
বিবিসি বাংলা

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগরের উপকূলে থাকা কিছু তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে অন্য কোনো হামলা বা হতাহতের খবর তারা নিশ্চিত করেনি।
শনিবার রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জ্বালানি রাখার একটি জায়গা থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। এ কারণে কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়। গত জুলাই থেকে হুতিরা সৌদি আরবে হামলা বাড়িয়ে দেওয়ার পর এই প্রথম রিয়াদে আবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজানো হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের নাগরিকদের মধ্যপ্রাচ্যে সতর্ক থাকতে বলেছে। সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল বা যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা।
একটি বিবৃতিতে বলা হয়, "ইরান সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, যার মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দরও রয়েছে। সামরিক এই সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার নিতে পারে।" এতে আরও বলা হয়, ওই অঞ্চলে ভ্রমণের বিষয়টি আমেরিকানদের গুরুত্বসহকারে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
ওদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরের দিকে আসা কয়েকটি হামলা ঠেকিয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং ইয়ানবু শহরে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানা শহরে সৌদি হামলার জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আল-সারিয়া দাবি করেন, গত এক সপ্তাহে সৌদি আরব ইয়েমেনে প্রায় ৩০০টি হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। একদিকে রয়েছে হুতিরা, অন্যদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার। সৌদি আরব ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন করে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে, ইয়েমেনে একটি সৌদি যুদ্ধবিমানও তারা ভূপাতিত করেছে।
অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার হুতি ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ে ৪৮ জন মারা গেছেন। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। হুতিরা বলেছে, তাদের ৩১ জন যোদ্ধা মারা গেছে। অন্যদিকে ইয়েমেন সরকারের পক্ষ ১৭ জন সেনা নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কারণে ইয়েমেনে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৯৬ জনের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
শনিবার রিয়াদে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সমস্যা দেখা দেয়। ফ্লাইটরাডার ২৪ এর তথ্য অনুযায়ী, অনেক ফ্লাইট দেরিতে চলেছে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এএফপির একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, আরামকোর একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লেগেছিল এবং দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন। রিয়াদ ও আশপাশের এলাকার মানুষকে মোবাইলে আগে থেকেই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। পরে শনিবার সকালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।
রিয়াদের এক বাসিন্দা বলেন, "আমি সতর্কসংকেত শুনেছিলাম। এরপর আমার জানালা কেঁপে ওঠে। বিষয়টি খুবই ভয়ংকর ছিল। আমি এমন কিছু আশা করিনি।"
এদিকে হুতিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর মোকা এবং পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে। এই এলাকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল করে এবং সৌদি আরব তেল রপ্তানির জন্য এই সমুদ্রপথ ব্যবহার করে।
হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার বন্দর ও বিমানবন্দরের ওপর সৌদি অবরোধের জবাব হিসেবেই তারা সমুদ্রপথে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজগুলো এখন লোহিত সাগরের এই পথের ওপর আরও বেশি নির্ভর করছে।
এদিকে জেপি মরগান বলেছে, চলমান যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যতে তেলের দাম কী হবে তা অনুমান করা খুব কঠিন। তাদের ভাষায়, এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখন বলা সম্ভব নয়।

ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা দাবি করেছে, তারা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগরের উপকূলে থাকা কিছু তেল ও জ্বালানি স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা আকাশেই ধ্বংস করেছে। তবে অন্য কোনো হামলা বা হতাহতের খবর তারা নিশ্চিত করেনি।
শনিবার রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জ্বালানি রাখার একটি জায়গা থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। এ কারণে কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলও ব্যাহত হয়। গত জুলাই থেকে হুতিরা সৌদি আরবে হামলা বাড়িয়ে দেওয়ার পর এই প্রথম রিয়াদে আবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত বাজানো হলো।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট তাদের নাগরিকদের মধ্যপ্রাচ্যে সতর্ক থাকতে বলেছে। সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল বা যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে তারা।
একটি বিবৃতিতে বলা হয়, "ইরান সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে, যার মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দরও রয়েছে। সামরিক এই সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার নিতে পারে।" এতে আরও বলা হয়, ওই অঞ্চলে ভ্রমণের বিষয়টি আমেরিকানদের গুরুত্বসহকারে পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
ওদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরের দিকে আসা কয়েকটি হামলা ঠেকিয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং ইয়ানবু শহরে সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর কিছু স্থাপনা লক্ষ্য করে অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, ইয়েমেনের রাজধানী সানা শহরে সৌদি হামলার জবাব হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আল-সারিয়া দাবি করেন, গত এক সপ্তাহে সৌদি আরব ইয়েমেনে প্রায় ৩০০টি হামলা চালিয়েছে।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে। একদিকে রয়েছে হুতিরা, অন্যদিকে রয়েছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার। সৌদি আরব ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন করে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকবার হামলা চালিয়েছে। তারা আরও দাবি করেছে, ইয়েমেনে একটি সৌদি যুদ্ধবিমানও তারা ভূপাতিত করেছে।
অসমর্থিত সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার হুতি ও সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর মধ্যে লড়াইয়ে ৪৮ জন মারা গেছেন। তবে এই সংখ্যা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। হুতিরা বলেছে, তাদের ৩১ জন যোদ্ধা মারা গেছে। অন্যদিকে ইয়েমেন সরকারের পক্ষ ১৭ জন সেনা নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক লড়াইয়ের কারণে ইয়েমেনে ১ লাখ ৪ হাজার ৭৯৬ জনের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।
শনিবার রিয়াদে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও সমস্যা দেখা দেয়। ফ্লাইটরাডার ২৪ এর তথ্য অনুযায়ী, অনেক ফ্লাইট দেরিতে চলেছে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এএফপির একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন, আরামকোর একটি জ্বালানি ট্যাংকে আগুন লেগেছিল এবং দমকলকর্মীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিলেন। রিয়াদ ও আশপাশের এলাকার মানুষকে মোবাইলে আগে থেকেই সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। পরে শনিবার সকালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানানো হয়।
রিয়াদের এক বাসিন্দা বলেন, "আমি সতর্কসংকেত শুনেছিলাম। এরপর আমার জানালা কেঁপে ওঠে। বিষয়টি খুবই ভয়ংকর ছিল। আমি এমন কিছু আশা করিনি।"
এদিকে হুতিরা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর মোকা এবং পেরিম দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে। এই এলাকা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচল করে এবং সৌদি আরব তেল রপ্তানির জন্য এই সমুদ্রপথ ব্যবহার করে।
হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার বন্দর ও বিমানবন্দরের ওপর সৌদি অবরোধের জবাব হিসেবেই তারা সমুদ্রপথে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের তেলবাহী জাহাজগুলো এখন লোহিত সাগরের এই পথের ওপর আরও বেশি নির্ভর করছে।
এদিকে জেপি মরগান বলেছে, চলমান যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যতে তেলের দাম কী হবে তা অনুমান করা খুব কঠিন। তাদের ভাষায়, এই যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা এখন বলা সম্ভব নয়।

সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, শনিবার সকাল ৮টার দিকে এমএস নাউয়ের হোয়াইট হাউজ সংবাদদাতা আকাইলা গার্ডনার ও এক ক্যামেরাম্যানকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি হোয়াইট হাউজে। গার্ডনার বলেন, প্রবেশপথে পাস স্ক্যান করার পর তাকে জানানো হয় সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কেন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে জানতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী বলেন, বিষয়টি তার
১৩ ঘণ্টা আগে
লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, মার্চের শুরু থেকে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় চার হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ১২ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লাখের বেশি মানুষ। দক্ষিণ লেবাননের বিস্তীর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ইসরায়েলি বাহিনী এখনও দেশটির ভূখণ্ডের কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে আগুন ও কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে। শনিবার স্থানীয় সময় সকালে বিমানবন্দরের দিক থেকে বিকট শব্দ শোনার পর আকাশে ধোঁয়া ও আগুন দেখা যায় বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বহাল রাখার আইনে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই আইনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের সুযোগও বাড়ানো হয়েছে।
১ দিন আগে