
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আলোচনায় বসতে ইরান মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান যতক্ষণ না ‘অর্থপূর্ণ’ভাবে আলোচনা এগিয়ে নিতে আগ্রহী হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি নন বলেও জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র সফররত লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তারা (ইরান) যুদ্ধ শেষ করার জন্য মরিয়া হয়ে সংলাপ চাচ্ছে, নতুবা তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, তারা এখন আমাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য মরিয়া। কিন্তু অর্থপূর্ণ কোনো বৈঠক না চাইলে আমরা এতে আগ্রহী নই।
এর আগে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠকে লেবাননকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে আল-জাজিরার আরেক খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ও ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরাইল বলে কোনো দেশের অস্তিত্বই থাকত না বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পারমাণবিক চুক্তিটি তিনি বাতিল না করলে বহু বছর আগেই ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত। আর তা হলে আজ ইসরাইল মানচিত্র থেকেই মুছে যেত।
নিজের প্রশাসনের প্রথম দিকের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তৎকালীন বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে ইরান পারমাণবিক বোমার অধিকারী হতো এবং তার ফলে আজ ইসরাইলকে খুঁজে পাওয়া যেত না।
ট্রাম্পের মতে, ইরানের এই পারমাণবিক শক্তির কারণে শুধু ইসরাইলই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আরও বেশ কয়েকটি দেশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস হয়ে যেত।

আলোচনায় বসতে ইরান মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ইরান যতক্ষণ না ‘অর্থপূর্ণ’ভাবে আলোচনা এগিয়ে নিতে আগ্রহী হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি নন বলেও জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র সফররত লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, তারা (ইরান) যুদ্ধ শেষ করার জন্য মরিয়া হয়ে সংলাপ চাচ্ছে, নতুবা তারা ধ্বংস হয়ে যাবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, তারা এখন আমাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য মরিয়া। কিন্তু অর্থপূর্ণ কোনো বৈঠক না চাইলে আমরা এতে আগ্রহী নই।
এর আগে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠকে লেবাননকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এদিকে আল-জাজিরার আরেক খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে ও ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরাইল বলে কোনো দেশের অস্তিত্বই থাকত না বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে সই হওয়া পারমাণবিক চুক্তিটি তিনি বাতিল না করলে বহু বছর আগেই ইরান পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত। আর তা হলে আজ ইসরাইল মানচিত্র থেকেই মুছে যেত।
নিজের প্রশাসনের প্রথম দিকের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, তৎকালীন বি-২ বোমারু বিমান ব্যবহার করে ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলে ইরান পারমাণবিক বোমার অধিকারী হতো এবং তার ফলে আজ ইসরাইলকে খুঁজে পাওয়া যেত না।
ট্রাম্পের মতে, ইরানের এই পারমাণবিক শক্তির কারণে শুধু ইসরাইলই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের আরও বেশ কয়েকটি দেশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন বা ধ্বংস হয়ে যেত।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১ দিন আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে