
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শনিবারের ওই অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতিকে কেন্দ্র করে দ্বীপটির রাজনৈতিক মহলে আশঙ্কা বাড়ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে, প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তখনই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়— গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।
এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে আলোচনাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ ঘিরেও আন্তর্জাতিক আগ্রহ বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলতে থাকায় সেখানে বিরল খনিজ, ইউরেনিয়াম ও লৌহ আকরিক তুলনামূলক সহজলভ্য হয়ে উঠছে। বিজ্ঞানীদের মতে, দ্বীপটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাসের মজুতও থাকতে পারে।
শুক্রবার রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের বিরোধী দলসহ সব প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের কড়া সমালোচনা করেন। তারা বলেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অশ্রদ্ধা’ বন্ধ হতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশও হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই নির্ধারণ করবে।’
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বাইরের শক্তি চাপিয়ে দিতে পারবে না।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল হলেও দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে স্বাধীনতা প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। কৌশলগত অবস্থান ও বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে দ্বীপটি। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের ‘গ্রিনল্যান্ড কেনা’র প্রস্তাব সেই উদ্বেগকে প্রথম বড়ভাবে সামনে নিয়ে আসে।

ভেনেজুয়েলায় সামরিক শক্তি ব্যবহার করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনায় গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। শনিবারের ওই অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতিকে কেন্দ্র করে দ্বীপটির রাজনৈতিক মহলে আশঙ্কা বাড়ছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে, প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি দ্বীপটি কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে তখনই ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়— গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়।
এ প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আগামী সপ্তাহে ডেনমার্কের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে আলোচনাকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সম্পদ ঘিরেও আন্তর্জাতিক আগ্রহ বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলতে থাকায় সেখানে বিরল খনিজ, ইউরেনিয়াম ও লৌহ আকরিক তুলনামূলক সহজলভ্য হয়ে উঠছে। বিজ্ঞানীদের মতে, দ্বীপটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাসের মজুতও থাকতে পারে।
শুক্রবার রাতে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের বিরোধী দলসহ সব প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের আচরণের কড়া সমালোচনা করেন। তারা বলেন, গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অশ্রদ্ধা’ বন্ধ হতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশও হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডার হতে চাই। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণই নির্ধারণ করবে।’
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বাইরের শক্তি চাপিয়ে দিতে পারবে না।
গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের স্বশাসিত অঞ্চল হলেও দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে স্বাধীনতা প্রশ্নে রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। কৌশলগত অবস্থান ও বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদের কারণে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে দ্বীপটি। ২০১৯ সালে ট্রাম্পের ‘গ্রিনল্যান্ড কেনা’র প্রস্তাব সেই উদ্বেগকে প্রথম বড়ভাবে সামনে নিয়ে আসে।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৯ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে