
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীমন্ত্রী জন ফেলান তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন তার সরে দাঁড়ানোর খবর দিলেও একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ফেলান অবিলম্বে কার্যকরভাবে প্রশাসন থেকে বিদায় নিচ্ছেন। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন নৌ বাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি হাং কাও।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জন ফেলানের এ বিদায়ের খবর জানানো হয়েছে। আগের কয়েক কর্মকর্তার মতো ফেলানের বিদায়ের ক্ষেত্রেও পেন্টাগন কোনো কারণ জানায়নি। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতিকেই এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে গার্ডিয়ান।
ফেলানের এই বিদায় মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার তালিকায় সবশেষ সংযোজন। কয়েক সপ্তাহ আগেই পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেন। এ ছাড়া জেনারেল ডেভিড হডনে ও মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও তাদের দায়িত্ব থেকে সম্প্রতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, সিনেটর মার্ক কেলির বিরুদ্ধে ‘যথেষ্ট আক্রমণাত্মক’ অবস্থান না নেওয়ার জন্য কার্যত ফেলানকেই দায়ী করেন হেগসেথ। কেলি একটি ভিডিওতে সেনাদের ‘অবৈধ নির্দেশ’ উপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এ ছাড়া জাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত উদ্যোগ পরিচালনা নিয়ে হেগসেথের ডেপুটি স্টিফেন ফেইনবার্গের সঙ্গেও ফেলানের বিরোধ তৈরি হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন।
জন ফেলানের এ বিদায়ের খবর এমন একসময় এলো, যখন ঠিক একদিন আগেই তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে নৌ বাহিনীর বার্ষিক সম্মেলনে নাবিক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের বড় সমাবেশে বক্তব্য দেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে তার কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন।
এদিকে একই সময়ে ইরান যুদ্ধের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং বিশ্ব জুড়ে তেহরান-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
ফেলান এর আগে সামরিক বাহিনীতে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি এবং নৌ বাহিনীতেও এর আগে কোনো বেসামরিক নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন না। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে এ বাহিনীর মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
ফেলান ট্রাম্পের এবারের নির্বাচনের প্রচারে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তিমালিকানাধীন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান রাগার ম্যানেজমেন্ট এলএলসির প্রতিষ্ঠাতা। সামরিক খাতে তার প্রধান সম্পৃক্ততা ছিল ‘স্পিরিট অব আমেরিকা’ নামের একটি অলাভজনক সংস্থায় উপদেষ্টা হিসেবে, যা ইউক্রেন ও তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সহায়তায় কাজ করে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফেলানের দপ্তরের কোনো মন্তব্য পায়নি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
এদিকে ফেলানের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত হাং কাও ২০২৪ সালে ভার্জিনিয়ায় ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইনকে পরাজিত করার লক্ষ্যে মার্কিন সিনেট নির্বাচনে অংশ নেন। তবে তার সে চেষ্টা সফল হয়নি। রিপাবলিকান প্রাইমারিতে তিনি ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন।
কাও নৌ বাহিনীতে কাজ করছেন প্রায় ২৫ বছর ধরে, যিনি যুদ্ধক্ষেত্রেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জীবনীতে উল্লেখ আছে, গত শতকের সত্তরের দশকে শিশুকালে তিনি পরিবারের সঙ্গে ভিয়েতনাম থেকে পালিয়ে আসেন। সিনেট নির্বাচনের প্রচারের একটি ভিডিওতে তিনি স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট শাসনের সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের তুলনা করেছিলেন।

এবার যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনীমন্ত্রী জন ফেলান তার পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন তার সরে দাঁড়ানোর খবর দিলেও একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য গার্ডিয়ান বলছে, তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ফেলান অবিলম্বে কার্যকরভাবে প্রশাসন থেকে বিদায় নিচ্ছেন। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন নৌ বাহিনীর আন্ডারসেক্রেটারি হাং কাও।
বুধবার (২২ এপ্রিল) জন ফেলানের এ বিদায়ের খবর জানানো হয়েছে। আগের কয়েক কর্মকর্তার মতো ফেলানের বিদায়ের ক্ষেত্রেও পেন্টাগন কোনো কারণ জানায়নি। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতিকেই এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে গার্ডিয়ান।
