
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যার একটি অংশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামাকে বানর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে। এবার ওই আপত্তিকর ভিডিওর জবাবে বারাক ওবামা সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের এমন কর্মকাণ্ডকে মার্কিন রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চরম অবক্ষয় হিসেবে অভিহিত করে ওবামা বলেছেন, রাজনীতি এখন একটি ‘ক্লাউন শো’ বা সস্তা তামাশায় পরিণত হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজনৈতিক বিশ্লেষক ব্রায়ান টাইলার কোহেনকে দেওয়া এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
পডকাস্টে ওবামা বলেন, ‘যারা একসময় পদের মর্যাদা এবং শিষ্টাচারকে সম্মান করত, তাদের মধ্যে এখন আর কোনো লজ্জা নেই। আমেরিকার রাজনৈতিক আলোচনা এখন যে পর্যায়ের নিষ্ঠুরতায় গিয়ে ঠেকেছে, তা আগে কখনো দেখা যায়নি।’
৫ ফেব্রুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ১ মিনিটের ওই এআই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। ভিডিওর শেষ অংশে, মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য ওবামা দম্পতির মুখ বানরের শরীরে বসানো অবস্থায় দেখানো হয়। ওই দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকে জনপ্রিয় গান ‘দ্য লায়ন স্লিপস টুনাইট’।
এ ছাড়া ভিডিওটিতে আবারও ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট কারচুপি হয়েছে বলে দাবি করা হয় এবং ব্যালট গণনাকারী প্রতিষ্ঠান ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসকে নির্বাচন ‘চুরি’র জন্য দায়ী করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে হোয়াইট হাউস বিষয়টিকে গণমাধ্যমের তৈরি ‘ভুয়া ক্ষোভ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে তারা এক কর্মীর ভুলের কথা বলে ভিডিওটি সরিয়ে নেয়। এরপর ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ভিডিওটির মূল দাবির (নির্বাচন কারচুপি) পক্ষে থাকলেও শেষের আপত্তিকর অংশটি খেয়াল করেননি। তিনি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু ক্ষমা চাইবেন না বলেন জানান।
সাক্ষাৎকারে ওবামা কেবল বর্ণবাদ নয়, বরং মিনেসোটায় ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী কঠোর অভিযানেরও কঠোর সমালোচনা করেন। সেখানে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক (রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেটি) নিহতের ঘটনাকে তিনি ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘একনায়কতান্ত্রিক’ দেশের আচরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ফেডারেল সরকারের এজেন্টদের এই ধরনের অনিয়ন্ত্রিত আচরণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং বিপজ্জনক।’
এদিকে অভিবাসন ইস্যুতে এই সংঘাতের জেরে গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টে আংশিক অচলাবস্থা বা ‘শাটডাউন’ শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অভিবাসন এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই কর্মকর্তাদের আচরণে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত তারা এই সংস্থার জন্য কোনো নতুন ফান্ড অনুমোদন করবেন না।

সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ভিডিও শেয়ার করেন, যার একটি অংশে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামাকে বানর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে। এবার ওই আপত্তিকর ভিডিওর জবাবে বারাক ওবামা সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের এমন কর্মকাণ্ডকে মার্কিন রাজনৈতিক শিষ্টাচারের চরম অবক্ষয় হিসেবে অভিহিত করে ওবামা বলেছেন, রাজনীতি এখন একটি ‘ক্লাউন শো’ বা সস্তা তামাশায় পরিণত হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাজনৈতিক বিশ্লেষক ব্রায়ান টাইলার কোহেনকে দেওয়া এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
পডকাস্টে ওবামা বলেন, ‘যারা একসময় পদের মর্যাদা এবং শিষ্টাচারকে সম্মান করত, তাদের মধ্যে এখন আর কোনো লজ্জা নেই। আমেরিকার রাজনৈতিক আলোচনা এখন যে পর্যায়ের নিষ্ঠুরতায় গিয়ে ঠেকেছে, তা আগে কখনো দেখা যায়নি।’
৫ ফেব্রুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ১ মিনিটের ওই এআই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। ভিডিওর শেষ অংশে, মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য ওবামা দম্পতির মুখ বানরের শরীরে বসানো অবস্থায় দেখানো হয়। ওই দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকে জনপ্রিয় গান ‘দ্য লায়ন স্লিপস টুনাইট’।
এ ছাড়া ভিডিওটিতে আবারও ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট কারচুপি হয়েছে বলে দাবি করা হয় এবং ব্যালট গণনাকারী প্রতিষ্ঠান ডমিনিয়ন ভোটিং সিস্টেমসকে নির্বাচন ‘চুরি’র জন্য দায়ী করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুরুতে হোয়াইট হাউস বিষয়টিকে গণমাধ্যমের তৈরি ‘ভুয়া ক্ষোভ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছিল। পরে তীব্র সমালোচনার মুখে তারা এক কর্মীর ভুলের কথা বলে ভিডিওটি সরিয়ে নেয়। এরপর ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ভিডিওটির মূল দাবির (নির্বাচন কারচুপি) পক্ষে থাকলেও শেষের আপত্তিকর অংশটি খেয়াল করেননি। তিনি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। কিন্তু ক্ষমা চাইবেন না বলেন জানান।
সাক্ষাৎকারে ওবামা কেবল বর্ণবাদ নয়, বরং মিনেসোটায় ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন বিরোধী কঠোর অভিযানেরও কঠোর সমালোচনা করেন। সেখানে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক (রেনি গুড ও অ্যালেক্স প্রেটি) নিহতের ঘটনাকে তিনি ‘স্বৈরাচারী’ ও ‘একনায়কতান্ত্রিক’ দেশের আচরণের সঙ্গে তুলনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ফেডারেল সরকারের এজেন্টদের এই ধরনের অনিয়ন্ত্রিত আচরণ অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং বিপজ্জনক।’
এদিকে অভিবাসন ইস্যুতে এই সংঘাতের জেরে গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টে আংশিক অচলাবস্থা বা ‘শাটডাউন’ শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অভিবাসন এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই কর্মকর্তাদের আচরণে পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত তারা এই সংস্থার জন্য কোনো নতুন ফান্ড অনুমোদন করবেন না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে