
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ডে অভিবাসী বিক্ষোভকারীদের দমন করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সে নির্দেশকে অবৈধ অভিহিত করে রায় দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এ ঐতিহাসিক রায় দেন যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জাজ কারিন ইমারগাট। এ রায়ের ফলে মার্কিন প্রশাসনের নিজেদের খেয়ালখুশিমতো যত্রতত্র সামরিক বাহিনী ব্যবহারে ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আদালতের রায়ে অভিবাসী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের সামরিক শক্তি প্রয়োগে স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিবাসন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস ও শিকাগোতেও একইভাবে সেনা মোতায়ন করার চেষ্টা করছেন।
আদালতের রায়ে বিচারক ইমারগাট বলেন, পোর্টল্যান্ডে বিদ্রোহ হয়েছে বা বিক্ষোভের কারণে সরকার ফেডারেল আইন প্রয়োগ করতে অক্ষম— এমন দাবি করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। ১০৬ পৃষ্ঠার এ আদেশে তিনি আরও বলেন, ছোট আকারের বিভিন্ন বিক্ষোভ কোনো অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য বাধা তৈরি করেছে বলেও প্রমাণও নেই।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্প ফেডারেল কর্মকর্তাদের সুরক্ষার জন্য আইনি কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকান শহরগুলোতে চলমান সহিংসতায় অন্ধ হয়ে বসে থাকবেন না এবং আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায় বিচারের আশা করছি।
ধারণা করা হচ্ছে শুক্রবারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন এবং এ মামলা শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে। এ বিষয়ে অরেগন অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোর কাছে কোনো মন্তব্য করেনি।
গত সেপ্টেম্বরে দায়ের করা এ মামলায় পোর্টল্যান্ড শহর এবং অরেগন অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস অভিযোগ করে, সেনা মোতায়নের ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য ছোট ছোট বিক্ষোভগুলোকে ও সহিংসতাগুলোকে অতিরঞ্জিত আকারে উল্লেখ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ডেমোক্র্যাট নেতারাও ট্রাম্পের এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সামরিক ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে মন্তব্য করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অরেগন অঙ্গরাজ্যের পোর্টল্যান্ডে অভিবাসী বিক্ষোভকারীদের দমন করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, সে নির্দেশকে অবৈধ অভিহিত করে রায় দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ নভেম্বর) ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এ ঐতিহাসিক রায় দেন যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জাজ কারিন ইমারগাট। এ রায়ের ফলে মার্কিন প্রশাসনের নিজেদের খেয়ালখুশিমতো যত্রতত্র সামরিক বাহিনী ব্যবহারে ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আদালতের রায়ে অভিবাসী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের সামরিক শক্তি প্রয়োগে স্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অভিবাসন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্প ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলেস ও শিকাগোতেও একইভাবে সেনা মোতায়ন করার চেষ্টা করছেন।
আদালতের রায়ে বিচারক ইমারগাট বলেন, পোর্টল্যান্ডে বিদ্রোহ হয়েছে বা বিক্ষোভের কারণে সরকার ফেডারেল আইন প্রয়োগ করতে অক্ষম— এমন দাবি করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। ১০৬ পৃষ্ঠার এ আদেশে তিনি আরও বলেন, ছোট আকারের বিভিন্ন বিক্ষোভ কোনো অভিবাসন আইন বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য বাধা তৈরি করেছে বলেও প্রমাণও নেই।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্প ফেডারেল কর্মকর্তাদের সুরক্ষার জন্য আইনি কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকান শহরগুলোতে চলমান সহিংসতায় অন্ধ হয়ে বসে থাকবেন না এবং আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায় বিচারের আশা করছি।
ধারণা করা হচ্ছে শুক্রবারের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন এবং এ মামলা শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে। এ বিষয়ে অরেগন অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমগুলোর কাছে কোনো মন্তব্য করেনি।
গত সেপ্টেম্বরে দায়ের করা এ মামলায় পোর্টল্যান্ড শহর এবং অরেগন অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস অভিযোগ করে, সেনা মোতায়নের ন্যায্যতা প্রমাণ করার জন্য ছোট ছোট বিক্ষোভগুলোকে ও সহিংসতাগুলোকে অতিরঞ্জিত আকারে উল্লেখ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
ডেমোক্র্যাট নেতারাও ট্রাম্পের এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে ‘সামরিক ক্ষমতার অপব্যবহার’ হিসেবে মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৪ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।
১ দিন আগে
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।
১ দিন আগে