ফেলানের এই বিদায় মার্কিন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার তালিকায় সবশেষ সংযোজন। কয়েক সপ্তাহ আগেই পিট হেগসেথ সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেন। এ ছাড়া জেনারেল ডেভিড হডনে ও মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও তাদের দায়িত্ব থেকে সম্প্রতি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, সিনেটর মার্ক কেলির বিরুদ্ধে ‘যথেষ্ট আক্রমণাত্মক’ অবস্থান না নেওয়ার জন্য কার্যত ফেলানকেই দায়ী করেন হেগসেথ। কেলি একটি ভিডিওতে সেনাদের ‘অবৈধ নির্দেশ’ উপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন।
এ ছাড়া জাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত উদ্যোগ পরিচালনা নিয়ে হেগসেথের ডেপুটি স্টিফেন ফেইনবার্গের সঙ্গেও ফেলানের বিরোধ তৈরি হয় বলে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএন।
জন ফেলানের এ বিদায়ের খবর এমন একসময় এলো, যখন ঠিক একদিন আগেই তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে নৌ বাহিনীর বার্ষিক সম্মেলনে নাবিক ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিদের বড় সমাবেশে বক্তব্য দেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে তার কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেন।
এদিকে একই সময়ে ইরান যুদ্ধের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করেছে এবং বিশ্ব জুড়ে তেহরান-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
ফেলান এর আগে সামরিক বাহিনীতে কখনো দায়িত্ব পালন করেননি এবং নৌ বাহিনীতেও এর আগে কোনো বেসামরিক নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন না। ২০২৪ সালের শেষ দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে এ বাহিনীর মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
ফেলান ট্রাম্পের এবারের নির্বাচনের প্রচারে বড় অঙ্কের অনুদান দিয়েছিলেন। তিনি ব্যক্তিমালিকানাধীন বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান রাগার ম্যানেজমেন্ট এলএলসির প্রতিষ্ঠাতা। সামরিক খাতে তার প্রধান সম্পৃক্ততা ছিল ‘স্পিরিট অব আমেরিকা’ নামের একটি অলাভজনক সংস্থায় উপদেষ্টা হিসেবে, যা ইউক্রেন ও তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা সহায়তায় কাজ করে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফেলানের দপ্তরের কোনো মন্তব্য পায়নি বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।
এদিকে ফেলানের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত হাং কাও ২০২৪ সালে ভার্জিনিয়ায় ডেমোক্র্যাট সিনেটর টিম কেইনকে পরাজিত করার লক্ষ্যে মার্কিন সিনেট নির্বাচনে অংশ নেন। তবে তার সে চেষ্টা সফল হয়নি। রিপাবলিকান প্রাইমারিতে তিনি ট্রাম্পের সমর্থন পেয়েছিলেন।
কাও নৌ বাহিনীতে কাজ করছেন প্রায় ২৫ বছর ধরে, যিনি যুদ্ধক্ষেত্রেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তার জীবনীতে উল্লেখ আছে, গত শতকের সত্তরের দশকে শিশুকালে তিনি পরিবারের সঙ্গে ভিয়েতনাম থেকে পালিয়ে আসেন। সিনেট নির্বাচনের প্রচারের একটি ভিডিওতে তিনি স্নায়ুযুদ্ধের সময়কার ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট শাসনের সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের তুলনা করেছিলেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ বিবৃতিতে দেশটির ‘খাতাম-আল আম্বিয়া’ কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, “এতদ্বারা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।”
১৪ ঘণ্টা আগে
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক চাপের মুখে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চরম রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেওয়ার পর আজ শনিবার বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা (স্টেট অব ইমার্জেন্সি) ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ।
১৭ ঘণ্টা আগে
লেবাননে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা না পেরোতেই সেখানে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নিরসনের যে প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে, তা শুরুর দিকেই বড় এক পরীক্ষার মুখে পড়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবারের মতো বার্ড ফ্লুর মারাত্মক ‘এইচ৫এন১’ (H5N1) স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে অত্যন্ত সংক্রামক এই ভ্যারিয়েন্টটি এখন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশেই পৌঁছে গেল। এর আগে অস্ট্রেলিয়াই ছিল একমাত্র মহাদেশ, যেখানে বার্ড ফ্লুর এই স্ট্রেইনটি খুঁজে
১৯ ঘণ্টা আগে