
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কোনো ধরনের আক্রমণ চালায়, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা তাদের বাকি ঘাঁটিগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।
ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যানুযায়ী, দেশটির দক্ষিণ উপকূলজুড়ে হরমুজ প্রণালি থেকে ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মার্কিন বাহিনী জোরালো হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের বৃহত্তম বন্দরনগরী এবং আইআরজিসির গুরুত্বপূর্ণ নৌ-ঘাঁটি ‘বন্দর আব্বাস’ অন্যতম। এছাড়া পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন উপকূলীয় শহর কোনারাক এবং চাবাহারেও মার্কিন হামলা হয়েছে। মেহর নিউজ জানিয়েছে, চাবাহারের একটি সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারে হামলা চালানোর পাশাপাশি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, তবে পরবর্তীতে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইরানশাহর শহরের বিমানবন্দরে হামলায় এক দমকলকর্মী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের উত্তরাঞ্চলে আককালা শহরের কাছে একটি কৌশলগত রেলসেতুতেও মার্কিন বাহিনী আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও অব্যাহত রাখতেই তারা ইরানে এই নতুন হামলা চালাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বুধবার রাতের হামলার তুলনায় সবশেষ এই হামলার পরিধি ও তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, গতকাল ইরানের জাহাজে বোমা হামলার জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে; এর পুনরাবৃত্তি হলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে।
এই চরম সামরিক উত্তেজনার ফলে গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা স্মারককে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন সম্পূর্ণ ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম 'নূর নিউজ' এক সামরিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, তেহরান শিগগিরই এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আরও ‘বড় ধরনের হামলা’ চালাবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে রাজনৈতিক জুয়া খেলার কোনো সুযোগ নেই এবং যেকোনো উস্কানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
রাজনীতি/এসআর

মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোরে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইআরজিসি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও কোনো ধরনের আক্রমণ চালায়, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা তাদের বাকি ঘাঁটিগুলোতেও বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।
ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যানুযায়ী, দেশটির দক্ষিণ উপকূলজুড়ে হরমুজ প্রণালি থেকে ওমান উপসাগর পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মার্কিন বাহিনী জোরালো হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত ইরানের বৃহত্তম বন্দরনগরী এবং আইআরজিসির গুরুত্বপূর্ণ নৌ-ঘাঁটি ‘বন্দর আব্বাস’ অন্যতম। এছাড়া পাকিস্তান সীমান্তসংলগ্ন উপকূলীয় শহর কোনারাক এবং চাবাহারেও মার্কিন হামলা হয়েছে। মেহর নিউজ জানিয়েছে, চাবাহারের একটি সমুদ্রপথ নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারে হামলা চালানোর পাশাপাশি সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, তবে পরবর্তীতে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ইরানশাহর শহরের বিমানবন্দরে হামলায় এক দমকলকর্মী নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের উত্তরাঞ্চলে আককালা শহরের কাছে একটি কৌশলগত রেলসেতুতেও মার্কিন বাহিনী আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে প্রেস টিভি।
এদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ ও অব্যাহত রাখতেই তারা ইরানে এই নতুন হামলা চালাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বুধবার রাতের হামলার তুলনায় সবশেষ এই হামলার পরিধি ও তীব্রতা অনেক বেশি ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, গতকাল ইরানের জাহাজে বোমা হামলার জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে; এর পুনরাবৃত্তি হলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে।
এই চরম সামরিক উত্তেজনার ফলে গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা স্মারককে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন সম্পূর্ণ ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম 'নূর নিউজ' এক সামরিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, তেহরান শিগগিরই এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে আরও ‘বড় ধরনের হামলা’ চালাবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে রাজনৈতিক জুয়া খেলার কোনো সুযোগ নেই এবং যেকোনো উস্কানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
রাজনীতি/এসআর

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১ দিন আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে