
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ভেনেজুয়েলার সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌ যানে দ্বিতীয় দফায় হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউজ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এ নির্দেশ ওই কমান্ডার আইনের মধ্যে থেকেই দিয়েছিলেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট দ্বিতীয় দফায় হামলার তথ্য জানিয়েছেন ব্রিফিংয়ে।
লেভিট বলেন, ‘নতুন করে হামলার নির্দেশনা দিয়ে অ্যাডমিরাল (ফ্রাঙ্ক) ব্র্যাডলি তার ক্ষমতা ও আইনের মধ্যেই কাজ করেছেন।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ হামলার অনুমোদন দিলেও ওয়াশিংটন পোস্টে যেমন বলা হয়েছে, সেভাবে তিনি ‘সবাইকে হত্যা’র নির্দেশ দেননি বলেও জানান লেভিট।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নৌ যানে প্রথম বিস্ফোরণের পর দুই ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় জ্বলন্ত নৌ যান আঁকড়ে ধরে ছিলেন। ওই অবস্থাতেই দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের অনেকে এ হামলার খবরে উদ্বেগ জানিয়েছেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনা পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে লেভিট বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের মনোনীত মাদকসন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে যুদ্ধ আইন অনুযায়ী প্রাণঘাতী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হামলার আওতায় আনা যেতে পারে।
তিনি জানান, মাদকসন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে প্রেসিডেন্টের তাদের প্রতিহত করার অধিকার রয়েছে। তবে প্রথম দফার হামলায় বেঁচে যাওয়া দুজনকে হত্যার জন্যই আবারও হামলা চালানো হয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত করেননি তিনি।
লেভিট আরও বলেন, সোমবার ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলাসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক অবস্থান জোরদার করেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার আন্তর্জাতিক জলসীমায় সন্দেহভাজন মাদক চোরাচালানের নৌ যানগুলোর ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে দেশটি। এগুলোকে তারা মাদকবিরোধী অভিযান বলে উল্লেখ করছে।
সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে এসব অভিযানে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক বহনকারী নৌকাগুলো ধ্বংস করা তাদের আত্মরক্ষার অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীর একজন শীর্ষ কর্মকর্তা ভেনেজুয়েলার সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌ যানে দ্বিতীয় দফায় হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হোয়াইট হাউজ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, এ নির্দেশ ওই কমান্ডার আইনের মধ্যে থেকেই দিয়েছিলেন।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (১ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট দ্বিতীয় দফায় হামলার তথ্য জানিয়েছেন ব্রিফিংয়ে।
লেভিট বলেন, ‘নতুন করে হামলার নির্দেশনা দিয়ে অ্যাডমিরাল (ফ্রাঙ্ক) ব্র্যাডলি তার ক্ষমতা ও আইনের মধ্যেই কাজ করেছেন।’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ হামলার অনুমোদন দিলেও ওয়াশিংটন পোস্টে যেমন বলা হয়েছে, সেভাবে তিনি ‘সবাইকে হত্যা’র নির্দেশ দেননি বলেও জানান লেভিট।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নৌ যানে প্রথম বিস্ফোরণের পর দুই ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় জ্বলন্ত নৌ যান আঁকড়ে ধরে ছিলেন। ওই অবস্থাতেই দ্বিতীয় দফায় হামলা চালানো হয়।
রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক উভয় দলের আইনপ্রণেতাদের অনেকে এ হামলার খবরে উদ্বেগ জানিয়েছেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনা পর্যালোচনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে লেভিট বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের মনোনীত মাদকসন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে যুদ্ধ আইন অনুযায়ী প্রাণঘাতী লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হামলার আওতায় আনা যেতে পারে।
তিনি জানান, মাদকসন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো যদি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে প্রেসিডেন্টের তাদের প্রতিহত করার অধিকার রয়েছে। তবে প্রথম দফার হামলায় বেঁচে যাওয়া দুজনকে হত্যার জন্যই আবারও হামলা চালানো হয়েছে কি না, সেটি নিশ্চিত করেননি তিনি।
লেভিট আরও বলেন, সোমবার ওভাল অফিসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলাসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক অবস্থান জোরদার করেছে। ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার আন্তর্জাতিক জলসীমায় সন্দেহভাজন মাদক চোরাচালানের নৌ যানগুলোর ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে দেশটি। এগুলোকে তারা মাদকবিরোধী অভিযান বলে উল্লেখ করছে।
সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে এসব অভিযানে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ মাদক বহনকারী নৌকাগুলো ধ্বংস করা তাদের আত্মরক্ষার অংশ।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১ দিন আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১ দিন আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে