহাসিক ও আবেগঘন ওই অনুষ্ঠানকে ম্লান করা যায়।
এদিকে উত্তেজনার কেন্দ্রে থাকা হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, ওয়াশিংটনের কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ তারা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের জন্য ইরান নির্ধারিত রুটই নিরাপদ বলে দাবি করেছে দেশটি।
নতুন করে পালটাপালটি হামলার ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি হওয়া ভঙ্গুর কূটনৈতিক সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়ার মুখে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পালটাপালটি হামলার পর দুই দেশের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আর কোনো আলোচনা করতে চান না। একই সঙ্গে ইরানের নেতৃত্বকে ‘অসুস্থ’ এবং দেশটির নেতাদের ‘নিকৃষ্ট’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (৮ জুলাই) তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার অন্তর্বর্তী চুক্তি (ইন্টারিম ডিল) কার্যত শেষ হয়ে গেছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কাছে বিষয়টি শেষ। আমি তাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের আলোচনা করতে চাই না। তারা নিকৃষ্ট মানুষ। তারা অসুস্থ মানুষ এবং তাদের নেতৃত্বও অসুস্থ মানুষের হাতে। তারা নৃশংস ও সহিংস প্রকৃতির লোক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার দৃষ্টিতে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা সময়ের অপচয়। তারা মিথ্যাবাদী। আমরা একটি চুক্তি করি, সবাই একমত হয় যে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। কিন্তু চুক্তি হওয়ার পর তারা বাইরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলে, এ বিষয়ে কখনো কোনো আলোচনাই হয়নি। তাদের মধ্যে কিছু একটা সমস্যা আছে। তারা পাগলাটে। আমার কাছে বিষয়টি শেষ। তারা কথা বলতে পারে, কিন্তু আমার মনে হয় তারা শুধু সময় নষ্ট করছে।’
এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের ৮০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ৬০টির বেশি নৌযানও রয়েছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, কেশম, সিরিক এবং হরমুজ প্রণালির খার্গ দ্বীপসহ কয়েকটি কৌশলগত এলাকায় একের পর এক শক্তিশালী হামলা চালানো হয়। সিরিক এলাকায় বেসামরিক নাগরিকও আহত হয়েছেন। স্থানীয় মিনাব হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়েছে। মাছ ধরার জেটি ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, ইরান হরমুজ প্রণালিতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। সেই ঘটনার জবাব হিসেবেই ইরানের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে দুর্বল করা।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে পালটা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের নৌ ও বিমানবাহিনী যৌথভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশে অবস্থিত মোট ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল বাহরাইনের সালমান বন্দরে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটি। হামলার পর বাহরাইনে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়। কুয়েতের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের হরমোজগান ও মাহশাহর উপকূলীয় অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক স্থাপনাসহ ৮৯টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে এই হামলাকে গত মাসে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি এবং ‘ইসলামাবাদ চুক্তি’র সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের এ হামলাকে ‘আমেরিকান সন্ত্রাসবাদ’ আখ্যা দিয়ে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবেই সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন ও রাষ্ট্রীয় বিদায় অনুষ্ঠানের সময় এই হামলা চালানো হয়েছে, যাতে ঐতিহাসিক ও আবেগঘন ওই অনুষ্ঠানকে ম্লান করা যায়।
এদিকে উত্তেজনার কেন্দ্রে থাকা হরমুজ প্রণালি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরান বলেছে, ওয়াশিংটনের কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ তারা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক এই নৌপথে বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলের জন্য ইরান নির্ধারিত রুটই নিরাপদ বলে দাবি করেছে দেশটি।
নতুন করে পালটাপালটি হামলার ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রতি হওয়া ভঙ্গুর কূটনৈতিক সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়ার মুখে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আটলান্টিক উপকূল থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগর, স্কটল্যান্ডের হাইল্যান্ডস থেকে স্পেনের দক্ষিণাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত দাবানলের এই ধারা সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে নজিরবিহীন। অনেক আগুনই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং শহর ও জনবসতির কাছাকাছি পৌঁছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সুপ্রিম কোর্ট বলেন, সিবিআইয়ের দাখিল করা দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আদালতের মনে হয়েছে, সেগুলো বাতিল করে নতুন করে বিচার শুরুর মতো কোনো গ্রহণযোগ্য বা জোরালো কারণ নেই। ফলে তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলাটি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাহুল বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে এসে বসার সাহস নেই। আমি তাকে ৩০টি গাড়ির কনভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বসে থাকতে দেখেছি। তিনি আজ সংসদে নেই কেন? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।’
১ দিন আগে
রাজ্যসভায় পাস ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা পরীক্ষায় অনিয়মে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি বেড়ে হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড, পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি জরিমানার বিধানও থাকবে।
১ দিন আগে