
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং মনে হচ্ছে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’
বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাস্কাটে ইরান-মার্কিন আলোচনা নিয়ে সবশেষ প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেছেন তিনি। ফ্লোরিডার পাম বিচের মার-এ-লাগো রিসোর্টে ভ্রমণের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে চুক্তিটি আসলে কোন পর্যায়ে। আমার মনে হয় ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে খুবই আগ্রহী, যেমনটি তাদের হওয়া উচিত। গতবার তারা এটি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু আমার মনে হয় তারা এবার তাদের মন পরিবর্তন করেছে। চুক্তির বিষয়টি আমাদের দেখতে হবে এবং গতবারের চেয়ে এটি অবশ্যই আলাদা হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বহরের কথা উল্লেখ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের একটি বিশাল নৌ বহর আছে। একটি বিশাল নৌ বাহিনী যারা ওই দিকে এগোচ্ছে এবং দ্রুতই সেখানে পৌঁছাবে। তাই আমরা দেখব কীভাবে পরিস্থিতি এগোয়।
চুক্তিতে ইরানের সম্মতির জন্য কতক্ষণ অপেক্ষা করবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমাদের কাছে অনেক সময় আছে। যদি আপনার ভেনেজুয়েলার কথা মনে থাকে, আমরা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম এবং আমাদের কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না।
আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে আবারও বৈঠক হতে পারে জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তি না করার পরিণতি কী হতে পারে তা আপনারা জানেন। পরিণতি স্পষ্ট। তাই আমরা দেখব কী হয়। এই বৈঠকটি একজন অত্যন্ত উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে হয়েছে এবং আমরা দেখব এর ফলাফল কী হয়।’
এ ছাড়া চুক্তির শর্তাবলি নিয়েও কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। আমরা দুই বছর আগে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। কিন্তু তারা তা মেনে নিতে রাজি ছিল না। এখন তারা এক বা দেড় বছরেরও বেশি সময় ছেড়ে দিতে ইচ্ছুক, এমনকি প্রস্তুত।

ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং মনে হচ্ছে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’
বিবিসি খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওমানের রাজধানী মাস্কাটে ইরান-মার্কিন আলোচনা নিয়ে সবশেষ প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেছেন তিনি। ফ্লোরিডার পাম বিচের মার-এ-লাগো রিসোর্টে ভ্রমণের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে চুক্তিটি আসলে কোন পর্যায়ে। আমার মনে হয় ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে খুবই আগ্রহী, যেমনটি তাদের হওয়া উচিত। গতবার তারা এটি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু আমার মনে হয় তারা এবার তাদের মন পরিবর্তন করেছে। চুক্তির বিষয়টি আমাদের দেখতে হবে এবং গতবারের চেয়ে এটি অবশ্যই আলাদা হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বহরের কথা উল্লেখ করে দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের একটি বিশাল নৌ বহর আছে। একটি বিশাল নৌ বাহিনী যারা ওই দিকে এগোচ্ছে এবং দ্রুতই সেখানে পৌঁছাবে। তাই আমরা দেখব কীভাবে পরিস্থিতি এগোয়।
চুক্তিতে ইরানের সম্মতির জন্য কতক্ষণ অপেক্ষা করবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমাদের কাছে অনেক সময় আছে। যদি আপনার ভেনেজুয়েলার কথা মনে থাকে, আমরা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেছিলাম এবং আমাদের কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না।
আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে আবারও বৈঠক হতে পারে জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তি না করার পরিণতি কী হতে পারে তা আপনারা জানেন। পরিণতি স্পষ্ট। তাই আমরা দেখব কী হয়। এই বৈঠকটি একজন অত্যন্ত উচ্চপদস্থ ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে হয়েছে এবং আমরা দেখব এর ফলাফল কী হয়।’
এ ছাড়া চুক্তির শর্তাবলি নিয়েও কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকা উচিত নয়। আমরা দুই বছর আগে এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। কিন্তু তারা তা মেনে নিতে রাজি ছিল না। এখন তারা এক বা দেড় বছরেরও বেশি সময় ছেড়ে দিতে ইচ্ছুক, এমনকি প্রস্তুত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১৮ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে