
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী’ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে বিশ্বের কোনো দেশ যদি ইরানকে সহায়তায় এগিয়ে আসে, তবে অদূর ভবিষ্যতে তাদের ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় এই অভিযান ও হুঁশিয়ারির কথা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এটি হবে একটি চরম অর্থনৈতিক যুদ্ধ, যার জেরে ইরান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে অভূতপূর্ব মাত্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি ঘোষণা করছি যে এই অভিযান চলাকালে কোনো দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমানবন্দর বা সরকারি মাধ্যমের সাহায্যে ইরানকে সহায়তার চেষ্টা করে, তবে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক খেসারত দিতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন এবং ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন এখন থেকে পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।”
তবে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, “আমি যাদের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, তারা তা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে।”
উল্লেখ্য, চীন, ভারত, তুরস্ক, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান—এই ছয়টি দেশ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় থাকা ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত এই দেশগুলোর সঙ্গেই অধিকাংশ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল তেহরান।
পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জোর দিয়ে বলেন, “সামনে একটি সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধ আসছে। আমরা চাই, ইরান নামের এই হুমকিকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করতে আমাদের সমস্ত মিত্র ও অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকুক। সংকুচিত হয়ে পড়া এই উন্মাদেরা সামনে যেসব ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে যাচ্ছে, তাতে বিশ্বজুড়ে তাদের সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রকল্প পঙ্গু হয়ে যাবে। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।”
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী। গত ৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এর মাঝে দুই দেশের মধ্যে দুটি মাঝারি মাত্রার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও সংঘাত পুরোপুরি থামেনি।

ইরানের বিরুদ্ধে ‘এ যাবৎকালের সবচেয়ে বিধ্বংসী’ অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে বিশ্বের কোনো দেশ যদি ইরানকে সহায়তায় এগিয়ে আসে, তবে অদূর ভবিষ্যতে তাদের ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় এই অভিযান ও হুঁশিয়ারির কথা জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এটি হবে একটি চরম অর্থনৈতিক যুদ্ধ, যার জেরে ইরান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় থেকে অভূতপূর্ব মাত্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।”
তিনি আরও লেখেন, “আমি ঘোষণা করছি যে এই অভিযান চলাকালে কোনো দেশ যদি তার অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য, বিমানবন্দর বা সরকারি মাধ্যমের সাহায্যে ইরানকে সহায়তার চেষ্টা করে, তবে সেই দেশকেও ভয়াবহ অর্থনৈতিক খেসারত দিতে হবে। তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় লাইন, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন এবং ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন এখন থেকে পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।”
তবে ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, “আমি যাদের প্রতি ইঙ্গিত করেছি, তারা তা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে।”
উল্লেখ্য, চীন, ভারত, তুরস্ক, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান—এই ছয়টি দেশ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় থাকা ইরানের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত এই দেশগুলোর সঙ্গেই অধিকাংশ বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল তেহরান।
পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জোর দিয়ে বলেন, “সামনে একটি সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধ আসছে। আমরা চাই, ইরান নামের এই হুমকিকে বিচ্ছিন্ন ও পরাজিত করতে আমাদের সমস্ত মিত্র ও অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকুক। সংকুচিত হয়ে পড়া এই উন্মাদেরা সামনে যেসব ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মুখে পড়তে যাচ্ছে, তাতে বিশ্বজুড়ে তাদের সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রকল্প পঙ্গু হয়ে যাবে। ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না।”
উল্লেখ্য, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান টানাপোড়েনের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন বাহিনী। গত ৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এর মাঝে দুই দেশের মধ্যে দুটি মাঝারি মাত্রার যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও সংঘাত পুরোপুরি থামেনি।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে