ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ায় নামার আগেই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

বিবিসি বাংলা
আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১৪: ০৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়া পৌঁছানোর ঠিক আগেই ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং নিশ্চিত করেছে যে তারা ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।

এর কিছুক্ষণ পরই উত্তর কোরিয়ায় পৌঁছান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে।

বিবিসির সউল সংবাদদাতা জেক কওন মনে করছেন, এই পরীক্ষাটি সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে বৈধতা দেওয়ার একটি ছোট পদক্ষেপ মাত্র।

উত্তর কোরিয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি উপরের দিকে উৎক্ষেপণ করা হয়, যা প্রায় সাত হাজার ৮০০ সেকেন্ড আকাশে উড়েছিল।

আজ বুধবারই দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছানোর পর দেশটির প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এর সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প।

এবারের এশিয়া সফরে চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে ট্রাম্পের বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত হলেও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং আনের সাথে বৈঠকের ইঙ্গিত পাওয়া যায় নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুইটি অর্থনৈতিক শক্তির দেশ। মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে গত কয়েক মাস ধরে শক্তিধর দেশ দুইটির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে।

এমন অবস্থার মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার মাটিতে হলেও বৃহত্তর শক্তিধর দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক এশিয়া অঞ্চলে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আশা করছেন চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার বৈঠকে অনেক সমস্যার সমাধান হবে, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইরাক থেকে ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ

শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।

১৩ ঘণ্টা আগে

সৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হুথিদের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।

১৫ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধের পরিণতি কি আফগানিস্তান-ইরাকের মতো হবে?

ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও

১৬ ঘণ্টা আগে

ব্রিকসে ইরান-আমিরাত বরফ গলার আভাস

ভারতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সুনজয় সুধীর রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধ শেষ করার চাবিকাঠি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাতে। তার মতে, ভারত কঠিন আলোচনাগুলো চালু রাখার সুযোগ তৈরি করেছে, যাতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো একই টেবিলে বসতে পারে, কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করতে পারে এবং যেসব বিষয়ে তাদের স্বার্থের মিল রয়েছ

১ দিন আগে
Advertisement